ক্রাইম রিপোর্টার:
যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নে ৩ আগষ্ট রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে কতিপয় সন্ত্রাসী হিরন শিকাদারকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে বলে চন্দ্রপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফা শিকদার অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তার করা অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, তার পুত্র হিরন শিকদার (৩৬), জগলু মোল্লা (৫০), ইজাজ মোল্ল (৩৫), কামাল শেখ (৫০) সহ কয়েকজন ঘটনার দিন ৮ নং সিদ্ধিপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের বাড়ি থেকে রাজনৈতিক আলোচনা করে বাড়ি ফেরার পথে নাউলি সুইচ গেট সংলগ্ন সোনাতলায় পৌছালে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে ওত পেতে থাকা মৃত ইনতাজ ফারজীর পুত্র কামরুল ফারাজী (৫০), সিদ্ধিপাশা গ্রামের মৃত জিতু সরদারের পুত্র নাসির উদ্দিন মিলন (৪৪), রামনগর গ্রামের মোজাদ্দের মোল্যার পুত্র আনিচুর রহমান ও কাবিজুর (৪৫), চন্দ্রপুর গ্রামের মৃত ফুল মিয়ার পুত্র আকবার আলী খাঁন (৬০), মোজাম সরদারের পুত্র চমন সরদার (৩০), সহ প্রায় ৩০ জন দুর্বৃত্ত রামদা, চাপাতি, হাসুয়া, ছুরি, হকিস্টিক, লাঠি, জি আই পাইপ নিয়ে তাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয় হিরন, কামাল ও জগলু কে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়।
পরবর্তীতে তার সাথে থাকা লোকজন ও স্থানীয়রা তাদেরকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।তাদের অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে হিরন ও কামাল মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগে তিনি আর ও উল্লেখ করেন, আসামীরা অত্র এলাকার সন্ত্রাসী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাহারা দীর্ঘদিন যাবৎ সন্ত্রাসী প্রভাব খাটিয়ে এলাকার নিরীহ লোকজনদেরকে প্রাণ নাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছিলো। আমার ছেলে হিরণ শিকদার আসামীদের উক্ত সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করতে বাধা প্রদান করায় আসামীরা আমার ছেলের উপর ক্ষিপ্ত হয় এবং তারা আমার ছেলেকে খুন জখমের হুমকি দিয়ে আসছিলো । তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডের বাধা হয়ে দাড়ানোর জন্য আমার ছেলেকে হত্যার জন্য তারা এই হামলা চালিয়েছে।
এ বিষয়ে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম বলেন, একজনকে আটক করা হয়েছে। মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ রানা আহমেদ । প্রধান সম্পাদক: মোঃ ফজলে রাব্বি। নির্বাহী সম্পাদক :হৃদয় হাসান ।বার্তা সম্পাদক : মাহাবুব হোসেন। মোবাইল অফিস: ০১৮৫৮৪১৬৮৭২।
ই-পেপার