বাঘারপাড়ায় ফলবান গাছে এক বোটায় প্রায় শতাধিক ফল দৃশ্যমান।
নিজস্ব প্রতিবেদক (বাঘারপাড়া) যশোর থেকেঃ
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বাসুয়াড়ি ইউনিয়নের পাকেরআলী গ্রামের গাছ মালিক মো.হাদিউজ্জামান সরদার।তার বাড়ি সংলগ্ন কাঁঠাল গাছে এক বোটায় শতাধিক কাঠালের মুছি(কুড়ি) দৃশ্যমান হয়েছে। চাড়াভিটা বাজার হইতে বসুন্দিয়া সংযোগ সড়ক দিয়ে যারা যাতায়াত করেন তারাই এই প্রকৃতি প্রদত্ত রসালো বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠালের কুড়ি বা ফল দেখতে পাবেন। চাড়াভিটা বাজার সংলগ্ন পাকেরআলীর দীঘির দক্ষিণ পূর্ব কোনে ডাক ঘরের ১০০ গজ দক্ষিণে পাকা সড়ক সংলগ্ন এই গাছটি দেখতে পাবেন। গত মওসুমে এগাছে একই স্থানে এক বোটায় ২৯টি পরিপূর্ণ ফল হয়েছিল। এবছর ২০২৫ ইং দেখা যাচ্ছে সেই একই স্থানে শতাধিক ফলের নমুনা। সরেজমিনে গিয়ে গাছের স্বত্বাধিকারীর মেজো সন্তানের সঙ্গে কথা হয় আমাদের প্রতিবেদকের তিনি বললেন প্রতিদিন সড়কে যাতায়াত করা শত শত পথচারী দাড়িয়ে দাঁড়িয়ে সৃষ্টিকারী প্রদত্ত এই ফল দেখেন। এ দৃশ্য দেখে অনেকের মুখ থেকে শোনা গেছে এ গাছের মালিকের কপালে জোর আছে তাই আল্লাহ তাহাকে এক বোটায় এত ফল দিয়েছে। একথা গুলো বলছিল গাছ মালিকের সন্তান। তিনি আরও বললেন এবার যে ফল দেখা যাচ্ছে সব ফল যদি পূর্ণতা পায় তাহলে দর্শনার্থীদের ভীড় হবে চোখে পড়ার মত। জানা গেল গাছমালিকের কোন পুত্র সন্তান নেই হয়ত আল্লাহ তাহাকে গাছের এক বোটায় এত গুলো কাঁঠাল দিছে এটাও এক পথচারীদের মন্তব্য। আরও জানা গেল গাছ মালিক অতিশয় দরিদ্র কৃষক। তাহার মাত্র ৪/৫টি কাঁঠাল গাছ আছে৷মালিকের মেজো সন্তান আফছোচ করে বলছিলেন আমার বাবার যদি ৪/৫ বিঘা জায়গা জমি থাকত তাহলে বাবা অনেক গাছ রোপন করতে পারত আমাদের অভাব অনাটন থাকত না।তিনি আরও বললেন বাবা সময় মত গাছের পরিচর্চা ও যত্ন নেন। আমরা মওসুমী ফল প্রয়োজনে কিছু খাই আর উদ্বৃত্ত থাকলে বাজারে বিক্রি করি তাতে আমদের একটু আর্থিক সচ্ছলতা হয়। তিনি এও বললেন আমারত কোন ভাই নেই বাবার আমরা অনেকগুলো বোন তিনি আমাদের অনেক স্নেহ মায়া মমতা দিয়ে মানুষ করছে এবং সেই সংগে গাছ গুলোকেও।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ রানা আহমেদ । প্রধান সম্পাদক: মোঃ ফজলে রাব্বি। নির্বাহী সম্পাদক :হৃদয় হাসান ।বার্তা সম্পাদক : মাহাবুব হোসেন। মোবাইল অফিস: ০১৮৫৮৪১৬৮৭২।
ই-পেপার