নিজস্ব প্রতিবেদক:
সমাজ থেকে মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে এবং কিশোর-কিশোরীদের সচেতন মানসিকতায় গড়ে তুলতে তৃণমূল পর্যায়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে ‘কিশোর-কিশোরী ক্লাব’। তবে প্রান্তিক পর্যায়ে আলো ছড়ানো এই ক্লাবের শিক্ষক ও জেন্ডার প্রমোটররা নিজেরা রয়ে গেছেন চরম অবহেলা ও বঞ্চনার শিকারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিশোর-কিশোরী ক্লাবের মাধ্যমে আবৃত্তি, গান, সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য সচেতনতা, যৌতুক প্রথা বন্ধ এবং বাল্যবিবাহ রোধে ধারাবাহিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ক্লাবের জেন্ডার প্রমোটর ও শিক্ষকরা দিনরাত পরিশ্রম করে কিশোর-কিশোরীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বহু বাল্যবিবাহ বন্ধ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে তাদের মাঠপর্যায়ের ভূমিকা সর্বজনস্বীকৃত।
তবে এই গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দায়িত্ব পালন করা শিক্ষক ও জেন্ডার প্রমোটরদের অভিযোগ, তাদের প্রাপ্ত ভাতা অত্যন্ত অপ্রতুল এবং তাও নিয়মিত পরিশোধ করা হয় না। ক্লাব পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সুনির্দিষ্ট অবকাঠামোর অভাব, অনিয়মিত তদারকি এবং চাকরি বা ভাতার অনিশ্চয়তার কারণে তারা চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন।
শিক্ষক ও জেন্ডার প্রমোটরদের মতে, "আমরা সমাজ বদলের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে কাজ করি। কিন্তু আমাদের নিজেদের জীবনযাত্রার মান এবং ন্যূনতম সম্মানীর বিষয়টিতে কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো নজর নেই। অবহেলা ও অনিশ্চয়তা দূর না হলে এই ক্লাবের মহৎ উদ্দেশ্য ব্যাহত হতে পারে।"
সংশ্লিষ্ট সচেতন মহল মনে করছেন, একটি সুন্দর ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে কিশোর-কিশোরী ক্লাবের ভূমিকা অপরিসীম। তাই এই কার্যক্রমকে গতিশীল রাখতে এবং মাঠপর্যায়ের শিক্ষক ও জেন্ডার প্রমোটরদের উপযুক্ত সম্মান ও সঠিক সুবিধা প্রদান করা এখন সময়ের দাবি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ রানা আহমেদ । প্রধান সম্পাদক: মোঃ ফজলে রাব্বি। নির্বাহী সম্পাদক :হৃদয় হাসান ।বার্তা সম্পাদক : মাহাবুব হোসেন। মোবাইল অফিস: ০১৮৫৮৪১৬৮৭২।
ই-পেপার