গংগাচড়ায় বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন হচ্ছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের পবিত্র আশুরা (মহররম)
- Update Time : ১১:১০:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
- / ২৯৪ Time View

আব্দুর রাজ্জাক, গংগাচড়া( রংপুর) প্রতিনিধিঃ
আজ ১০ মহররম। মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ দিন। হিজরি বর্ষের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ পবিত্র আশুরা হিসেবেও পরিচিত।
মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা পাওয়ার আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নফল রোজা, নামাজ, দান-খয়রাত ও জিকির-আসকারের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন।
আরবি ‘আশারা’ শব্দের অর্থ দশ। আর আশুরা মানে দশম। আর মহররম অর্থ সম্মানিত। হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন (রা.) এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা কারবালার প্রান্তরে ফরাত নদীর তীরে নির্মমভাবে শহীদ হন।
শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের মহান আদর্শকে সমুন্নত রাখতে হজরত ইমাম হোসেন (রা.)-এর আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে আছে। কারবালার এই শোকাবহ ঘটনা অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে অনুপ্রেরণা জোগায়। সত্য ও সুন্দরের পথে চলার প্রেরণা জোগায়।
শিয়া সম্প্রদায় এদিন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। এর মধ্যে তাজিয়া মিছিল উল্লেখযোগ্য।
জামায়াতের মনোনিত রংপুর ১ আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক রায়হান সিরাজী দৈনিক লিখনী সংবাদ কে বলেছেন, পবিত্র আশুরা জুলুম ও অবিচারের বিপরীতে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় মানবজাতিকে শক্তি ও সাহস জোগাবে।
তিনি আরও বলেন,
পবিত্র আশুরার শোকাবহ এই দিনে সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন (রা.) সহ কারবালার প্রান্তরে শাহাদাতের যে ইতিহাস,তা ছিলো মুসলিম উম্মাসহ বিশ্ববাসীর কাছে একদিকে মর্মান্তিক ও পীড়াদায়ক, অন্যদিকে অন্যায়ের কাছে মাথানত না করে,ত্যাগ ও কোরবানির সর্বোচ্চ নজরানা পেশের দৃষ্টান্ত।ঐতিহাসিক কারবালার মর্মান্তিক শাহাদাতের চেতনাকে ধারণ করে মুসলিম উম্মাহ সহ সকলের উচিত,সকল অন্যায়,অবিচার ও জুলুমের কাছে মাথানত না করে,সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় ত্যাগ ও কুরবানীর মানসিকতা নিয়ে আপসহীনভাবে দুর্বর গতিতে এগিয়ে চলা।এটিই হবে কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসেন (রাঃ) সহ সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একমাত্র উপায়।মহান রাব্বুল আলআমিন আমাদের সকলকে কারবালার চেতনা ধারণ করার তৌফিক দান করুন,আমিন।



















