০২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ ১৩ অক্টোবর: ‘বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস’

Reporter Name
  • Update Time : ১০:২৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১১ Time View

অনলাইন ডেস্ক:

আজ ১৩ অক্টোবর—’বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস’ (International Day for Failure)। সাফল্য লাভের যাত্রায় আমরা প্রায়ই ব্যর্থতাকে একটি নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখি। তবে এই ধারণাকে বদলে দিয়ে ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং নতুন উদ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা যোগাতেই মূলত দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

২০১০ সালে ফিনল্যান্ডের ‘আালতো বিশ্ববিদ্যালয়’-এর একদল শিক্ষার্থী প্রথম এই ব্যতিক্রমী দিবসটি উদযাপনের উদ্যোগ নেয়। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল তরুণ প্রজন্মকে ভুলের ভয় কাটিয়ে নতুন কিছু করার সাহস দেওয়া এবং ব্যর্থতা যে কোনো বিষয়ের চূড়ান্ত পরিণতি নয়, বরং নতুন শিক্ষার পথ—তা স্মরণ করিয়ে দেওয়া। পরবর্তীতে ফিনল্যান্ডের গণ্ডি পেরিয়ে দিবসটি বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি পায়।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, সফলতার পেছনে প্রধান চালিকাশক্তি হলো আগের ভুল বা ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ। নতুন কিছু উদ্ভাবন, ব্যবসা কিংবা ব্যক্তিগত উদ্যোগে সফল হতে গেলে আগে ভুলের মধ্য দিয়ে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। ব্যর্থতাকে সামাজিক লজ্জা হিসেবে না দেখে বরং একে শেখার একটি অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করার বার্তা দেয় এই দিনটি।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন তরুণ উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্মে দিনটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, সেমিনার ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আয়োজন করা হয়। যেখানে সফল ব্যক্তিত্বরা তাদের পেছনের ব্যর্থতার গল্প শুনিয়ে তরুণদের উৎসাহিত করে থাকেন।

অতএব, আজ কোনো কাজে ব্যর্থ হলে হতাশ না হয়ে, সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আবারও নতুন করে শুরু করার শপথ নেওয়ারই আহ্বান জানাচ্ছে ‘বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস’।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

আজ ১৩ অক্টোবর: ‘বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস’

Update Time : ১০:২৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক:

আজ ১৩ অক্টোবর—’বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস’ (International Day for Failure)। সাফল্য লাভের যাত্রায় আমরা প্রায়ই ব্যর্থতাকে একটি নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখি। তবে এই ধারণাকে বদলে দিয়ে ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং নতুন উদ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা যোগাতেই মূলত দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

২০১০ সালে ফিনল্যান্ডের ‘আালতো বিশ্ববিদ্যালয়’-এর একদল শিক্ষার্থী প্রথম এই ব্যতিক্রমী দিবসটি উদযাপনের উদ্যোগ নেয়। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল তরুণ প্রজন্মকে ভুলের ভয় কাটিয়ে নতুন কিছু করার সাহস দেওয়া এবং ব্যর্থতা যে কোনো বিষয়ের চূড়ান্ত পরিণতি নয়, বরং নতুন শিক্ষার পথ—তা স্মরণ করিয়ে দেওয়া। পরবর্তীতে ফিনল্যান্ডের গণ্ডি পেরিয়ে দিবসটি বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি পায়।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, সফলতার পেছনে প্রধান চালিকাশক্তি হলো আগের ভুল বা ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ। নতুন কিছু উদ্ভাবন, ব্যবসা কিংবা ব্যক্তিগত উদ্যোগে সফল হতে গেলে আগে ভুলের মধ্য দিয়ে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। ব্যর্থতাকে সামাজিক লজ্জা হিসেবে না দেখে বরং একে শেখার একটি অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করার বার্তা দেয় এই দিনটি।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন তরুণ উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্মে দিনটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, সেমিনার ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আয়োজন করা হয়। যেখানে সফল ব্যক্তিত্বরা তাদের পেছনের ব্যর্থতার গল্প শুনিয়ে তরুণদের উৎসাহিত করে থাকেন।

অতএব, আজ কোনো কাজে ব্যর্থ হলে হতাশ না হয়ে, সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আবারও নতুন করে শুরু করার শপথ নেওয়ারই আহ্বান জানাচ্ছে ‘বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস’।