০১:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়িতে ‘তাজকিয়া হেলথ ক্যাম্প-২০২৬’, প্রায় ৭০০ জনের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান,

Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৩ Time View

 

মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা প্রতিনিধি:-

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘তাজকিয়া হেলথ ক্যাম্প-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার আজিমনগরস্থ মাদরাসা-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী প্রাঙ্গণে শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্ট নিয়ন্ত্রিত আত্মউন্নয়নমূলক যুব সংগঠন তাজকিয়া এই কর্মসূচি আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সরওয়ার আলমগীর। সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সৈয়দ বদিউজ্জামাল মাইজভাণ্ডারী, অত্র মাদ্রাসা’র অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল কাসেম, তাজকিয়ার উপদেষ্টা এইচ. এম. রাশেদ খান, তাজকিয়ার সাবেক সভাপতি ডা: কৈশিক সাইমন শুভ এবং তাজকিয়া কেন্দ্রীয় পর্ষদের সভাপতি মোহাম্মদ রমিজ আলী। এ ছাড়াও স্থানীয় শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সমাজসেবক ও স্বেচ্ছাসেবীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন তাজকিয়া হেলথ ক্যাম্প-২০২৬ এর আহ্বায়ক এবং তাজকিয়া কেন্দ্রীয় পর্ষদের সহ-সভাপতি জামশেদ আলম।

দিনব্যাপী আয়োজিত এ ক্যাম্পে প্রায় ৭০০ জনের বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা এবং ৭০০ জনের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের ব্লাড গ্রুপ কার্ডও প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তারুণ্যের ডাক বুথ ক্যাম্পে প্রাথমিক চিকিৎসাবিষয়ক পরিচিতি, স্বাস্থ্য পরামর্শ এবং নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ডা. রিহুল জান্নাত। পরিশেষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে অনুষ্ঠিত সম্পূর্ণ করা হয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ক্যাম্পে ৮ জন চিকিৎসক, ২ জন প্রশিক্ষক, ৩ জন ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেন। তাজকিয়ার কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন উপজেলা শাখার সদস্যরাও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ফটিকছড়িতে ‘তাজকিয়া হেলথ ক্যাম্প-২০২৬’, প্রায় ৭০০ জনের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান,

Update Time : ১১:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

 

মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা প্রতিনিধি:-

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘তাজকিয়া হেলথ ক্যাম্প-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার আজিমনগরস্থ মাদরাসা-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী প্রাঙ্গণে শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্ট নিয়ন্ত্রিত আত্মউন্নয়নমূলক যুব সংগঠন তাজকিয়া এই কর্মসূচি আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সরওয়ার আলমগীর। সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সৈয়দ বদিউজ্জামাল মাইজভাণ্ডারী, অত্র মাদ্রাসা’র অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল কাসেম, তাজকিয়ার উপদেষ্টা এইচ. এম. রাশেদ খান, তাজকিয়ার সাবেক সভাপতি ডা: কৈশিক সাইমন শুভ এবং তাজকিয়া কেন্দ্রীয় পর্ষদের সভাপতি মোহাম্মদ রমিজ আলী। এ ছাড়াও স্থানীয় শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সমাজসেবক ও স্বেচ্ছাসেবীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন তাজকিয়া হেলথ ক্যাম্প-২০২৬ এর আহ্বায়ক এবং তাজকিয়া কেন্দ্রীয় পর্ষদের সহ-সভাপতি জামশেদ আলম।

দিনব্যাপী আয়োজিত এ ক্যাম্পে প্রায় ৭০০ জনের বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা এবং ৭০০ জনের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের ব্লাড গ্রুপ কার্ডও প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তারুণ্যের ডাক বুথ ক্যাম্পে প্রাথমিক চিকিৎসাবিষয়ক পরিচিতি, স্বাস্থ্য পরামর্শ এবং নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ডা. রিহুল জান্নাত। পরিশেষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে অনুষ্ঠিত সম্পূর্ণ করা হয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ক্যাম্পে ৮ জন চিকিৎসক, ২ জন প্রশিক্ষক, ৩ জন ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেন। তাজকিয়ার কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন উপজেলা শাখার সদস্যরাও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।