০১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে বাড়ি ফেরা হলো না জেলে সুব্রত মন্ডল এর।

Reporter Name
  • Update Time : ০২:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৬৬ Time View

মো: রাজু আহমেদ (স্টাফ রিপোর্টার)। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির জানান, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে যান জেলে সুব্রত মণ্ডল (৩২)। কাঁকড়া ধরে ফেরার পথে বিকাল ৪টার দিকে সাঁতরে করমজল খাল পার হচ্ছিলেন তিনি। তখন একটি কুমির তার ওপর আক্রমণ চালিয়ে কামড়ে ধরে পানিতে ডুব দেয়। সঙ্গে থাকা জেলে সোহেল বিশ্বাস, জুয়েল সরদার, জয় সরকার ও স্বপন বিশ্বাস টেনেহিঁচড়ে কুমিরের মুখ থেকে স্বপনকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে তারা বন বিভাগ ও স্বপনের পরিবারকে খবর দেন। এরপর খবর পেয়ে বন বিভাগ ও স্বপনের পরিবারসহ গ্রামবাসী লাশের সন্ধানে তল্লাশি চালান। তল্লাশি দলে থাকা ইস্রাফিল বয়াতি বলেন, ‘সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে আমরা দেখেছি, কুমিরের মুখে রয়েছে স্বপন। তবে স্বপনকে খায়নি কুমিরটি, মুখে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মাঝে মাঝে কুমিরটি ভাসছে। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি, রাত হয়ে যাওয়ায় আলোর ব্যবস্থা করছি। আর ভাটি এখন ভাটা হচ্ছে। ভাটায় খালের পানি নামায় আমরা খালে নেমে তল্লাশি চালাচ্ছি। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘যেসব জেলে পাস নিয়ে বনে গিয়ে বাঘ এবং কুমিরের আক্রমণের শিকার হয়ে প্রাণ হারান তাদের সরকারি অনুদান দেওয়া হয়। পাস ছাড়া কেউ নিহত হলে তাদের সহায়তা প্রদান করা হয় না।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে বাড়ি ফেরা হলো না জেলে সুব্রত মন্ডল এর।

Update Time : ০২:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

মো: রাজু আহমেদ (স্টাফ রিপোর্টার)। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির জানান, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে যান জেলে সুব্রত মণ্ডল (৩২)। কাঁকড়া ধরে ফেরার পথে বিকাল ৪টার দিকে সাঁতরে করমজল খাল পার হচ্ছিলেন তিনি। তখন একটি কুমির তার ওপর আক্রমণ চালিয়ে কামড়ে ধরে পানিতে ডুব দেয়। সঙ্গে থাকা জেলে সোহেল বিশ্বাস, জুয়েল সরদার, জয় সরকার ও স্বপন বিশ্বাস টেনেহিঁচড়ে কুমিরের মুখ থেকে স্বপনকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে তারা বন বিভাগ ও স্বপনের পরিবারকে খবর দেন। এরপর খবর পেয়ে বন বিভাগ ও স্বপনের পরিবারসহ গ্রামবাসী লাশের সন্ধানে তল্লাশি চালান। তল্লাশি দলে থাকা ইস্রাফিল বয়াতি বলেন, ‘সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে আমরা দেখেছি, কুমিরের মুখে রয়েছে স্বপন। তবে স্বপনকে খায়নি কুমিরটি, মুখে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মাঝে মাঝে কুমিরটি ভাসছে। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি, রাত হয়ে যাওয়ায় আলোর ব্যবস্থা করছি। আর ভাটি এখন ভাটা হচ্ছে। ভাটায় খালের পানি নামায় আমরা খালে নেমে তল্লাশি চালাচ্ছি। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘যেসব জেলে পাস নিয়ে বনে গিয়ে বাঘ এবং কুমিরের আক্রমণের শিকার হয়ে প্রাণ হারান তাদের সরকারি অনুদান দেওয়া হয়। পাস ছাড়া কেউ নিহত হলে তাদের সহায়তা প্রদান করা হয় না।