০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রমজানের আগেই চড়া চিনি-ছোলার দাম, স্বস্তি পেঁয়াজ-ডিমে

Reporter Name
  • Update Time : ০২:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১০ Time View

লিখনি ডেস্ক,

রমজান শুরুর বাকি আর মাত্র একমাস। তবে রমজান ঘিরে এরই মধ্যে বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষত রমজানে যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে সেগুলোর দাম এখনই বেশ চড়া। যার মধ্যে অন্যতম ছোলা ও চিনি। গত কয়েকদিনে এ দুটি ভোগ্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহে কোনো ধরনের সংকট না থাকলেও পাইকারি বাজারে ছোলা-চিনির মতো পণ্যগুলোর দাম বেড়েছে। যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারেও। রমজানে বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ খুচরা বিক্রেতাদের।

তবে ভরা মৌসুম হওয়ার কারণে কমেছে দেশি পেঁয়াজের দাম। এছাড়া সবজির ও ফার্মের মুরগির ডিমের দাম কমে এলেও ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, সেগুনবাগিচাসহ কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব চিত্র দেখা গেছে।

রামপুরা বাজারের মুদি দোকানি এনামুল হক বলেন, পাইকারি বিক্রেতারা ছোলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। যার প্রভাব পড়েছে খুচরায়। তবে ছোলার সরবরাহে ঘাটতি নেই।

শুধু ছোলা নয়, একই অবস্থা চিনির দামেও। বাজারে গত বছরের চেয়েও চিনির সরবরাহ স্বাভাবিক। তারপরও বাজারে পণ্যটির দাম বেড়ে যাচ্ছে। যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দামে স্থিতিশীলতা রয়েছে।

জানা গেছে, এক মাস আগেও প্যাকেটজাত চিনির দাম ছিল ১০০ থেকে ১০৫ টাকা। এখন অবশ্য সবগুলো সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্যাকেটজাত চিনির দামই ১০৫ টাকা করা হয়েছে। আর খোলা চিনি যেখানে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হতো, সেখানে এখন কোনো দোকানেই ১১০ টাকার কমে চিনি মিলছে না।

বাজারে আল আমিন নামের একজন ক্রেতা বলেন, রমজানে যেসব পণ্যের বাড়তি চাহিদা থাকে সেগুলোর দাম বাড়ানো ব্যবসায়ীদের এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। প্রতিবারই এটা হয়। এবারও ব্যতিক্রম হবে না।

এছাড়া শীতের সবজির দামও গত দুই সপ্তাহ বাড়লেও এখন আবার কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এর মধ্যে ফুলকপির দাম ৫০ টাকা থেকে কমে এখন ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় নেমেছে। বাধাকপি প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। নতুন আলুর দাম মান ও বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়।

অন্যদিকে, শিম ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। বেগুন মানভেদে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৭০ টাকায়, টমেটোর ৫০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে অন্য পণ্যগুলো আগের দামেই বিক্রি হতে দেখা গেছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

রমজানের আগেই চড়া চিনি-ছোলার দাম, স্বস্তি পেঁয়াজ-ডিমে

Update Time : ০২:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

লিখনি ডেস্ক,

রমজান শুরুর বাকি আর মাত্র একমাস। তবে রমজান ঘিরে এরই মধ্যে বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষত রমজানে যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে সেগুলোর দাম এখনই বেশ চড়া। যার মধ্যে অন্যতম ছোলা ও চিনি। গত কয়েকদিনে এ দুটি ভোগ্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহে কোনো ধরনের সংকট না থাকলেও পাইকারি বাজারে ছোলা-চিনির মতো পণ্যগুলোর দাম বেড়েছে। যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারেও। রমজানে বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ খুচরা বিক্রেতাদের।

তবে ভরা মৌসুম হওয়ার কারণে কমেছে দেশি পেঁয়াজের দাম। এছাড়া সবজির ও ফার্মের মুরগির ডিমের দাম কমে এলেও ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, সেগুনবাগিচাসহ কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব চিত্র দেখা গেছে।

রামপুরা বাজারের মুদি দোকানি এনামুল হক বলেন, পাইকারি বিক্রেতারা ছোলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। যার প্রভাব পড়েছে খুচরায়। তবে ছোলার সরবরাহে ঘাটতি নেই।

শুধু ছোলা নয়, একই অবস্থা চিনির দামেও। বাজারে গত বছরের চেয়েও চিনির সরবরাহ স্বাভাবিক। তারপরও বাজারে পণ্যটির দাম বেড়ে যাচ্ছে। যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দামে স্থিতিশীলতা রয়েছে।

জানা গেছে, এক মাস আগেও প্যাকেটজাত চিনির দাম ছিল ১০০ থেকে ১০৫ টাকা। এখন অবশ্য সবগুলো সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্যাকেটজাত চিনির দামই ১০৫ টাকা করা হয়েছে। আর খোলা চিনি যেখানে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হতো, সেখানে এখন কোনো দোকানেই ১১০ টাকার কমে চিনি মিলছে না।

বাজারে আল আমিন নামের একজন ক্রেতা বলেন, রমজানে যেসব পণ্যের বাড়তি চাহিদা থাকে সেগুলোর দাম বাড়ানো ব্যবসায়ীদের এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। প্রতিবারই এটা হয়। এবারও ব্যতিক্রম হবে না।

এছাড়া শীতের সবজির দামও গত দুই সপ্তাহ বাড়লেও এখন আবার কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এর মধ্যে ফুলকপির দাম ৫০ টাকা থেকে কমে এখন ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় নেমেছে। বাধাকপি প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। নতুন আলুর দাম মান ও বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়।

অন্যদিকে, শিম ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। বেগুন মানভেদে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৭০ টাকায়, টমেটোর ৫০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে অন্য পণ্যগুলো আগের দামেই বিক্রি হতে দেখা গেছে।