০১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিখোঁজের ১০ দিন পর কাস্টমস সদস্যের বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার।

Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১২ Time View

 

মোঃ মোখলেছুর রহমান  ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সোয়াইতপুর গ্রামে নিখোঁজের ১০ দিন পর কাস্টমস বিভাগের সিপাহী আবু রায়হান তালুকদারের বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত আবু রায়হান তালুকদার উপজেলার সোয়াইতপুর গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের কনিষ্ঠ ছেলে। তিনি কাস্টমস বিভাগে সিপাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ দিন আগে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন রায়হান। পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

রোববার (২ আগস্ট) সকালে নিজ বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।

ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করে।

এ ঘটনায় পুলিশ রাজু (কেয়ারটেকার) ও জিতুল (কেয়ারটেকারের সহযোগী) নামে দুইজনকে খুঁজ করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হত্যার কারণ ও এর সঙ্গে কে কে কেউ জড়িত আছে তা খতিয়ে দেখছে।

এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নিখোঁজের ১০ দিন পর কাস্টমস সদস্যের বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার।

Update Time : ১১:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

 

মোঃ মোখলেছুর রহমান  ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সোয়াইতপুর গ্রামে নিখোঁজের ১০ দিন পর কাস্টমস বিভাগের সিপাহী আবু রায়হান তালুকদারের বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত আবু রায়হান তালুকদার উপজেলার সোয়াইতপুর গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের কনিষ্ঠ ছেলে। তিনি কাস্টমস বিভাগে সিপাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ দিন আগে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন রায়হান। পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

রোববার (২ আগস্ট) সকালে নিজ বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।

ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করে।

এ ঘটনায় পুলিশ রাজু (কেয়ারটেকার) ও জিতুল (কেয়ারটেকারের সহযোগী) নামে দুইজনকে খুঁজ করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হত্যার কারণ ও এর সঙ্গে কে কে কেউ জড়িত আছে তা খতিয়ে দেখছে।

এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।