০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটে আলু চাষ করে লোকসানে কৃষক

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক
  • Update Time : ০৮:৩৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮ Time View

জয়পুরহাটে এবছর আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে।দেশের আলু উৎপাদনে বৃহত্তর জেলা জয়পুরহাট।মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে আলু তুলার ধুম।এবছর জয়পুরহাটে প্রায় চল্লিশ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আলুর চাষাবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে এক বিঘা জমিতে আলু উৎপাদন করতে কৃষকের খরচ হয়েছে তিরিশ থেকে ৩২ হাজার টাকা,আর এক বিঘা জমিতে আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা।

এভাবে আলুর দাম কমে যাওয়ায় লোকসান পড়েছে কৃষকরা।হতাশায় ভুগছে কৃষক,

কয়েকজন কৃষক কে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান, গত বছরের লোকশান নিয়ে এ বছর আমরা আলু উৎপাদন করেছি।কিন্তু এবছর ও আলুর দাম না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েছি।এছাড়া সার বীজ সেচ শ্রম পরিবহন ব্যয় গত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে প্রতিকেজি ১৮ থেকে ২০ টাকা।তবে বর্তমান পাইকারি বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ৭ থেকে ৮ টাকা কেজি।এতো কৃষকের উৎপাদন খরচ তুলতে পারছে না।

এছাড়া কয়েক জন আলু ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান, রপ্তানি সুযোগ সীমিত এবং সংরক্ষণ খরচ বেশি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা এখন বড় পরিসরে আলু কিনছেন না।এছাড়া ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট দাপট আর মৌসুমে অতিরিক্ত আলুর ফলনের কারণে বাজারে চাহিদা কমে গিয়ে আলুর দাম পড়ে গেছে।

জয়পুরহাট কৃষি সম্পাসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক এ কে,এম সাদিকুল ইসলাম বলেন,নতুন সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে, দেশের পাশাপাশি বিদেশে যেন আলু রপ্তানি করা যার এজন্য সরকারকে নানা রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।এছাড়া আলু ভিত্তি শিল্প কলকারখানা গড়ে তুলতে হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

জয়পুরহাটে আলু চাষ করে লোকসানে কৃষক

Update Time : ০৮:৩৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জয়পুরহাটে এবছর আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে।দেশের আলু উৎপাদনে বৃহত্তর জেলা জয়পুরহাট।মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে আলু তুলার ধুম।এবছর জয়পুরহাটে প্রায় চল্লিশ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আলুর চাষাবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে এক বিঘা জমিতে আলু উৎপাদন করতে কৃষকের খরচ হয়েছে তিরিশ থেকে ৩২ হাজার টাকা,আর এক বিঘা জমিতে আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা।

এভাবে আলুর দাম কমে যাওয়ায় লোকসান পড়েছে কৃষকরা।হতাশায় ভুগছে কৃষক,

কয়েকজন কৃষক কে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান, গত বছরের লোকশান নিয়ে এ বছর আমরা আলু উৎপাদন করেছি।কিন্তু এবছর ও আলুর দাম না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েছি।এছাড়া সার বীজ সেচ শ্রম পরিবহন ব্যয় গত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে প্রতিকেজি ১৮ থেকে ২০ টাকা।তবে বর্তমান পাইকারি বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ৭ থেকে ৮ টাকা কেজি।এতো কৃষকের উৎপাদন খরচ তুলতে পারছে না।

এছাড়া কয়েক জন আলু ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান, রপ্তানি সুযোগ সীমিত এবং সংরক্ষণ খরচ বেশি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা এখন বড় পরিসরে আলু কিনছেন না।এছাড়া ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট দাপট আর মৌসুমে অতিরিক্ত আলুর ফলনের কারণে বাজারে চাহিদা কমে গিয়ে আলুর দাম পড়ে গেছে।

জয়পুরহাট কৃষি সম্পাসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক এ কে,এম সাদিকুল ইসলাম বলেন,নতুন সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে, দেশের পাশাপাশি বিদেশে যেন আলু রপ্তানি করা যার এজন্য সরকারকে নানা রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।এছাড়া আলু ভিত্তি শিল্প কলকারখানা গড়ে তুলতে হবে।