০১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটে সমাজসেবা অফিসের অফিস সহায়ক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা.

Reporter Name
  • Update Time : ১১:২০:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৯৫ Time View

আব্দুর রাজ্জাক,বিশেষ প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার সমাজসেবা অফিসের অফিস সহায়ক মাহবুব আলম জনি (৩৫) বগুড়া জেলার গাবতলী থানার দুর্গাহাটা গ্রামের খায়রুল ইসলামের পুত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার(২০ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় সমাজসেবা অফিস কার্যালয়ে একটি কক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান কাজের বুয়া মোছাঃ জোবেদা খাতুন (৪০)

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন,আমি বৃহস্পতিবার অফিস করে বাসায় যাই শনিবার সকালে তাকে রাষ্ট্রীয় কাজের জন্য বার বার ফোন করে রিসিভ না হওয়ায় অফিসের কাজের বুয়াকে ফোন করি,খোঁজ নিয়ে কাজের বুয়া জানায়,আমি সমাজ সেবা অফিসে গিয়ে দেখতে পাই।অফিস সহায়ক জনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

নিহত ব্যক্তি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে সহায়ক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত ছিলেন। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন, তাৎক্ষণিকভাবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।
খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নূরে আলম সিদ্দিক জানান,এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।তিনি আরও বলেন ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতের পরিবার, সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।এবং ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

জয়পুরহাটে সমাজসেবা অফিসের অফিস সহায়ক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা.

Update Time : ১১:২০:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

আব্দুর রাজ্জাক,বিশেষ প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার সমাজসেবা অফিসের অফিস সহায়ক মাহবুব আলম জনি (৩৫) বগুড়া জেলার গাবতলী থানার দুর্গাহাটা গ্রামের খায়রুল ইসলামের পুত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার(২০ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় সমাজসেবা অফিস কার্যালয়ে একটি কক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান কাজের বুয়া মোছাঃ জোবেদা খাতুন (৪০)

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন,আমি বৃহস্পতিবার অফিস করে বাসায় যাই শনিবার সকালে তাকে রাষ্ট্রীয় কাজের জন্য বার বার ফোন করে রিসিভ না হওয়ায় অফিসের কাজের বুয়াকে ফোন করি,খোঁজ নিয়ে কাজের বুয়া জানায়,আমি সমাজ সেবা অফিসে গিয়ে দেখতে পাই।অফিস সহায়ক জনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

নিহত ব্যক্তি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে সহায়ক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত ছিলেন। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন, তাৎক্ষণিকভাবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।
খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নূরে আলম সিদ্দিক জানান,এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।তিনি আরও বলেন ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতের পরিবার, সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।এবং ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।