১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহেশপুরে গৃহবধূর পরকীয়ার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য

Reporter Name
  • Update Time : ১২:১৪:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • / ৭ Time View

মিজানুর রহমান -স্টাফ রিপোর্টার

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নের আলিশা গ্রামের বাসিন্দা খাদিজা খাতুন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে চৌগাছা উপজেলার খড়িংচা গ্রামের সলেমান মিয়ার মেয়ে শিউলী খাতুনের সঙ্গে মহেশপুর উপজেলার মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নের আলিশা গ্রামের প্রবাসী কামাল হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে,কুয়েত প্রবাসে থাকা স্বামী কামাল হোসেনের অনুপস্থিতিতে শিউলী খাতুন একই ইউনিয়নের শ্যামনগর গ্রামের মৃত সলেমানের ছেলে, ইজিবাইক চালক হাফিজুর রহমানের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে তাদের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
অভিযোগকারী খাদিজা খাতুন দাবি করেন, এটি প্রথম ঘটনা নয়। এর আগেও শিউলী খাতুন একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশের মুখোমুখি হয়েছেন। তবে তিন সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে প্রবাসী স্বামী কামাল হোসেন প্রতিবারই তাকে ক্ষমা করে সংসারে ফিরিয়ে নেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভাইরাল ভিডিও প্রকাশের পর অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে তাদের পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিউলী খাতুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যা হওয়ার হবে। আমার স্বামী দেশে এলে তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, আমি সেটাই মেনে নেব।”
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এ ধরনের ঘটনা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং সামাজিক অবক্ষয় বাড়াচ্ছে। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

মহেশপুরে গৃহবধূর পরকীয়ার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য

Update Time : ১২:১৪:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

মিজানুর রহমান -স্টাফ রিপোর্টার

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নের আলিশা গ্রামের বাসিন্দা খাদিজা খাতুন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে চৌগাছা উপজেলার খড়িংচা গ্রামের সলেমান মিয়ার মেয়ে শিউলী খাতুনের সঙ্গে মহেশপুর উপজেলার মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নের আলিশা গ্রামের প্রবাসী কামাল হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে,কুয়েত প্রবাসে থাকা স্বামী কামাল হোসেনের অনুপস্থিতিতে শিউলী খাতুন একই ইউনিয়নের শ্যামনগর গ্রামের মৃত সলেমানের ছেলে, ইজিবাইক চালক হাফিজুর রহমানের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে তাদের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
অভিযোগকারী খাদিজা খাতুন দাবি করেন, এটি প্রথম ঘটনা নয়। এর আগেও শিউলী খাতুন একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশের মুখোমুখি হয়েছেন। তবে তিন সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে প্রবাসী স্বামী কামাল হোসেন প্রতিবারই তাকে ক্ষমা করে সংসারে ফিরিয়ে নেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভাইরাল ভিডিও প্রকাশের পর অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে তাদের পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিউলী খাতুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যা হওয়ার হবে। আমার স্বামী দেশে এলে তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, আমি সেটাই মেনে নেব।”
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এ ধরনের ঘটনা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং সামাজিক অবক্ষয় বাড়াচ্ছে। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।