১২:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খোলা হলো লালন সাঁইজির আখড়াবাড়ির দানবাক্স, পাওয়া গেল কত টাকা?

Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১১ Time View

 

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় অবস্থিত বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়ির দানবাক্স খোলা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আখড়াবাড়ির মাজারের ভেতরে ও বারান্দায় থাকা দুটি সিন্দুক খোলা হয়। সিন্দুক দুটি থেকে মোট ৬ লক্ষ ৪৯ হাজার ৩শত ৪৮ টাকা পাওয়া যায়।

সাধারণত স্থানীয় প্রশাসন ও লালন একাডেমি কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ছয় থেকে সাত মাস পরপর দানবাক্স খোলা হয়। ভক্তদের দেওয়া মানত ও দানের টাকা গণনা শেষে লালন একাডেমির নির্ধারিত তহবিলে জমা রাখা হয়।

প্রতিবছর জেলা প্রশাসন ও লালন একাডেমির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে দানবাক্স খোলা হলেও এবার সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে দানবাক্স খোলা এবং টাকা গণনার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

এর আগে গত বছরের অক্টোবরে দানবাক্স খুলে ৪ লাখ ৯২ হাজার ২৬৪ টাকা পাওয়া যায়। পরে লালন স্মরণোৎসবের পর দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় ৯ লাখ ২২ হাজার ২৪২ টাকা।

শনিবার দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও লালন স্মরণোৎসবের অর্থ উপকমিটির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান রিফাত, কুমারখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও লালন একাডেমির সদস্যরা।

কুমারখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার দৈনিক ইত্তেফাককে জানান, এখন থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্স খোলা হবে। সাধারণত বছরে দুইবার দানবাক্স খোলা হয়। প্রথমবার অক্টোবর মাসে এবং দ্বিতীয়বার লালন তিরোধান দিবসের পর দানবাক্স খোলা হয়।
তিনি আরও জানান, গতবারের তুলনায় এবার দানবাক্সে বেশি টাকা পাওয়া গেছে। টাকা গণনা শেষে তা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুঝে নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল এসব টাকা লালন একাডেমির তহবিলে জমা দেওয়া হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

খোলা হলো লালন সাঁইজির আখড়াবাড়ির দানবাক্স, পাওয়া গেল কত টাকা?

Update Time : ১১:৩০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

 

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় অবস্থিত বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়ির দানবাক্স খোলা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আখড়াবাড়ির মাজারের ভেতরে ও বারান্দায় থাকা দুটি সিন্দুক খোলা হয়। সিন্দুক দুটি থেকে মোট ৬ লক্ষ ৪৯ হাজার ৩শত ৪৮ টাকা পাওয়া যায়।

সাধারণত স্থানীয় প্রশাসন ও লালন একাডেমি কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ছয় থেকে সাত মাস পরপর দানবাক্স খোলা হয়। ভক্তদের দেওয়া মানত ও দানের টাকা গণনা শেষে লালন একাডেমির নির্ধারিত তহবিলে জমা রাখা হয়।

প্রতিবছর জেলা প্রশাসন ও লালন একাডেমির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে দানবাক্স খোলা হলেও এবার সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে দানবাক্স খোলা এবং টাকা গণনার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

এর আগে গত বছরের অক্টোবরে দানবাক্স খুলে ৪ লাখ ৯২ হাজার ২৬৪ টাকা পাওয়া যায়। পরে লালন স্মরণোৎসবের পর দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় ৯ লাখ ২২ হাজার ২৪২ টাকা।

শনিবার দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও লালন স্মরণোৎসবের অর্থ উপকমিটির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান রিফাত, কুমারখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও লালন একাডেমির সদস্যরা।

কুমারখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার দৈনিক ইত্তেফাককে জানান, এখন থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্স খোলা হবে। সাধারণত বছরে দুইবার দানবাক্স খোলা হয়। প্রথমবার অক্টোবর মাসে এবং দ্বিতীয়বার লালন তিরোধান দিবসের পর দানবাক্স খোলা হয়।
তিনি আরও জানান, গতবারের তুলনায় এবার দানবাক্সে বেশি টাকা পাওয়া গেছে। টাকা গণনা শেষে তা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুঝে নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল এসব টাকা লালন একাডেমির তহবিলে জমা দেওয়া হবে।