০২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

Reporter Name
  • Update Time : ০১:১০:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
  • / ১৫১ Time View

Oplus_131072

মাহবুব হোসেন স্টাফ রিপোর্টার :

 

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে সাংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি মাঠ প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সাংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সচিব মো. মফিদুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। অন্যান্যদের মধ্যে সাংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় অতিরিক্ত সচিব মো. ফরহাদ সিদ্দিক, ভাষাবিজ্ঞানী অধ্যাপক মনসুর মুসা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ভাইস চ্যান্সেলর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আর কুঠিবাড়ির বাইরে বিশাল মাঠে বসেছে গ্রামীণ মেলা। আয়োজন নিয়ে রবীন্দ্র গবেষকরা জানান, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সালে প্রথম কুষ্টিয়া কুমারখালীর শিলাইদহে ছায়াশীতল নিরিবিলি এ কুঠিবাড়িতে আসেন। এরআগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর ১৮০৭ সালে এ অঞ্চলের জমিদারি পান। পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিলাইদহে জমিদার হয়ে আসেন। শিলাইদহে তিনি ১৯০১ সাল পর্যন্ত জমিদারি পরিচালনা করেন। জমিদারি পরিচালনার উদ্দেশ্যে আসলেও রবীন্দ্রনাথ পুরোটা সময় মগ্ন ছিলেন সাহিত্য রচনায়। আজ কুঠিবাড়ির মূল চত্বরের ভেতর আলোচনা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বিশাল মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। কুঠিবাড়িতে তিন দিনের এ বর্ণিল অনুষ্ঠানমালা চলবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কুষ্টিয়ায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

Update Time : ০১:১০:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫

মাহবুব হোসেন স্টাফ রিপোর্টার :

 

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে সাংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি মাঠ প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সাংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সচিব মো. মফিদুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। অন্যান্যদের মধ্যে সাংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় অতিরিক্ত সচিব মো. ফরহাদ সিদ্দিক, ভাষাবিজ্ঞানী অধ্যাপক মনসুর মুসা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ভাইস চ্যান্সেলর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আর কুঠিবাড়ির বাইরে বিশাল মাঠে বসেছে গ্রামীণ মেলা। আয়োজন নিয়ে রবীন্দ্র গবেষকরা জানান, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯১ সালে প্রথম কুষ্টিয়া কুমারখালীর শিলাইদহে ছায়াশীতল নিরিবিলি এ কুঠিবাড়িতে আসেন। এরআগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর ১৮০৭ সালে এ অঞ্চলের জমিদারি পান। পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিলাইদহে জমিদার হয়ে আসেন। শিলাইদহে তিনি ১৯০১ সাল পর্যন্ত জমিদারি পরিচালনা করেন। জমিদারি পরিচালনার উদ্দেশ্যে আসলেও রবীন্দ্রনাথ পুরোটা সময় মগ্ন ছিলেন সাহিত্য রচনায়। আজ কুঠিবাড়ির মূল চত্বরের ভেতর আলোচনা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বিশাল মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। কুঠিবাড়িতে তিন দিনের এ বর্ণিল অনুষ্ঠানমালা চলবে।