০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালীগঞ্জ বারোবাজার নছিমনের ধাক্কায় চার বছরের শিশুর মৃত্যু।

Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১১৭ Time View

 

মো: মাহাবুবুর রহমান।কালীগন্জ(ঝিনাইদহ)থেকে।

 

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামে নছিমনের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছে চার বছরের এক শিশু।আজ শনিবার দুপুরে পশু হাসপাতালের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিশুটি রাস্তার পাশে ঘুরে বেড়ানো এক ফেরিওয়ালার কাছ থেকে ভাজা বাদাম কিনে দ্রুত দৌড়ে যাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত নছিমন গাড়ির সাথে ধাক্কা খায়।

চালক সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও দুর্ঘটনা এড়াতে পারেননি। অনেকে জানান,

চালক শিশুটিকে বাচানোর চেষ্টা করেছিলেন, তবে গাড়ির পিছনের চাকায় ধাক্কা লাগায় ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয় শিশু।

পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির স্বজনরা দাবি করেছেন,

গাড়িচালকের কোনো দোষ নেই।

তাদের মতে, চালক সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন শিশুটিকে বাঁচানোর।

অন্যদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন,

বাদাম ভাজা পাপড় ভাজা বিক্রি করা ফেরিওয়ালারার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা দায়ভার ওই ফেরিওয়ালার উপর চাপালেও দুর্ঘটনার পর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর শিশুটির পরিবারে আহাজারি শুরু হয় এবং এলাকাজুড়ে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কালীগঞ্জ বারোবাজার নছিমনের ধাক্কায় চার বছরের শিশুর মৃত্যু।

Update Time : ১২:৪৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

 

মো: মাহাবুবুর রহমান।কালীগন্জ(ঝিনাইদহ)থেকে।

 

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামে নছিমনের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছে চার বছরের এক শিশু।আজ শনিবার দুপুরে পশু হাসপাতালের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিশুটি রাস্তার পাশে ঘুরে বেড়ানো এক ফেরিওয়ালার কাছ থেকে ভাজা বাদাম কিনে দ্রুত দৌড়ে যাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত নছিমন গাড়ির সাথে ধাক্কা খায়।

চালক সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও দুর্ঘটনা এড়াতে পারেননি। অনেকে জানান,

চালক শিশুটিকে বাচানোর চেষ্টা করেছিলেন, তবে গাড়ির পিছনের চাকায় ধাক্কা লাগায় ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয় শিশু।

পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির স্বজনরা দাবি করেছেন,

গাড়িচালকের কোনো দোষ নেই।

তাদের মতে, চালক সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন শিশুটিকে বাঁচানোর।

অন্যদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন,

বাদাম ভাজা পাপড় ভাজা বিক্রি করা ফেরিওয়ালারার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা দায়ভার ওই ফেরিওয়ালার উপর চাপালেও দুর্ঘটনার পর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর শিশুটির পরিবারে আহাজারি শুরু হয় এবং এলাকাজুড়ে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া।