কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক রফিকুল্লাহ কালবির ওপর নৃ’শং’স হা’ম’লা’র প্রতিবাদে মানববন্ধন, ৭ দফা দাবি
- Update Time : ০২:৩১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
- / ১১৬ Time View

জিলহজ খান , স্টাফ রিপোর্টার:
কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক রফিকুল্লাহ কালবির ওপর নৃ’শং’স হা’ম’লা’র ঘটনায় হা’ম’লা’কারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারসহ সাত দফা দাবিতে মানববন্ধন ও মানবপ্রাচীর কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও গণমানুষের সংগঠনগুলো।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে “সর্বস্তরের সাংবাদিক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতা” ব্যানারে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী মানবপ্রাচারে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কর্মী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক দর্পণ পত্রিকার সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতা মজিবুল শেখ। বক্তব্য রাখেন কালের কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার তারিকুল হক তারিক, বাংলাভিশনের জেলা প্রতিনিধি হাসান আলী, দৈনিক কুষ্টিয়ার নির্বাহী সম্পাদক আলী মুজাহিদ এবং ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সদস্য সুলতান মারুফ তালহা প্রমুখ। পরে হা’ম’লা’কারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের কার্যক্রম তদন্ত, সদর থানার ওসির পক্ষপাতমূলক আচরণ বন্ধসহ সাত দফা দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
গত ৬ অক্টোবর (সোমবার) রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কুষ্টিয়ার খবর পত্রিকার সহসম্পাদক ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা রফিকুল্লাহ কালবি নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে কুষ্টিয়া সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে গেলে ওসি তা গ্রহণ না করে আপসের পরামর্শ দেন। থানার বাইরে বের হওয়ার পর প্রতিপক্ষরা তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে। অভিযোগ অনুযায়ী, খবরওলা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুন্সি শাহিনের নেতৃত্বে একদল দু’র্বৃ’ত্ত কালবিকে ধরে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে অমানবিকভাবে মা’র’ধ’র করে। নি’র্যা’ত’নের সময় তার পেটে একাধিকবার লাথি মা’রা হয়। গু’রু’ত’র আ’হ’ত অবস্থায় তাকে প্রথমে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে ঢাকায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়।
বর্তমানে তার খাদ্যনালি ছিঁড়ে যাওয়ায় তিনি আ’শঙ্কা’জন’ক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় কালবির স্ত্রী বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মুন্সি শাহিন আহমেদ জুয়েল, সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম, আমিন হাসান ও সামিউল আজিম (সনি আজিম)-এর নাম উল্লেখসহ আরও ১০ থেকে ১৫ জন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। কুষ্টিয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, মামলা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই আমরা তদন্ত শুরু করেছি। আসামিরা পলাতক থাকলেও প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ দিকে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিতে জড়িত তিন আসামির সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।















