০৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফকিরহাট থানার এসআই আব্দুল আলিম শেখ এর বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য ও ভুল তথ্য দিয়ে নিজ আইডি কার্ড তৈরি।

Reporter Name
  • Update Time : ১০:১৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ১০৬ Time View

 

মোঃ জুয়েল খাঁন খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি।

বাগেরহাট জেলা ফকিরহাট থানার এসআই আব্দুল আলীম শেখ এর বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম বিভিন্ন মামলার ক্ষেত্রে টাকার বিনিময় মামলার এজাহার তৈরি করা এবং টাকার বিনিময়ে এজাহার থেকে নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ ও রয়েছে  একাধিক বিভিন্ন থানা পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় আব্দুল আলিম শেখ বিগত দিনে যে সকল থানায় চাকরি করে এসেছেন  অধিকাংশ থানার অসাধারণ মানুষ ডাকাত বলে জেনে থাকেন একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে কেন ডাকাত বলা হয় সে বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় আব্দুল আলীম শেখ  টাকার বিনিময়ে সবকিছু করে দেন টাকা না পেলে তিনি কোন কাজই করেন না এই পুলিশ সদস্য এস আই আব্দুল আলীম শেখের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে। যেকোনো মামলার আসামি পক্ষ মোটা অংকের টাকা দিলেন আসামিকে ধরা হয় না আরো রয়েছেন বাদী পক্ষের কাছ থেকেও মোটা অংকের টাকা খেয়ে কাজ না করার অভিযোগ। মোটা অংকের টাকা খেয়ে দেয়া হয় মামলার তদন্ত রিপোর্ট এখানেই শেষ নয়। এছাড়াও রয়েছে বাদীপক্ষ কিংবা আসামিপক্ষের কোন প্রকারের সুন্দরী নারী থাকলে তার সাথে সম্পর্ক তৈরি করে বিভিন্ন কু প্রস্তাব দেওয়া সহ নানা অভিযোগ।

বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত একজন পুলিশ সদস্য ভুল তথ্য দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড নির্মাণ করে দেশ ও ডিপার্টমেন্টের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জালিয়াতি  করে যাচ্ছেন। খুলনা রেঞ্জ অধীনে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট সার্কেল ফকিরহাট মডেল থানার এস আই (নিরস্ত্র) পদমর্যাদায় কর্মরত আব্দুল আলিম শেখ, পিতা শেখ নুরুল ইসলাম, মাতা রশিদা বেগম, স্ত্রী শিরিন সুলতানা, যাহার পুলিশ আইডি নং বিপি ৭৮৯ ৭০১ ৬৬৩৭ পুলিশের এই কর্মকর্তা আব্দুল আলীম শেখ ১১/০৯/১৯৯৭ ইংরেজি তারিখে চাকরিতে যোগদান করেন কনস্টেবল পদে আব্দুল আলিম শেখ কনস্টেবল থেকে ধীরে ধীরে ৯-১-২০১৭ ইংরেজি তারিখে এসআই (নিরস্ত্র) পদমর্যাদা পেয়ে থাকেন বিভিন্ন জেলা থেকে ঘুরে আসা এই এসআই আব্দুল আলিম নিজের ভোটার আইডি কার্ডে ভুল তথ্য দিয়ে জ্বালিয়াতি করে ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করেছেন যার প্রমাণ স্বরূপ তার ব্যবহারকৃত সিম কার্ড থেকেই জানা যায় বর্তমানে আব্দুল আলিম শেখ যে ফোন নম্বরটি ব্যবহার করেন নাম্বারটি নিজ নামে রেজিস্ট্রেশন করা রয়েছে আব্দুল আলীম শেখের এই রেজিস্ট্রেশন কৃত নাম্বার থেকে জানা যায় উনি যে ভোটার আইডি কার্ড ব্যবহার করছেন তা ওনার পরিচয় পত্র হলেও উনি নিজ পরিচয় পত্রে অনেক কিছুই গোপন করেছেন আব্দুল আলীমের ভোটার আইডি কার্ড অনুযায়ী উনার গ্রামের বাড়ি খবর নিয়ে জানা যায় আদৌ ওই এলাকায় অথবা ওই গ্রামে কোনো ব্যক্তি আব্দুল আলিম শেখ নামে কিংবা উনার বাবার নামেও কেউ কোনদিনই বসবাস করতেন না আব্দুল আলীমের ফোন নম্বরের সূত্র ধরে জানতে পারা যায় তাহার জাতীয় পরিচয় পত্র নং ১০১১৪৩২৬০৪ ভোটার নং ৫৭০৪১৫৪০৯৫৬২ ভোটার এরিয়া কোড ৫৭০৪১৫ জন্মস্থান খুলনা যাহার নাম আব্দুল আলিম শেখ পিতা শেখ নুরুল ইসলাম, মাতা রশিদা বেগম, স্ত্রী শিরিন সুলতানা তাহার জন্ম তারিখ ১১/ ১০/ ১৯৭৮ ইংরেজি পেসা সরকারি চাকরি বর্তমান ঠিকানা বাসা সোনাইমুড়ি গ্রাম রাস্তার থানা সোনাইমুড়ি মহল্লা ২৮৫নং সোনাইমুড়ি ইউনিয়ন ওয়ার্ড ৫ নং ডাকঘর সোনাইমুড়ি ৩৯২৭ উপজেলা সোনাইমুড়ি জেলা নোয়াখালী বিভাগ চট্টগ্রাম। তার নিজ ভোটার আইডি কার্ডে প্রাপ্ত স্থায়ী ঠিকানা বাসা মাস্টার বাড়ি মহল্লা বাউখোলা ইউনিয়ন ওয়ার্ড ডাকঘর সাতক্ষীরা উপজেলা ও জেলা খুলনা বিভাগ খুলনা। উক্ত পুলিশ সদস্য এসআই (নিরস্ত্রের) ঠিকানায় বেশ বড় গড়মিল রয়েছে একজন পুলিশ সদস্য হয়েও নিজ  আইডি কার্ডে ভুল ঠিকানা দিয়ে আইডি কার্ড তৈরি করে জাতি ও ডিপার্টমেন্টের সাথে প্রতারণা করে যাচ্ছেন দীর্ঘ সময় ধরে এবং আব্দুল আলিম শেখের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে জানা যায় আব্দুল আলীম বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন থানা পুলিশ লাইনে চাকরিরত অবস্থায় নিজেই অনেক অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন যাহার কারণে বাংলাদেশ পুলিশ রেকর্ড অনুযায়ী  পুলিশের  (লঘুদণ্ড) সহ (গুরুদন্ড) প্রাপ্ত হন। একজন পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও তার নিজ ভোটার আইডি কার্ডে নিজেই বুঝে শুনে ভুল তথ্য এবং ভুল ঠিকানা দিয়ে দেশ ও জাতির সাথে জালিয়াতি করার মত গুরুতর অপরাধ করেছেন। এমনকি আব্দুল আলীমের ভোটার আইডি কার্ডের প্রাপ্ত ছবি অনুযায়ী এবং পুলিশ রেকর্ডের দেওয়া ছবি অনুযায়ী দুইটি ছবির মধ্যে কোন মিল খুঁজেও পাওয়া যায়নি। সোনাইমুড়ি থানা এলাকায় ভোটার আইডি কার্ডের ছবি দেখে সোনাইমুড়ী অঞ্চলের কেউই চিনেন না আব্দুল আলীম শেখকে এবং পরবর্তীতে আব্দুল আলীমের পুলিশ রেকর্ডের ছবি দেখালে সবাই আব্দুল আলিমকে শনাক্ত করতে পারেন এবং অনেকেই বলেন প্রথম ছবিটা আব্দুল আলিম নয়, দ্বিতীয় ছবিটা আব্দুল আলীম সাহেবের, তবে কে এই আব্দুল আলিম কি তার পরিচয় কিংবা কেনই বা তার পরিচয়  পত্রের তথ্য গোপন করে ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, এটা কি কোন অপরাধই নয় নাকি অপরাধ করেও সে আইনের লোক হিসেবে ধরা ছুয়ার বাইরে থেকে যাবেন। যে সকল পুলিশ সদস্য নিজ ভোটার আইডি কার্ডে নিজেদের জন্মস্থান গোপন করে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেছেন নিজ তথ্য গোপন করে ভোটার আইডি কার্ড বানিয়েছেন আদেও কি তারা কোন অপরাধের সাথে সংযুক্ত রয়েছেন কিনা এ ব্যাপারে যথেষ্ট পরিমাণের সন্দেহ রয়েছে। আব্দুল আলীম এর মত হাজার হাজার পুলিশ সদস্যের ভোটার আইডি কার্ড অনুযায়ী তাদের জন্মস্থান ঠিক নেই কিছুদিন আগে এমনই কিছু তথ্য উঠে আসে বিভিন্ন পত্রিকা এবং স্যাটেলাইট টেলিভিশনের মাধ্যমে। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সুনাম নষ্ট করার জন্য এক ধরনের তথাকথিত কিছু রাজনৈতিক লোক এ ধরনের কার্যকলাপের সাথে জড়িত রয়েছেন বলেও জানতে পারা যায় বিশেষ করে ২০২০/ ২০২১-/২০২২/ ২০২৩ সালে যে সকল পুলিশ নিয়োগ হয়েছে এ সকল নিয়োগের ক্ষেত্রে নিজ জেলা গোপন করে অন্য জেলার লোক হিসেবে চাকরিতে হাজার হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগ পেয়েছেন এটা কি দুর্নীতি নয় ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ফকিরহাট থানার এসআই আব্দুল আলিম শেখ এর বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য ও ভুল তথ্য দিয়ে নিজ আইডি কার্ড তৈরি।

Update Time : ১০:১৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

মোঃ জুয়েল খাঁন খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি।

বাগেরহাট জেলা ফকিরহাট থানার এসআই আব্দুল আলীম শেখ এর বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম বিভিন্ন মামলার ক্ষেত্রে টাকার বিনিময় মামলার এজাহার তৈরি করা এবং টাকার বিনিময়ে এজাহার থেকে নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ ও রয়েছে  একাধিক বিভিন্ন থানা পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় আব্দুল আলিম শেখ বিগত দিনে যে সকল থানায় চাকরি করে এসেছেন  অধিকাংশ থানার অসাধারণ মানুষ ডাকাত বলে জেনে থাকেন একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে কেন ডাকাত বলা হয় সে বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় আব্দুল আলীম শেখ  টাকার বিনিময়ে সবকিছু করে দেন টাকা না পেলে তিনি কোন কাজই করেন না এই পুলিশ সদস্য এস আই আব্দুল আলীম শেখের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে। যেকোনো মামলার আসামি পক্ষ মোটা অংকের টাকা দিলেন আসামিকে ধরা হয় না আরো রয়েছেন বাদী পক্ষের কাছ থেকেও মোটা অংকের টাকা খেয়ে কাজ না করার অভিযোগ। মোটা অংকের টাকা খেয়ে দেয়া হয় মামলার তদন্ত রিপোর্ট এখানেই শেষ নয়। এছাড়াও রয়েছে বাদীপক্ষ কিংবা আসামিপক্ষের কোন প্রকারের সুন্দরী নারী থাকলে তার সাথে সম্পর্ক তৈরি করে বিভিন্ন কু প্রস্তাব দেওয়া সহ নানা অভিযোগ।

বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত একজন পুলিশ সদস্য ভুল তথ্য দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড নির্মাণ করে দেশ ও ডিপার্টমেন্টের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জালিয়াতি  করে যাচ্ছেন। খুলনা রেঞ্জ অধীনে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট সার্কেল ফকিরহাট মডেল থানার এস আই (নিরস্ত্র) পদমর্যাদায় কর্মরত আব্দুল আলিম শেখ, পিতা শেখ নুরুল ইসলাম, মাতা রশিদা বেগম, স্ত্রী শিরিন সুলতানা, যাহার পুলিশ আইডি নং বিপি ৭৮৯ ৭০১ ৬৬৩৭ পুলিশের এই কর্মকর্তা আব্দুল আলীম শেখ ১১/০৯/১৯৯৭ ইংরেজি তারিখে চাকরিতে যোগদান করেন কনস্টেবল পদে আব্দুল আলিম শেখ কনস্টেবল থেকে ধীরে ধীরে ৯-১-২০১৭ ইংরেজি তারিখে এসআই (নিরস্ত্র) পদমর্যাদা পেয়ে থাকেন বিভিন্ন জেলা থেকে ঘুরে আসা এই এসআই আব্দুল আলিম নিজের ভোটার আইডি কার্ডে ভুল তথ্য দিয়ে জ্বালিয়াতি করে ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করেছেন যার প্রমাণ স্বরূপ তার ব্যবহারকৃত সিম কার্ড থেকেই জানা যায় বর্তমানে আব্দুল আলিম শেখ যে ফোন নম্বরটি ব্যবহার করেন নাম্বারটি নিজ নামে রেজিস্ট্রেশন করা রয়েছে আব্দুল আলীম শেখের এই রেজিস্ট্রেশন কৃত নাম্বার থেকে জানা যায় উনি যে ভোটার আইডি কার্ড ব্যবহার করছেন তা ওনার পরিচয় পত্র হলেও উনি নিজ পরিচয় পত্রে অনেক কিছুই গোপন করেছেন আব্দুল আলীমের ভোটার আইডি কার্ড অনুযায়ী উনার গ্রামের বাড়ি খবর নিয়ে জানা যায় আদৌ ওই এলাকায় অথবা ওই গ্রামে কোনো ব্যক্তি আব্দুল আলিম শেখ নামে কিংবা উনার বাবার নামেও কেউ কোনদিনই বসবাস করতেন না আব্দুল আলীমের ফোন নম্বরের সূত্র ধরে জানতে পারা যায় তাহার জাতীয় পরিচয় পত্র নং ১০১১৪৩২৬০৪ ভোটার নং ৫৭০৪১৫৪০৯৫৬২ ভোটার এরিয়া কোড ৫৭০৪১৫ জন্মস্থান খুলনা যাহার নাম আব্দুল আলিম শেখ পিতা শেখ নুরুল ইসলাম, মাতা রশিদা বেগম, স্ত্রী শিরিন সুলতানা তাহার জন্ম তারিখ ১১/ ১০/ ১৯৭৮ ইংরেজি পেসা সরকারি চাকরি বর্তমান ঠিকানা বাসা সোনাইমুড়ি গ্রাম রাস্তার থানা সোনাইমুড়ি মহল্লা ২৮৫নং সোনাইমুড়ি ইউনিয়ন ওয়ার্ড ৫ নং ডাকঘর সোনাইমুড়ি ৩৯২৭ উপজেলা সোনাইমুড়ি জেলা নোয়াখালী বিভাগ চট্টগ্রাম। তার নিজ ভোটার আইডি কার্ডে প্রাপ্ত স্থায়ী ঠিকানা বাসা মাস্টার বাড়ি মহল্লা বাউখোলা ইউনিয়ন ওয়ার্ড ডাকঘর সাতক্ষীরা উপজেলা ও জেলা খুলনা বিভাগ খুলনা। উক্ত পুলিশ সদস্য এসআই (নিরস্ত্রের) ঠিকানায় বেশ বড় গড়মিল রয়েছে একজন পুলিশ সদস্য হয়েও নিজ  আইডি কার্ডে ভুল ঠিকানা দিয়ে আইডি কার্ড তৈরি করে জাতি ও ডিপার্টমেন্টের সাথে প্রতারণা করে যাচ্ছেন দীর্ঘ সময় ধরে এবং আব্দুল আলিম শেখের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে জানা যায় আব্দুল আলীম বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন থানা পুলিশ লাইনে চাকরিরত অবস্থায় নিজেই অনেক অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন যাহার কারণে বাংলাদেশ পুলিশ রেকর্ড অনুযায়ী  পুলিশের  (লঘুদণ্ড) সহ (গুরুদন্ড) প্রাপ্ত হন। একজন পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও তার নিজ ভোটার আইডি কার্ডে নিজেই বুঝে শুনে ভুল তথ্য এবং ভুল ঠিকানা দিয়ে দেশ ও জাতির সাথে জালিয়াতি করার মত গুরুতর অপরাধ করেছেন। এমনকি আব্দুল আলীমের ভোটার আইডি কার্ডের প্রাপ্ত ছবি অনুযায়ী এবং পুলিশ রেকর্ডের দেওয়া ছবি অনুযায়ী দুইটি ছবির মধ্যে কোন মিল খুঁজেও পাওয়া যায়নি। সোনাইমুড়ি থানা এলাকায় ভোটার আইডি কার্ডের ছবি দেখে সোনাইমুড়ী অঞ্চলের কেউই চিনেন না আব্দুল আলীম শেখকে এবং পরবর্তীতে আব্দুল আলীমের পুলিশ রেকর্ডের ছবি দেখালে সবাই আব্দুল আলিমকে শনাক্ত করতে পারেন এবং অনেকেই বলেন প্রথম ছবিটা আব্দুল আলিম নয়, দ্বিতীয় ছবিটা আব্দুল আলীম সাহেবের, তবে কে এই আব্দুল আলিম কি তার পরিচয় কিংবা কেনই বা তার পরিচয়  পত্রের তথ্য গোপন করে ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, এটা কি কোন অপরাধই নয় নাকি অপরাধ করেও সে আইনের লোক হিসেবে ধরা ছুয়ার বাইরে থেকে যাবেন। যে সকল পুলিশ সদস্য নিজ ভোটার আইডি কার্ডে নিজেদের জন্মস্থান গোপন করে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেছেন নিজ তথ্য গোপন করে ভোটার আইডি কার্ড বানিয়েছেন আদেও কি তারা কোন অপরাধের সাথে সংযুক্ত রয়েছেন কিনা এ ব্যাপারে যথেষ্ট পরিমাণের সন্দেহ রয়েছে। আব্দুল আলীম এর মত হাজার হাজার পুলিশ সদস্যের ভোটার আইডি কার্ড অনুযায়ী তাদের জন্মস্থান ঠিক নেই কিছুদিন আগে এমনই কিছু তথ্য উঠে আসে বিভিন্ন পত্রিকা এবং স্যাটেলাইট টেলিভিশনের মাধ্যমে। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সুনাম নষ্ট করার জন্য এক ধরনের তথাকথিত কিছু রাজনৈতিক লোক এ ধরনের কার্যকলাপের সাথে জড়িত রয়েছেন বলেও জানতে পারা যায় বিশেষ করে ২০২০/ ২০২১-/২০২২/ ২০২৩ সালে যে সকল পুলিশ নিয়োগ হয়েছে এ সকল নিয়োগের ক্ষেত্রে নিজ জেলা গোপন করে অন্য জেলার লোক হিসেবে চাকরিতে হাজার হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগ পেয়েছেন এটা কি দুর্নীতি নয় ।