০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় বিজিবির ১০ কোটি টাকার অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলার আসামি সহ আটক ৫

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৪০ Time View

 

জিলহজ খান স্টাফ রিপোর্টার:

 

কুষ্টিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ১০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার অস্ত্র, মাদক এবং অন্যান্য চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে একজন হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ মোট ০৫ জনকে আটক করেছে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ মাহবুব মুর্শেদ রহমানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে এই বিপুল পরিমাণ চোরাচালানের চালান আটক করা হয়।

বিজিবি জানায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (১৬ আগস্ট) ভোরে দৌলতপুর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে (১) মোঃ সিনবাদ আলী (২৭) এবং (২) মোঃ মিন্টু হোসেন (২৯) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ০২টি বিদেশি পিস্তল, ০২টি ম্যাগাজিন, ০২ রাউন্ড গুলি, ৯০ বোতল ফেন্সিডিল এবং ২০ বোতল এসএসডি জব্দ করা হয়।

উদ্ধারকৃত এই চালানের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা। বিজিবি আরও জানায়, আটক সিনবাদ আলী সম্প্রতি সংঘটিত একটি হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং এলাকার একজন কুখ্যাত মাদক চোরাকারবারি।

এর আগে, শুক্রবার (১৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে ও দিনের বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত পৃথক অভিযানে আরও তিনজনকে আটক করা হয়। চিলমারী সীমান্ত এলাকা থেকে ৫৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ (১) মোঃ স্বপন মন্ডল (২৩), (২) মোঃ শরিফুল ইসলাম (৩৫) ও (৩) মোঃ রাসেল (২০) কে আটক করা হয়।

এছাড়া অন্যান্য অভিযানে মিরপুর উপজেলার গোবিন্দপুর হাইওয়ে থেকে ৫,৩৬০ প্যাকেট অবৈধ নকল বিড়ি ও ৪০০ কেজি কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। একই দিনে উদয়নগর ও শেওড়াতলা সীমান্ত এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় হেরোইন, কারেন্ট জাল এবং সিলডেনাফিল ট্যাবলেট জব্দ করে বিজিবি।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) জানিয়েছে, আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দায়ের করে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। জব্দকৃত অন্যান্য চোরাচালানী মালামাল নিয়ম অনুযায়ী ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়ন মাদক স্টোরে জমা করা হয়েছে।

সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা এবং সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এই কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কুষ্টিয়ায় বিজিবির ১০ কোটি টাকার অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলার আসামি সহ আটক ৫

Update Time : ০৯:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

 

জিলহজ খান স্টাফ রিপোর্টার:

 

কুষ্টিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ১০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার অস্ত্র, মাদক এবং অন্যান্য চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে একজন হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ মোট ০৫ জনকে আটক করেছে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ মাহবুব মুর্শেদ রহমানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে এই বিপুল পরিমাণ চোরাচালানের চালান আটক করা হয়।

বিজিবি জানায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (১৬ আগস্ট) ভোরে দৌলতপুর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে (১) মোঃ সিনবাদ আলী (২৭) এবং (২) মোঃ মিন্টু হোসেন (২৯) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ০২টি বিদেশি পিস্তল, ০২টি ম্যাগাজিন, ০২ রাউন্ড গুলি, ৯০ বোতল ফেন্সিডিল এবং ২০ বোতল এসএসডি জব্দ করা হয়।

উদ্ধারকৃত এই চালানের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা। বিজিবি আরও জানায়, আটক সিনবাদ আলী সম্প্রতি সংঘটিত একটি হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং এলাকার একজন কুখ্যাত মাদক চোরাকারবারি।

এর আগে, শুক্রবার (১৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে ও দিনের বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত পৃথক অভিযানে আরও তিনজনকে আটক করা হয়। চিলমারী সীমান্ত এলাকা থেকে ৫৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ (১) মোঃ স্বপন মন্ডল (২৩), (২) মোঃ শরিফুল ইসলাম (৩৫) ও (৩) মোঃ রাসেল (২০) কে আটক করা হয়।

এছাড়া অন্যান্য অভিযানে মিরপুর উপজেলার গোবিন্দপুর হাইওয়ে থেকে ৫,৩৬০ প্যাকেট অবৈধ নকল বিড়ি ও ৪০০ কেজি কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। একই দিনে উদয়নগর ও শেওড়াতলা সীমান্ত এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় হেরোইন, কারেন্ট জাল এবং সিলডেনাফিল ট্যাবলেট জব্দ করে বিজিবি।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) জানিয়েছে, আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দায়ের করে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। জব্দকৃত অন্যান্য চোরাচালানী মালামাল নিয়ম অনুযায়ী ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়ন মাদক স্টোরে জমা করা হয়েছে।

সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা এবং সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এই কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।