০১:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গংগাচড়ায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কারিগরি সহায়তা ও সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচির ফলে আমন আবাদ বেড়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৬০ Time View

 

গংগাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি:

রংপুরের গংগাচড়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৯,৩৫০ হেক্টর জমিতে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কারিগরি সহায়তা ও সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচির ফলে মোট ১৯,৩৫৫ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে।

প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ২ হাজার ৭০০ শত জন কৃষককে পাঁচ কেজি করে উচ্চফলনশীল ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে। ফলে মোট ৩৬১ হেক্টর জমি প্রণোদনার আওতায় এসেছে।

কৃষি অফিসের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তার নিয়মিত তদারকি ও মাঠ পর্যায়ে সার্বিক সহায়তার কারণে কৃষকরা এবার ভালো ফলনের আশা করছেন।

নবনীদাস ব্লকের কৃষক আলম মিয়া ও নরেশ চন্দ্র সরকার বলেন, এ বছর আমরা কৃষি অফিস থেকে সময়মতো বীজ ও সার পেয়েছি। বীজের মান ভালো হওয়ায় ফলনও ভালো হবে বলে আশা করছি।

গংগাচড়া উপজেলা কৃষি অফিসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন:
শুধু আমন ধানেই নয়, উপজেলায় আমরা কৃষি বৈচিত্র্যকরণ কর্মসূচিও চালাচ্ছি জোরদারভাবে। ২৭টি ব্লকে ‘সজিনা গ্রাম সৃজন’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া ৫৪০টি পরিবার বস্তায় মরিচ চাষে যুক্ত হয়েছে, ১৩৫টি পরিবার মানসম্মত কেঁচো সার উৎপাদন করছে এবং আধুনিক ‘খামারি এপ্স’ ব্যবহারের মাধ্যমে সুষম সার প্রয়োগ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।এছাড়া গংগাচড়ার ১৮টি আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত পরিবারগুলোর পুষ্টি চাহিদা পূরণে সবজি বীজ সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি আমরা।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন রবি মৌসুমে তামাক চাষ নিরুৎসাহিত করতে বিকল্প লাভজনক ফসলের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্রস্তাবনা কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

গংগাচড়ায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কারিগরি সহায়তা ও সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচির ফলে আমন আবাদ বেড়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি

Update Time : ০৯:৩৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

গংগাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি:

রংপুরের গংগাচড়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৯,৩৫০ হেক্টর জমিতে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কারিগরি সহায়তা ও সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচির ফলে মোট ১৯,৩৫৫ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে।

প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ২ হাজার ৭০০ শত জন কৃষককে পাঁচ কেজি করে উচ্চফলনশীল ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে। ফলে মোট ৩৬১ হেক্টর জমি প্রণোদনার আওতায় এসেছে।

কৃষি অফিসের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তার নিয়মিত তদারকি ও মাঠ পর্যায়ে সার্বিক সহায়তার কারণে কৃষকরা এবার ভালো ফলনের আশা করছেন।

নবনীদাস ব্লকের কৃষক আলম মিয়া ও নরেশ চন্দ্র সরকার বলেন, এ বছর আমরা কৃষি অফিস থেকে সময়মতো বীজ ও সার পেয়েছি। বীজের মান ভালো হওয়ায় ফলনও ভালো হবে বলে আশা করছি।

গংগাচড়া উপজেলা কৃষি অফিসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন:
শুধু আমন ধানেই নয়, উপজেলায় আমরা কৃষি বৈচিত্র্যকরণ কর্মসূচিও চালাচ্ছি জোরদারভাবে। ২৭টি ব্লকে ‘সজিনা গ্রাম সৃজন’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া ৫৪০টি পরিবার বস্তায় মরিচ চাষে যুক্ত হয়েছে, ১৩৫টি পরিবার মানসম্মত কেঁচো সার উৎপাদন করছে এবং আধুনিক ‘খামারি এপ্স’ ব্যবহারের মাধ্যমে সুষম সার প্রয়োগ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।এছাড়া গংগাচড়ার ১৮টি আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত পরিবারগুলোর পুষ্টি চাহিদা পূরণে সবজি বীজ সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি আমরা।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন রবি মৌসুমে তামাক চাষ নিরুৎসাহিত করতে বিকল্প লাভজনক ফসলের জন্য বিশেষ প্রণোদনা প্রস্তাবনা কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।