১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটের চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার আসামি ঢাকা উওরা থেকে গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৪৩ Time View

 

মো: আব্দুর রাজ্জাক বিশেষ প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকা এজাহার ভুক্ত ৩ নং আসামি মহিনকে ঢাকা উত্তরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ।

জানা যায় গত ৩০ নভেম্বর অনুমানিক রাত ৮ টায় ক্ষেতলাল পৌরসভার ভাসিলা গ্রামে তিনজনের চুক্তি করে এক তরুণী সাতজন মিলে গণধর্ষণ করছে।

অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়,ক্ষেতলাল উপজেলার মনঝার এলাকার গুচ্ছগ্রামের আবদুল মাজেদের স্ত্রী সোনিয়া বেগম(৩৫)কে শারীরিক সম্পর্কের উদ্দেশ্যে ভাসিলা গ্রামের লালচানের ছেলে ১নং এজাহার ভুক্ত আসামি সুৃমন(৩০) তিনজন সহযোগীকে ডেকে নেয়।চুক্তি অনুযায়ী কথা ছিলো তিন জনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের।

পরে খাবার আনার কথা বলে সুমন আরও চারজন সহযোগীকে নিয়ে আসে।এসময় সোনিয়া ও তার স্বামীর হাত মুখ বেঁধে জোরপূর্বক সাতজন মিলে গণধর্ষণ করে।ঘটনার পর সোনিয়া বেগম অসুস্থ হয়ে পড়েন।এবং পরদিন অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে অভিযুক্তরা অস্বীকৃতি জানায়।অবস্থার অবনতি হলে গত ১ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী সোনিয়া বেগম ও তার স্বামী ক্ষেতলাল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন এবং ভুক্তভোগীকে পরিক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য হাসপাতালে পাঠান।পরে সাতজনকে আসামি করে এজাহার গ্রহণ করে থানা পুলিশ।তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ভাসিলা গ্রামের বেলালের ছেলে ২নং এজাহার ভুক্ত আসামি জাফরুল(২৮) কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এবং গত ১২ জানুয়ারী ১নং এজাহার ভুক্ত আসামি সুৃমনকে গ্রেফতার করে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ।

ক্ষেতলাল থানা তদন্ত ওসি এস এম কামাল জানান,দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকা ৩নং এজাহার ভুক্ত আসামি মহিনকে আমরা অভিযান চালিয়ে ঢাকা উওরা থেকে আমরা গ্রেফতার করেছি।আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মহিনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

জয়পুরহাটের চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার আসামি ঢাকা উওরা থেকে গ্রেফতার

Update Time : ১০:৫৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

 

মো: আব্দুর রাজ্জাক বিশেষ প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকা এজাহার ভুক্ত ৩ নং আসামি মহিনকে ঢাকা উত্তরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ।

জানা যায় গত ৩০ নভেম্বর অনুমানিক রাত ৮ টায় ক্ষেতলাল পৌরসভার ভাসিলা গ্রামে তিনজনের চুক্তি করে এক তরুণী সাতজন মিলে গণধর্ষণ করছে।

অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়,ক্ষেতলাল উপজেলার মনঝার এলাকার গুচ্ছগ্রামের আবদুল মাজেদের স্ত্রী সোনিয়া বেগম(৩৫)কে শারীরিক সম্পর্কের উদ্দেশ্যে ভাসিলা গ্রামের লালচানের ছেলে ১নং এজাহার ভুক্ত আসামি সুৃমন(৩০) তিনজন সহযোগীকে ডেকে নেয়।চুক্তি অনুযায়ী কথা ছিলো তিন জনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের।

পরে খাবার আনার কথা বলে সুমন আরও চারজন সহযোগীকে নিয়ে আসে।এসময় সোনিয়া ও তার স্বামীর হাত মুখ বেঁধে জোরপূর্বক সাতজন মিলে গণধর্ষণ করে।ঘটনার পর সোনিয়া বেগম অসুস্থ হয়ে পড়েন।এবং পরদিন অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে অভিযুক্তরা অস্বীকৃতি জানায়।অবস্থার অবনতি হলে গত ১ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী সোনিয়া বেগম ও তার স্বামী ক্ষেতলাল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন এবং ভুক্তভোগীকে পরিক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য হাসপাতালে পাঠান।পরে সাতজনকে আসামি করে এজাহার গ্রহণ করে থানা পুলিশ।তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ভাসিলা গ্রামের বেলালের ছেলে ২নং এজাহার ভুক্ত আসামি জাফরুল(২৮) কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এবং গত ১২ জানুয়ারী ১নং এজাহার ভুক্ত আসামি সুৃমনকে গ্রেফতার করে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ।

ক্ষেতলাল থানা তদন্ত ওসি এস এম কামাল জানান,দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকা ৩নং এজাহার ভুক্ত আসামি মহিনকে আমরা অভিযান চালিয়ে ঢাকা উওরা থেকে আমরা গ্রেফতার করেছি।আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মহিনকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।