বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ফটিকছড়িতে র্যালী ও সমাবেশে-
- Update Time : ০১:৩১:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ১২৯ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশের অস্তিরতা ও চলমান সংকট ফিরিয়ে আনার জন্য সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা জানিয়ে ফটিকছড়ি বিএপির আহবায়ক কর্নেল (অবঃ) আজিম উল্লাহ বাহার বলেছেন, এখন আমাদের প্রথম কাজ হবে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা। গণতন্ত্র ফিরে আনতে হলে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার গঠন করতে হবে। জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মালিকানার ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশ হবে জনপ্রতিনিধিত্বমূলক। জনপ্রতিনিধিত্বমূলক সংসদের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের চাওয়া পাওয়ার কথাগুলো বলতে পারবে।
কর্লেল বাহার বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গণতন্ত্র ফেরার পথে যদি কেউ বাধা দিতে চায়, নির্বাচনকে বাধা দেওয়া মানে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করা, বাংলাদেশের মানুষের মালিকানা বন্ধ করা এবং আগামীতে মানুষের রাজনৈতিক সংবিধানিক অধিকারে প্রতিবন্ধক সৃষ্টি করা। সুতরাং ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরো বলেন, দক্ষিণ এশিয়াতে বিএনপি সবচেয়ে বৃহৎ রাজনৈতিক দল। এটার কারণ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, উন্নয়নের উদ্যোগ, চাষি, কৃষক শ্রমিক পেশাজীবি সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ। শহীদ জিয়া বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের চিন্তা চেতনায়, ভাবনায়, উদ্যোগে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় দিয়েছিলেন। তা পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিস্টমুক্ত এবং স্বৈরাচারমুক্ত দেশে আবার সেই নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাচ্ছে আমাদের নেতা তারেক রহমান।
তিনি বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে ফটিকছড়িস্থ দলীয় কার্যলয়ের সামনে বিএনপির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির র্যালী পূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সমাবেশ শেষে বিএনপির আহবায়ক কর্নেল (অবঃ) আজিম উল্লাহ বাহার’র নেতৃত্বে পার্টি অফিসের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বিবিরহাট রোড় ১নং রোড়,বাসস্টেশন, বিবিরহাট বাজার, তিনি পুলের মাথা হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলা গিয়ে শেষ হয়।
ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কর্নেল (অবঃ) আজিম উল্লাহ বাহার’র সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব জহির আজম চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন এজাহার মিয়া,শওকত উল্লা চৌধুরী, ইদ্রিস মিয়া ইলিয়াছ,নুরুল ইসলাম তালুকদার, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুজ্জামান বিল্লাহ, একরামুল হক বাবুল,মো নুর উদ্দিন খান, রায়হানুল আনোয়ার রাহী, মো ওসমান চৌধুরী, মো হাসান,মো বোরহান মেম্বার, মো হান্নান চৌধুরী,সেবুল মেম্বার, ইয়াকুব শহীদ,কাজী আরশাদ উদ্দিন রোমান, মো তৌহিদ, কাশেম মেম্বার(আব্দুল্লাহপুর), নাজিম উদ্দিন,জাহেদ মেম্বার,মো সরোয়ার মেম্বার, মো সরোয়ার(সমিতির হাট),মো আশরাফ,খায়েজ আহমেদ,মো সুজা উদ্দিন,মো নজরুল ইসলাম,মো: মইন উদ্দিন,মো আফসার উদ্দিন, মাওলানা নুরুল ইসলাম, মো কামাল উদ্দিন,মো বাবর, নাসির সিকদার,মো সরোয়ার (নানুপুর) সিজারুল ইসলাম, মোরশেদ হাজারী, মইনুল্লাহ উজ্জ্বল, নুরুল আমিন,ওমর ফারুক ডিউক,তাসলিমা আক্তার মনি,এডভোকেট ইউসুফ আলম মাসুদ,মো নুরু মেম্বার, মাহমুদুল হাসান দিলু, মো নাসির উদ্দিন,মো জসিম উদ্দিন, মো বাবর উদ্দিন,মো জামাল উদ্দিন,মো কাশেম মেম্বার(বাগানবাজার), মো জসিম মেম্বার,সফিউল আজম,মো কামাল,মো জসিম উদ্দিন,শেখ মো মাহফুজ, ইঞ্জিনিয়ার বেলাল উদ্দিন মুন্না, এইচ.এম.সাইফুদ্দিন,মোঃ একরাম, আসিফ চৌধুরী,
মো রাব্বি কাউয়ুম,মো এনাম,মো রাশেদ,লিয়াকত আলী,আজিজুল হক মামুন,তাজ উদ্দীন জুয়েল
প্রমূখ।
















