বৃক্ষরোপণকে টেকসই সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে:-প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
- Update Time : ১০:২২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৭ Time View

বৃক্ষরোপণকে একটি টেকসই সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে গঠিত জাতীয় বৃক্ষরোপণ সেলের সহায়ক টাস্কফোর্সের তৃতীয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গাছের চারা রোপণের পাশাপাশি তার পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। শুধু সংখ্যা না বাড়িয়ে প্রতিটি চারার রক্ষণাবেক্ষণ ও টিকে থাকার হার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি। তিনি জানান, স্থানীয় আবহাওয়া ও মাটির উপযোগী দেশীয় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছকে অগ্রাধিকার দিয়ে নদী, খাল, বেড়িবাঁধ ও সড়ক-রেলপথের পাশে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত চারা দ্রুত প্রতিস্থাপন এবং পরবর্তী চার বছরের পরিচর্যা পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।
সভায় জানানো হয়, ২০২৬ সালে মোট ৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩০টি চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নিজস্ব উৎপাদিত প্রায় ৩ কোটি ৮২ লাখ এবং নিজস্ব অর্থায়নে সংগৃহীত প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ চারা রোপণ ও পরিচর্যা করা হবে। এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন এনজিও এরই মধ্যে ২৫ লাখ চারা রোপণ করেছে, যা স্থানিক তথ্য পাওয়ার পর মূল ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত হবে। আগামী ডিসেম্বরে উপকূলীয় এলাকায় ম্যানগ্রোভ প্রজাতির চারা রোপণের মাধ্যমে এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) শামিমা বেগমসহ কৃষি, শিক্ষা, গৃহায়ন, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, পানিসম্পদ ও রেলপথ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম, টেকনিক্যাল এক্সপার্ট মো: জামাইল বশীর জেবি ও প্রকৌশলী শাহ আদনান মাহমুদসহ বিশেষজ্ঞরা সভায় অংশ নেন।





















