০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মা ইলিশ রক্ষায় সুন্দরবন উপকূলে কঠোর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৩ Time View

 

মো: রাজু আহমেদ (স্টাফ রিপোর্টার)

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও জাতীয় ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সুন্দরবনের নদী ও খালগুলোতে শুরু হয়েছে ২২ দিনব্যাপী বিশেষ সংরক্ষণ অভিযান। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সুন্দরবন উপকূলীয় নদ-নদীতে সব ধরনের ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ এবং ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

​সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সমুদ্র, নদী ও সুন্দরবনের অভ্যন্তরীণ জলসীমায় সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

​মোংলা উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরে অবৈধভাবে ইলিশ শিকার বন্ধের পাশাপাশি বিদেশী ফিশিং ট্রলারের অনুপ্রবেশ রোধে কাজ করছে যৌথ বাহিনী। স্থানীয় প্রশাসন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ মৎস্য বিভাগের সাথে সমন্বয় করে নিয়মিত তদারকি চালাচ্ছে। অভিযান চলাকালে নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী অসাধু জেলে ও মাছ ধরার নৌযানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

​এদিকে অভিযান সফল করতে ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে তৎপরতা শুরু করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। মোংলা কোস্টগার্ডের উদ্যোগে সুন্দরবনের নদ-নদী সংলগ্ন এলাকা ও জেলেপল্লীগুলোতে নিয়মিত স্পিডবোট টহল দেওয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

​মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কোস্টগার্ড প্রতিনিধিরা জানান, মা ইলিশ রক্ষায় উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও জেলে সম্প্রদায়কে নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে উপকূলের জলসীমায় আইন অমান্য করে কেউ নদীতে নামলে তার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

মা ইলিশ রক্ষায় সুন্দরবন উপকূলে কঠোর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

Update Time : ১১:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

 

মো: রাজু আহমেদ (স্টাফ রিপোর্টার)

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও জাতীয় ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সুন্দরবনের নদী ও খালগুলোতে শুরু হয়েছে ২২ দিনব্যাপী বিশেষ সংরক্ষণ অভিযান। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সুন্দরবন উপকূলীয় নদ-নদীতে সব ধরনের ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ এবং ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

​সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সমুদ্র, নদী ও সুন্দরবনের অভ্যন্তরীণ জলসীমায় সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

​মোংলা উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরে অবৈধভাবে ইলিশ শিকার বন্ধের পাশাপাশি বিদেশী ফিশিং ট্রলারের অনুপ্রবেশ রোধে কাজ করছে যৌথ বাহিনী। স্থানীয় প্রশাসন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ মৎস্য বিভাগের সাথে সমন্বয় করে নিয়মিত তদারকি চালাচ্ছে। অভিযান চলাকালে নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী অসাধু জেলে ও মাছ ধরার নৌযানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

​এদিকে অভিযান সফল করতে ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে তৎপরতা শুরু করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। মোংলা কোস্টগার্ডের উদ্যোগে সুন্দরবনের নদ-নদী সংলগ্ন এলাকা ও জেলেপল্লীগুলোতে নিয়মিত স্পিডবোট টহল দেওয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

​মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কোস্টগার্ড প্রতিনিধিরা জানান, মা ইলিশ রক্ষায় উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও জেলে সম্প্রদায়কে নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে উপকূলের জলসীমায় আইন অমান্য করে কেউ নদীতে নামলে তার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে।