০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভয়নগরের সাংবাদিক মোশারফের  বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে মিথ্যা মানহানি মামলা দায়ের।

Reporter Name
  • Update Time : ০১:২১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • / ১ Time View

 

অভয়নগর,যশোর থেকে :

যশোরের অভয়নগরে সাংবাদিক মোঃ মোশারফ হোসেনে এর বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল আমলী অভয়নগর আদালত যশোরে ভিত্তিহীন,মিথ্যা মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে । মামলা দায়ের করেছেন উপজেলার আলীপুর গ্রামের মৃত ঈমান আলী’র পুত্র এবং নওয়াপাড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি পিয়ার আলী ।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদী নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ হিসাবে পরিচিয় দিয়েছেন ।
সাংবাদিক মোশারফের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ সে “স্বাধীন কন্ঠ” নামে অনলাইন ফেসবুক পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেন।একই অনলাইনে পিয়ার আলীর বিরুদ্ধে ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করায় তার মান ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। কিছু দিন পূর্বে ” সাংবাদিক কামাল” নামীয় অনলাইন ফেসবুক পত্রিকার একজন সাংবাদিক মোঃ কামাল হোসেন বাদীর বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করেন বলেও দাবি করেন পিয়ার আলী। উক্ত বিষয় নিয়ে বাদী সাংবাদিক কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে অভয়নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় বিষয়টির মীমাংশা হয়। অভিযোগে আরো বলা হয়, পূর্বে প্রকাশিত খবরটিকে ভিত্তি করে অভিযুক্ত মোশারফ বাদীর ছবি ব্যবহার করে অভয়নগরে সরকারী স্লাব লুটের অভিযোগে বিএনপি নেতাকে জড়িয়ে “স্বাধীন কন্ঠ” অনলাইন ফেসবুক পত্রিকায় গত ২৭ জুলাই তারিখে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করেন। যা সম্পূর্ণ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, “স্বাধীন কন্ঠ” কোন ফেসবুক পত্রিকা নয়, এটি একটি অনলাইন পত্রিকা। অভিযুক্ত মোশারফ হোসেন এই অনলাইন পত্রিকায় সাংবাদিকতার সাথে জড়িত না।
প্যালাসাইডিং স্লাব চুরির ঘটনা নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে সে বিষয়ে অভয়নগর উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা বরাবর লুট হওয়া স্লাব উদ্ধারে এলাকাবাসী একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রেক্ষিতে বিষটি নিয়ে অনুসন্ধান করে সাংবাদিক কামাল হোসেন চুরির স্থানের ছবি এবং যে শ্রমিকরা সরকারী স্লাব উঠিয়ে ছিলেন তাদের বক্তব্য,পরিবহন করার সময় যারা দেখেছিলেন সে সকল স্থানীয়দের বক্তব্যে বিএনপি নেতা পিয়ার আলীর নাম উঠে আসে। এমনকি মহাকালের কুন্ডু পাড়ায় ড্রেনের উপর বেশকিছু স্লাব বসানো পর সেখানকার স্থানীয়দের কাছে জানতে চাইলে তারাও বলেন এগুলি পিয়ার আলী বসিয়ে গেছেন। এসকল তথ্য উপাত্ত,বক্তব্য ও লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়েই উক্ত সংবাদটি সাংবাদিক কামাল নামীয় অনলাইন ফেসবুক পত্রিকায় সাং-কামাল সংবাদ প্রকাশ করেন। অথচ বাদী এলাকায় প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তার করার জন্যই সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে সাংবাদিক মোশারফ হোসেনের নামে মিথ্যা অভিযোগ এনে আদালতে মামলাটি করেন।
স্লাব লুটের বিষয় সাংবাদিক কামাল হোসেন বলেন, মানহানি মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, পিয়ার আলীর বিরুদ্ধে স্লাব লুটের যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে সেঈ সংবাদটি সত্য, সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ। তবে রাজনৈতিক চাপে পড়ে তার সাথে সমঝোতা করেছি। কিন্তু পরবর্তিতে তার বিরুদ্ধে আর কোন সংবাদ প্রকাশ করবো না এই মর্মে আমার ফেসবুক আইডিতে পোষ্ট করেছি এটাও তার বানানো মিথ্যা,বানোয়াট ও মনগড়া কথা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিক মোশারফ হোসেন বলেন, আমার নামে “স্বাধীন কন্ঠ” অনলাইন ফেসবুক আইডির সাংবাদিক পরিচয় জড়িয়ে, সত্য মিথ্যা যাচাই না করে যশোর জেলা বিজ্ঞ আমলী অভয়নগর আদালতে যে মানহানি মামলাটি দায়ের করা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে মনগড়া,ভিত্তিহীন,মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। শুধুমাত্র এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার,সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও আমার পরিবারের সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্যই পরিকল্পিতভাবে মামলাটি করা হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তিনি আরো বলেন, সরকারী স্লাব লুটের ঘটনাটিকে ধামাচাঁপা দিতে এবং বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করছে এই বিএনপি নেতা পিয়ার আলী। তাই জনস্বার্থে সরকারি স্লাব উদ্ধার সহ পিয়ার আলীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাই।

মামলার ১ নম্বর সাক্ষী আমিনুর রহমান বলেন, সাংবাদিক মোশারফ হোসেন স্বাধীন কন্ঠ পত্রিকার সাংবাদিক কিনা তা সঠিক জানিনা। মামলার ২ নম্বর সাক্ষী লিয়াকত হোসেন পিন্টু বলেন, এ মামলায় আমাকে যে সাক্ষী করা হয়েছে তাই তো আমি জানিনা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

অভয়নগরের সাংবাদিক মোশারফের  বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে মিথ্যা মানহানি মামলা দায়ের।

Update Time : ০১:২১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

 

অভয়নগর,যশোর থেকে :

যশোরের অভয়নগরে সাংবাদিক মোঃ মোশারফ হোসেনে এর বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল আমলী অভয়নগর আদালত যশোরে ভিত্তিহীন,মিথ্যা মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে । মামলা দায়ের করেছেন উপজেলার আলীপুর গ্রামের মৃত ঈমান আলী’র পুত্র এবং নওয়াপাড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি পিয়ার আলী ।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদী নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ হিসাবে পরিচিয় দিয়েছেন ।
সাংবাদিক মোশারফের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ সে “স্বাধীন কন্ঠ” নামে অনলাইন ফেসবুক পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেন।একই অনলাইনে পিয়ার আলীর বিরুদ্ধে ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করায় তার মান ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। কিছু দিন পূর্বে ” সাংবাদিক কামাল” নামীয় অনলাইন ফেসবুক পত্রিকার একজন সাংবাদিক মোঃ কামাল হোসেন বাদীর বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করেন বলেও দাবি করেন পিয়ার আলী। উক্ত বিষয় নিয়ে বাদী সাংবাদিক কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে অভয়নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় বিষয়টির মীমাংশা হয়। অভিযোগে আরো বলা হয়, পূর্বে প্রকাশিত খবরটিকে ভিত্তি করে অভিযুক্ত মোশারফ বাদীর ছবি ব্যবহার করে অভয়নগরে সরকারী স্লাব লুটের অভিযোগে বিএনপি নেতাকে জড়িয়ে “স্বাধীন কন্ঠ” অনলাইন ফেসবুক পত্রিকায় গত ২৭ জুলাই তারিখে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করেন। যা সম্পূর্ণ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, “স্বাধীন কন্ঠ” কোন ফেসবুক পত্রিকা নয়, এটি একটি অনলাইন পত্রিকা। অভিযুক্ত মোশারফ হোসেন এই অনলাইন পত্রিকায় সাংবাদিকতার সাথে জড়িত না।
প্যালাসাইডিং স্লাব চুরির ঘটনা নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে সে বিষয়ে অভয়নগর উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা বরাবর লুট হওয়া স্লাব উদ্ধারে এলাকাবাসী একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রেক্ষিতে বিষটি নিয়ে অনুসন্ধান করে সাংবাদিক কামাল হোসেন চুরির স্থানের ছবি এবং যে শ্রমিকরা সরকারী স্লাব উঠিয়ে ছিলেন তাদের বক্তব্য,পরিবহন করার সময় যারা দেখেছিলেন সে সকল স্থানীয়দের বক্তব্যে বিএনপি নেতা পিয়ার আলীর নাম উঠে আসে। এমনকি মহাকালের কুন্ডু পাড়ায় ড্রেনের উপর বেশকিছু স্লাব বসানো পর সেখানকার স্থানীয়দের কাছে জানতে চাইলে তারাও বলেন এগুলি পিয়ার আলী বসিয়ে গেছেন। এসকল তথ্য উপাত্ত,বক্তব্য ও লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়েই উক্ত সংবাদটি সাংবাদিক কামাল নামীয় অনলাইন ফেসবুক পত্রিকায় সাং-কামাল সংবাদ প্রকাশ করেন। অথচ বাদী এলাকায় প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তার করার জন্যই সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে সাংবাদিক মোশারফ হোসেনের নামে মিথ্যা অভিযোগ এনে আদালতে মামলাটি করেন।
স্লাব লুটের বিষয় সাংবাদিক কামাল হোসেন বলেন, মানহানি মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, পিয়ার আলীর বিরুদ্ধে স্লাব লুটের যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে সেঈ সংবাদটি সত্য, সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ। তবে রাজনৈতিক চাপে পড়ে তার সাথে সমঝোতা করেছি। কিন্তু পরবর্তিতে তার বিরুদ্ধে আর কোন সংবাদ প্রকাশ করবো না এই মর্মে আমার ফেসবুক আইডিতে পোষ্ট করেছি এটাও তার বানানো মিথ্যা,বানোয়াট ও মনগড়া কথা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিক মোশারফ হোসেন বলেন, আমার নামে “স্বাধীন কন্ঠ” অনলাইন ফেসবুক আইডির সাংবাদিক পরিচয় জড়িয়ে, সত্য মিথ্যা যাচাই না করে যশোর জেলা বিজ্ঞ আমলী অভয়নগর আদালতে যে মানহানি মামলাটি দায়ের করা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে মনগড়া,ভিত্তিহীন,মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। শুধুমাত্র এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার,সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও আমার পরিবারের সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্যই পরিকল্পিতভাবে মামলাটি করা হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তিনি আরো বলেন, সরকারী স্লাব লুটের ঘটনাটিকে ধামাচাঁপা দিতে এবং বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করছে এই বিএনপি নেতা পিয়ার আলী। তাই জনস্বার্থে সরকারি স্লাব উদ্ধার সহ পিয়ার আলীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাই।

মামলার ১ নম্বর সাক্ষী আমিনুর রহমান বলেন, সাংবাদিক মোশারফ হোসেন স্বাধীন কন্ঠ পত্রিকার সাংবাদিক কিনা তা সঠিক জানিনা। মামলার ২ নম্বর সাক্ষী লিয়াকত হোসেন পিন্টু বলেন, এ মামলায় আমাকে যে সাক্ষী করা হয়েছে তাই তো আমি জানিনা।