০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঁচ দফা দাবিতে গণআন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াতের

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১১৭ Time View

মোঃ আজগার আলী, জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা: জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখা। রোববার (১২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় শহরের খুলনারোড মোড়ের আসিফ চত্বর এলাকা এবং শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা নায়েবে আমীর ডা. মাহামুদুল হক, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ওমর ফারুক ও অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সুবহান মুকুল, শহর আমীর জাহিদুল ইসলাম, শহর সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, সদর উপজেলা সেক্রেটারি হাবিবুর রহমান এবং দেবহাটা উপজেলা সেক্রেটারি ইমদাদুল হক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।” তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকার স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী আচরণের মাধ্যমে সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে। বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের উপর অন্যায়ভাবে মামলা, হামলা, গুম ও খুন চালিয়ে দেশপ্রেমিক কণ্ঠ রোধের চেষ্টা করেছে। তিনি আরও বলেন, “১৪ দল ও জাতীয় পার্টি এসব অবৈধ কার্যক্রমে প্রকাশ্যে সহযোগিতা করেছে, যা জনগণের কাছে অগ্রহণযোগ্য।” জামায়াতে ইসলামীর পাঁচ দফা দাবি হলো— জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উভয় কক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) পদ্ধতি চালু করা। সকল দলের জন্য সমান সুযোগ রেখে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং গুম-খুন বন্ধ করা। জনগণের মৌলিক অধিকার ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। নেতৃবৃন্দ বলেন, এই দাবিগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসবে এবং জনগণ তাদের রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার ফিরে পাবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

পাঁচ দফা দাবিতে গণআন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াতের

Update Time : ০৮:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

মোঃ আজগার আলী, জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা: জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনসহ ৫ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখা। রোববার (১২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় শহরের খুলনারোড মোড়ের আসিফ চত্বর এলাকা এবং শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা নায়েবে আমীর ডা. মাহামুদুল হক, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক ওমর ফারুক ও অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সুবহান মুকুল, শহর আমীর জাহিদুল ইসলাম, শহর সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, সদর উপজেলা সেক্রেটারি হাবিবুর রহমান এবং দেবহাটা উপজেলা সেক্রেটারি ইমদাদুল হক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।” তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকার স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী আচরণের মাধ্যমে সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে। বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের উপর অন্যায়ভাবে মামলা, হামলা, গুম ও খুন চালিয়ে দেশপ্রেমিক কণ্ঠ রোধের চেষ্টা করেছে। তিনি আরও বলেন, “১৪ দল ও জাতীয় পার্টি এসব অবৈধ কার্যক্রমে প্রকাশ্যে সহযোগিতা করেছে, যা জনগণের কাছে অগ্রহণযোগ্য।” জামায়াতে ইসলামীর পাঁচ দফা দাবি হলো— জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উভয় কক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) পদ্ধতি চালু করা। সকল দলের জন্য সমান সুযোগ রেখে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং গুম-খুন বন্ধ করা। জনগণের মৌলিক অধিকার ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। নেতৃবৃন্দ বলেন, এই দাবিগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসবে এবং জনগণ তাদের রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার ফিরে পাবে।