১২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সদর চৌফলদন্ডীতে জেলেদের মাছ ধরার প্রস্তুতি ।

Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৯২ Time View

মোবারক হোসাইন, ঈদগাঁও উপজেলা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে নদী ও সমুদ্রে মাছ ধরার প্রস্তুতিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কক্সবাজারের জেলেরা। তারই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার সদর চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের জেলে মাঝেও মাছ ধরার উৎসবে মেতে উঠেছে। জাল, নৌকা ও ট্রলার মেরামতের কাজ করছেন তারা। আজ ২৬ অক্টোবর মধ্যরাত থেকেই জেলেরা সাগরে নামবেন মাছ ধরতে। মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারের এই ২২ দিনের বিশেষ অভিযানের পর আবারও সরগরম হয়ে উঠছে জেলার উপকূলীয় এলাকার সাগর-নদী, ঘাট, আড়ৎ ও মৎস্যবন্দরগুলো। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ইলিশ রক্ষায় গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সাগর ও নদীতে মাছ ধরা, বিক্রি, পরিবহন ও মজুত নিষিদ্ধ ছিল। এ সময় জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, কিছু অসাধু জেলের কর্মকাণ্ড ছাড়া সামগ্রিকভাবে নিষেধাজ্ঞা সফল হয়েছে। এ বছর ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করেন তিনি। তিনি জানান, জেলায় ৬৪ হাজারেরও বেশি মৎস্যজীবী রয়েছে। এর মধ্যে ২৬ হাজার ২৮০ জন মৎস্যজীবীকে নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনজুর আলম জানান, আমাদের চৌফলদন্ডীতে যে কতগুলো জেলে আছে সবাইকে সরকারি যে ২২ দিন মাছ নিষেধাজ্ঞা ছিলেন তখন আমি আমার পরিষদ থেকে জেলেদের খাদ্যসামগ্রী দিয়েছি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কক্সবাজার সদর চৌফলদন্ডীতে জেলেদের মাছ ধরার প্রস্তুতি ।

Update Time : ০৭:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

মোবারক হোসাইন, ঈদগাঁও উপজেলা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে নদী ও সমুদ্রে মাছ ধরার প্রস্তুতিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কক্সবাজারের জেলেরা। তারই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার সদর চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের জেলে মাঝেও মাছ ধরার উৎসবে মেতে উঠেছে। জাল, নৌকা ও ট্রলার মেরামতের কাজ করছেন তারা। আজ ২৬ অক্টোবর মধ্যরাত থেকেই জেলেরা সাগরে নামবেন মাছ ধরতে। মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারের এই ২২ দিনের বিশেষ অভিযানের পর আবারও সরগরম হয়ে উঠছে জেলার উপকূলীয় এলাকার সাগর-নদী, ঘাট, আড়ৎ ও মৎস্যবন্দরগুলো। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ইলিশ রক্ষায় গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সাগর ও নদীতে মাছ ধরা, বিক্রি, পরিবহন ও মজুত নিষিদ্ধ ছিল। এ সময় জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, কিছু অসাধু জেলের কর্মকাণ্ড ছাড়া সামগ্রিকভাবে নিষেধাজ্ঞা সফল হয়েছে। এ বছর ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করেন তিনি। তিনি জানান, জেলায় ৬৪ হাজারেরও বেশি মৎস্যজীবী রয়েছে। এর মধ্যে ২৬ হাজার ২৮০ জন মৎস্যজীবীকে নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনজুর আলম জানান, আমাদের চৌফলদন্ডীতে যে কতগুলো জেলে আছে সবাইকে সরকারি যে ২২ দিন মাছ নিষেধাজ্ঞা ছিলেন তখন আমি আমার পরিষদ থেকে জেলেদের খাদ্যসামগ্রী দিয়েছি।