০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ’কে অসত্য দাবি পরিচালকের

Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৯ Time View

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর ঘিরে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগ ও আলোচনা সামনে এসেছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে আউটসোর্সিং কর্মী বাতিল, প্রধান সহকারী নুপুরকে পদোন্নতিসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত।তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।প্রধান সহকারী নুপুর প্রতিবেদককে জানান, তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে, সেগুলো সত্য নয়। তিনি বলেন, ২০০৪ সালে চাকরিতে যোগদানের পর নিয়ম অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে পদোন্নতি পেয়েছেন। তার পদোন্নতিতে কোনো অনিয়ম হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ শেখ মোঃ মোশাররফ হোসেনও তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোকে অসত্য ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন।তিনি জানান, খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং জনগণ যাতে সঠিক সেবা পান, সে লক্ষ্যেই প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরতদের বদলি করা হয়েছে। আর আমি আসার পর নুপুরের পদোন্নতি হয়েছে সেটা নয় আমি যোগদান করার আগেই তিনি ধারাবাহিকভাবে পদোন্নতি পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি চলতি দায়িত্ব হিসেবে প্রধান সহকারীর দায়িত্ব পালন করছেন।আউটসোর্সিং কর্মীদের নিয়োগ কিংবা বাতিলের বিষয়েও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন স্বাস্থ্য পরিচালক। তার দাবি, আউটসোর্সিং কর্মীদের নিয়োগ বা বাতিল করার দায়িত্ব বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের নয়, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের।এছাড়াও ছায়া পরিচালক যাকে বলা হচ্ছে তিনি আউটসোর্সিং কর্মী সে কিভাবে পরিচালকের ছায়া পরিচালক হবেন বলে দাবি করেন স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ শেখ মোঃ মোশাররফ হোসেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ’কে অসত্য দাবি পরিচালকের

Update Time : ০৪:০১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর ঘিরে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগ ও আলোচনা সামনে এসেছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে আউটসোর্সিং কর্মী বাতিল, প্রধান সহকারী নুপুরকে পদোন্নতিসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত।তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।প্রধান সহকারী নুপুর প্রতিবেদককে জানান, তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে, সেগুলো সত্য নয়। তিনি বলেন, ২০০৪ সালে চাকরিতে যোগদানের পর নিয়ম অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে পদোন্নতি পেয়েছেন। তার পদোন্নতিতে কোনো অনিয়ম হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ শেখ মোঃ মোশাররফ হোসেনও তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোকে অসত্য ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন।তিনি জানান, খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং জনগণ যাতে সঠিক সেবা পান, সে লক্ষ্যেই প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরতদের বদলি করা হয়েছে। আর আমি আসার পর নুপুরের পদোন্নতি হয়েছে সেটা নয় আমি যোগদান করার আগেই তিনি ধারাবাহিকভাবে পদোন্নতি পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি চলতি দায়িত্ব হিসেবে প্রধান সহকারীর দায়িত্ব পালন করছেন।আউটসোর্সিং কর্মীদের নিয়োগ কিংবা বাতিলের বিষয়েও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন স্বাস্থ্য পরিচালক। তার দাবি, আউটসোর্সিং কর্মীদের নিয়োগ বা বাতিল করার দায়িত্ব বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের নয়, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের।এছাড়াও ছায়া পরিচালক যাকে বলা হচ্ছে তিনি আউটসোর্সিং কর্মী সে কিভাবে পরিচালকের ছায়া পরিচালক হবেন বলে দাবি করেন স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ শেখ মোঃ মোশাররফ হোসেন।