০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে গঙ্গাচড়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান

Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১০ Time View

 

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রশাসনের কর্মসূচি

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি

ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দেশব্যাপী শুরু হওয়া তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সময়ে দেশের ৬৪ জেলা ও ৫০৩ উপজেলা থেকে সংশ্লিষ্টরা উদ্বোধনী আয়োজনে যুক্ত হন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে গঙ্গাচড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় পরিষদ চত্বরের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা ও আগাছা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস এবং কোথাও পানি জমে না থাকার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অভিযানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) হামিদুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আলেমুল বাশার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাহফুজার রহমান, মৎস্য কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেজানুল হাসান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. আরিফ মাহফুজ, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শায়লা জেসমিন সাঈদ, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান, গঙ্গাচড়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আখের মিঞা, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান দুলু, লক্ষ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হাদী, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা উম্মে কুলসুমা খাতুন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আলীম প্রামানিকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আলেমুল বাশার বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সচেতনভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ডেঙ্গু প্রতিরোধে গঙ্গাচড়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান

Update Time : ০১:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রশাসনের কর্মসূচি

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি

ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দেশব্যাপী শুরু হওয়া তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। একই সময়ে দেশের ৬৪ জেলা ও ৫০৩ উপজেলা থেকে সংশ্লিষ্টরা উদ্বোধনী আয়োজনে যুক্ত হন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে গঙ্গাচড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় পরিষদ চত্বরের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা ও আগাছা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস এবং কোথাও পানি জমে না থাকার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অভিযানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) হামিদুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আলেমুল বাশার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাহফুজার রহমান, মৎস্য কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেজানুল হাসান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. আরিফ মাহফুজ, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শায়লা জেসমিন সাঈদ, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান, গঙ্গাচড়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আখের মিঞা, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান দুলু, লক্ষ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হাদী, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা উম্মে কুলসুমা খাতুন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আলীম প্রামানিকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আলেমুল বাশার বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সচেতনভাবে এগিয়ে আসতে হবে।