বসুন্দিয়ার জগন্নাথপুরে দুর্ধর্ষ চুরি ।
- Update Time : ০১:৪০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
- / ১৮২ Time View

মোহাম্মদ শোয়েব আলী (ক্রাইম রিপোর্টার)
যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত জগন্নাথপুর বেশ কিছুদিন যাবত সঙ্ঘবদ্ধ চোর চক্র দুগ্রামের্ধর্ষ চুরি করে নগদ টাকা- পয়সা, স্বর্ণালংকার সহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। এলাকার লোকজন প্রতি রাতে আতঙ্কের মাঝে রাত্রি যাপন করছে। রাত্রে কোন এক সময় খাবারের সাথে কিছু মিশিয়ে অজ্ঞান করে অথবা যে কোন কৌশলে ঘরের ভেতর প্রবেশ করে এ ধরনের চুরি সংগঠিত করে বলে আমরা জানতে পেরেছি। জগন্নাথপুর গ্রামে বেশ কিছু বাড়িতে এ ধরনের চুরি সংগঠিত হয়েছে তার মধ্যে বসুন্দিয়া মোড়ের বিশিষ্ট লিবার্টি সু ব্যবসায়ী মো: জুয়েল কাজীর বাড়ি, গ্রীস প্রবাসী মোঃ ইব্রাহিম হোসেনের বাড়ি এবং জগন্নাথপুর সরকারি একে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শীলা ম্যাডামের বাড়ি, এছাড়াও আরো অনেক বাড়ি সঙ্গবদ্ধ চোর চক্র হানা দিলে! এলাকাবাসী টের পেয়ে তাদেরকে ধাওয়া করে, চোরদের ধরতে পারেনা- তারা পালিয়ে যায়। তারপরও চোরদের চুরি থেমে নেই। সঙ্গবদ্ধ চোর চক্র গত ৩০ শে জুন রাত্রে বিশিষ্ট মডেল, অভিনেতা— হাসিবুল হাসান ইমন এর বাড়িতে শোকের মাতম কাটতে না কাটতে সোমবার রাত্রে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়। গত এক মাস আগে তার একমাত্র বোন ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। বোনের একমাত্র মেয়ের বিবাহ দেয়ার সময় লাগবে সেই জন্য ৫/৬ ভরি সোনার গহনা বানিয়ে রেখেছিল। গত এক সপ্তাহ আগে বোনের শাশুড়ি ইমনদের বাড়িতে সোনার গহনাগুলি রেখে যায়।এছাড়া ইমনের মায়ের ৪/৫ ভরি সোনার গহনা ছিল। এবং নতুন বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছে তার জন্য বাড়িতে নগদ দুই লক্ষধিক টাকা রাখা ছিল, সেই নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মালামাল নিয়ে কোন এক সময় রাত্রে সঙ্ঘবদ্ধ চোর চক্র পালিয়ে যায়। চুরি যাওয়া মালামাল আনুমানিক প্রায়১৮ থেকে ২০ লক্ষ টাকা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। এখনো পর্যন্ত থানায় এই দুর্ধর্ষ চুরির বিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি এবং স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পেও কোন অভিযোগ দেননি। এলাকার সর্বসাধারণের মতে স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পের সহযোগিতায় জগন্নাথপুর গ্রামে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশি পাহারার মাধ্যমে এ ধরনের দুর্ধর্ষ চুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব।


























