১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবার হাতে ৪ বছরের কন্যা শিশু খুন।

Reporter Name
  • Update Time : ১২:০০:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • / ১৭১ Time View

Oplus_131072

মোবারক হোসাইন , ঈদগাঁও উপজেলা

 

কক্সবাজার উখিয়া মনখালীতে নিষ্ঠুর পিতার হাতে ৪ বছরের কন্যা শিশু খুন। এই ঘটনাটি ঘটে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে, ১নম্বর জালিয়া পালং ইউনিয়ন ৯ নম্বর ওয়ার্ড মনখালী কোনারপাড়া গ্রামে।

পরে ঘাতককে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে।

উখিয়া থানার ওসি আরিফ হোসেন এই বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমানুল্লাহ একজন মাদকাসক্ত। এই নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে প্রায় সময় ঝগড়া লেগে থাকত। এর জের ধরে নিজেরই কন্যা কানিজ ফাতেমা জ্যোতিকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। হত্যার পর মরদেহ পাশের নদীতে ফেলে দেন পাষণ্ড বাবা।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি জানাজানি হলে আমানুল্লাহ ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। স্থানীয়রা ঘরের ছালের টিন খুলে ঘরে প্রবেশ করে ঘাতক আমানুল্লাহ কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে গ্রামের মানুষ নদীতে নেমে তল্লাশি করে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।

উখিয়া থানার ওসি আরিফ বলেন, ঘাতক আমানুল্লাহ মেয়েকে খুন করার কথা স্বীকার করেছেন। খুনে সময় মাদক সেবন করেছিলেন। নিহত শিশুর মরদেহ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ১টার দিকে থানায় নেওয়া হয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বাবার হাতে ৪ বছরের কন্যা শিশু খুন।

Update Time : ১২:০০:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

মোবারক হোসাইন , ঈদগাঁও উপজেলা

 

কক্সবাজার উখিয়া মনখালীতে নিষ্ঠুর পিতার হাতে ৪ বছরের কন্যা শিশু খুন। এই ঘটনাটি ঘটে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে, ১নম্বর জালিয়া পালং ইউনিয়ন ৯ নম্বর ওয়ার্ড মনখালী কোনারপাড়া গ্রামে।

পরে ঘাতককে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে।

উখিয়া থানার ওসি আরিফ হোসেন এই বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমানুল্লাহ একজন মাদকাসক্ত। এই নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে প্রায় সময় ঝগড়া লেগে থাকত। এর জের ধরে নিজেরই কন্যা কানিজ ফাতেমা জ্যোতিকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। হত্যার পর মরদেহ পাশের নদীতে ফেলে দেন পাষণ্ড বাবা।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি জানাজানি হলে আমানুল্লাহ ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। স্থানীয়রা ঘরের ছালের টিন খুলে ঘরে প্রবেশ করে ঘাতক আমানুল্লাহ কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে গ্রামের মানুষ নদীতে নেমে তল্লাশি করে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।

উখিয়া থানার ওসি আরিফ বলেন, ঘাতক আমানুল্লাহ মেয়েকে খুন করার কথা স্বীকার করেছেন। খুনে সময় মাদক সেবন করেছিলেন। নিহত শিশুর মরদেহ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ১টার দিকে থানায় নেওয়া হয়।