০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিয়ে পাগলা বাঁশতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ৫৩ বছর বয়স হলেও থেমে নেই তিনি।

Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৭৩ Time View

 

মোঃ জুয়েল খাঁন খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি।

বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলা ধিন বাঁশতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানব অধিকারের তদন্ত উক্ত বিষয় খবর নিয়ে জানা যায় বাঁশতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল বাসার হাওলাদার পিতা নুরুল ইসলাম হাওলাদার মাতা বেগম তাসলিমা গ্রাম আদাঘাট, ডাকঘর গৌরম্ভা, উপজেলা রামপাল, জেলা বাগেরহাট বিরুদ্ধে সুবিচার চেয়ে গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ আবুল বাশারের দ্বিতীয় স্ত্রী উক্ত বিষয়ে অনুসন্ধান কালে জানা যায় মোঃ আবুল বাশার বাঁশতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন আরো জানা যায় মোঃ আবুল বাশারের প্রথম স্ত্রী দুই কন্যা সন্তান রেখে আবুল বাশারের সংসার ত্যাগ করেন কি কারণে প্রথম স্ত্রী একজন স্কুল শিক্ষকের সংসার ত্যাগ করেছেন সে ব্যাপারে খোঁজ খবর নিলে আবুল বাশারের অনেক ধরনের সাংসারিক জীবনের কুকীর্তি বেরিয়ে আসে যে কারণে আবুল বাশারের প্রথম স্ত্রী দুই কন্যা সন্তান রেখে চলে যেতে বাধ্য হন দীর্ঘ ১৪ বছর সংসার জীবনে প্রথম স্ত্রীর রয়েছে নানান অভিযোগ এমনকি শিক্ষক আবুল বাশারের বিরুদ্ধে করেছেন মামলা কিছুদিন পার হতে না হতে আবারো বিয়ের জন্য বিভিন্ন স্থানে পাত্রী দেখা শুরু করেন একপর্যায়ে তিনি দ্বিতীয় বিবাহ করেন বিবাহের তিন মাস অতিক্রম হতে না হতেই প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে যে ধরনের মানসিক নির্যাতন শারীরিক নির্যাতন করা হতো ঠিক তেমনি দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রতিও একই ধরনের নির্যাতন শুরু করা হয় এবং দ্বিতীয় স্ত্রীকে বলা হয় আমি আবারও বিবাহ করব তুমি ইচ্ছে হলে আমার বাড়িতে থাকবে ইচ্ছা না হলে বাবার বাড়িতে চলে যাবে একজন স্কুল শিক্ষক হয়ে এ ধরনের আচরণ মেয়েটি মেনে না নিতে পেরে আবুল বাশার কে বলেন বাবার বাড়িতে আমাকে দিয়ে আসো তাৎক্ষণিক ভাবে আবুল বাশারের মা মেয়েটিকে দেওয়া স্বর্ণ অলংকার খুলে রেখে বাবার বাড়িতে এগিয়ে দিয়ে যান আবুল বাশারের মা একজন স্কুল শিক্ষক হয়েও তিনি এত নিচে নেমেছেন যে ঘরের স্ত্রীকে দেওয়া সামান্য নাকের ফুলও খুলে রেখেছেন । এই যদি হয় একজন স্কুল শিক্ষকের অবস্থা তাহলে কি শিক্ষা দিবেন তিনি তার স্কুলের শিক্ষার্থীদের এ ধরনের শিক্ষক কোন স্কুলে কিংবা কোন প্রতিষ্ঠানে থাকলে সেই প্রতিষ্ঠান অথবা স্কুলের বদনাম ছাড়া আর কিছুই খবর নয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বিয়ে পাগলা বাঁশতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ৫৩ বছর বয়স হলেও থেমে নেই তিনি।

Update Time : ০৭:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

মোঃ জুয়েল খাঁন খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি।

বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলা ধিন বাঁশতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানব অধিকারের তদন্ত উক্ত বিষয় খবর নিয়ে জানা যায় বাঁশতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল বাসার হাওলাদার পিতা নুরুল ইসলাম হাওলাদার মাতা বেগম তাসলিমা গ্রাম আদাঘাট, ডাকঘর গৌরম্ভা, উপজেলা রামপাল, জেলা বাগেরহাট বিরুদ্ধে সুবিচার চেয়ে গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ আবুল বাশারের দ্বিতীয় স্ত্রী উক্ত বিষয়ে অনুসন্ধান কালে জানা যায় মোঃ আবুল বাশার বাঁশতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন আরো জানা যায় মোঃ আবুল বাশারের প্রথম স্ত্রী দুই কন্যা সন্তান রেখে আবুল বাশারের সংসার ত্যাগ করেন কি কারণে প্রথম স্ত্রী একজন স্কুল শিক্ষকের সংসার ত্যাগ করেছেন সে ব্যাপারে খোঁজ খবর নিলে আবুল বাশারের অনেক ধরনের সাংসারিক জীবনের কুকীর্তি বেরিয়ে আসে যে কারণে আবুল বাশারের প্রথম স্ত্রী দুই কন্যা সন্তান রেখে চলে যেতে বাধ্য হন দীর্ঘ ১৪ বছর সংসার জীবনে প্রথম স্ত্রীর রয়েছে নানান অভিযোগ এমনকি শিক্ষক আবুল বাশারের বিরুদ্ধে করেছেন মামলা কিছুদিন পার হতে না হতে আবারো বিয়ের জন্য বিভিন্ন স্থানে পাত্রী দেখা শুরু করেন একপর্যায়ে তিনি দ্বিতীয় বিবাহ করেন বিবাহের তিন মাস অতিক্রম হতে না হতেই প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে যে ধরনের মানসিক নির্যাতন শারীরিক নির্যাতন করা হতো ঠিক তেমনি দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রতিও একই ধরনের নির্যাতন শুরু করা হয় এবং দ্বিতীয় স্ত্রীকে বলা হয় আমি আবারও বিবাহ করব তুমি ইচ্ছে হলে আমার বাড়িতে থাকবে ইচ্ছা না হলে বাবার বাড়িতে চলে যাবে একজন স্কুল শিক্ষক হয়ে এ ধরনের আচরণ মেয়েটি মেনে না নিতে পেরে আবুল বাশার কে বলেন বাবার বাড়িতে আমাকে দিয়ে আসো তাৎক্ষণিক ভাবে আবুল বাশারের মা মেয়েটিকে দেওয়া স্বর্ণ অলংকার খুলে রেখে বাবার বাড়িতে এগিয়ে দিয়ে যান আবুল বাশারের মা একজন স্কুল শিক্ষক হয়েও তিনি এত নিচে নেমেছেন যে ঘরের স্ত্রীকে দেওয়া সামান্য নাকের ফুলও খুলে রেখেছেন । এই যদি হয় একজন স্কুল শিক্ষকের অবস্থা তাহলে কি শিক্ষা দিবেন তিনি তার স্কুলের শিক্ষার্থীদের এ ধরনের শিক্ষক কোন স্কুলে কিংবা কোন প্রতিষ্ঠানে থাকলে সেই প্রতিষ্ঠান অথবা স্কুলের বদনাম ছাড়া আর কিছুই খবর নয়।