সাংবাদিক সম্মেলন করতে সহযোগিতা করায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি থানায় অভিযোগ
- Update Time : ০১:০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
- / ২৩৯ Time View

বিশেষ প্রতিনিধ:
সাংবাদিক সম্মেলন করতে সহযোগিতা করায় সাংবাদিককে
ট্রাস্ট ব্যাংকে কর্মরত মোঃ তারেক আহমেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে সাংবাদিক ও তার পরিবারের প্রাণ নাশের হুমকির ঘটনায় থানায় অভিযোগ হয়েছে।
গোলাম রহমান চৌধুরীর ছেলে তারেক আহমেদ চৌধুরী বর্তমান বাড়ি ঢাকা দক্ষিণ সিটি ১৬ নম্বর ওয়ার্ড কাঠাল বাগান মহল্লায় ও স্থায়ী বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলায় বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খুলনার মিয়াবাগে জমিদার বাড়ির মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে মিয়া বাবর হোসেন (৭৩) কে তার ভায়ের জামাই তারেক আহমেদ চৌধুরী জোরপূর্বক বাড়ি থেকে মেরে জমিদার বাড়ি থেকে ঘাড় ধরে বের করে দেয় এবং তার ঘরে তালা ঝুলিয়ে দখল করে রাখে। নিরুপায় হয়ে মিয়া বাবর হোসেন খুলনা সোনাডাঙা থানায় মামলা করেন এবং খুলনা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। এক পর্যায়ে সাংবাদিক হাবিবুর রহমান মিয়া বাবর এর নিকট আত্মীয় হওয়ায় সাংবাদিক সম্মেলনে সহযোগিতা চাইলে তিনি তাকে পরামর্শ ও সংবাদ সম্মেলন করতে সহযোগিতা করেন। বিষয়টি তারেক হোসেন চৌধুরী জানতে পারলে ০১৭০৯-৬৪৭৮৯৩ নাম্বার দিয়ে সাংবাদিকের মোবাইল ফোনে ০৮/০৭/২৫ তারিখে সকাল ১০:০১ মিনিটে ফোন দিয়ে সাংবাদিক এবং সাংবাদিক পরিবারকে হত্যা করবে বলে অভিযোগে উল্লেখ করছেন।
সাংবাদিকের ফোনে অটো কল রেকর্ড থাকায় হুমকি দেওয়া কল রেকর্ড হয়েছে ইতিমধ্যে কল রেকর্ডটি আমাদের রিপোর্টের হাতে পোঁছেচে।
সাংবাদিক হাবিবুর রহমানের কাছে ঘটনা বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান লজিং মাষ্টার হিসেবে জমিদার বাড়ি প্রবেশ করে জমিদার বাড়ির মেয়েকে ফুসলিয়ে বিয়ে করে তারেক, সে পর সম্পদ লোভি, মাদক সেবি ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক সে খুলনার জমিদার বাড়ির মিয়া বাবর হোসেন নিঃসন্তান হওয়ায় তার সম্পত্তি দখল করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে পায়তারা করছে, মিয়া বাবর হোসেন অসুস্থ থাকায় আমার কাছে সংবাদ সম্মেলন করার জন্য সহোযোগিতা চাইলে আমি খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করার প্রস্তুতি করে দেই এতটুকু মাএ।
তারেক এর সম্পর্কে খুলনাতে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যাই চলচ্চিত্র নায়িকা পপি তার চাচাদের ভাগের ২ অংশ ক্রয় করে তাতেও আপত্তি এই তারেক হোসেন চৌধুরী বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে পপিকে তার জায়গায় স্থাপনা করতে দিবে না এ মর্মে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আনোয়ার হোসেনের কাছে তিনি জানান অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
























