কেশবপুর ভান্ডারখোলা দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন কেশবপুর।
- Update Time : ০৬:২৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
- / ৮৪ Time View

যশোর প্রতিনিধি যশোরের কেশবপুর উপজেলার ৪ নং বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের ভান্ডারখোলা দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, মাদ্রাসার সভাপতি, ভারপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট ও অফিস সহকারী তিনজন মিলে চারটি পদে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্যে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ‘সুপার’, ‘এবতেদায়ী প্রধান’, ‘ল্যাব সহকারী’ ও ‘দপ্তরী’ পদে অবৈধভাবে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। এ উদ্দেশ্যে তারা তিনজন চাকরিপ্রত্যাশীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা আদায় করেন। অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, ল্যাব সহকারী পদে মোমিনপুর গ্রামের মোঃ জাহিদ হাসানের নিকট থেকে ১৬ লাখ টাকা, দপ্তরী পদে ভান্ডারখোলা গ্রামের মোঃ রকি হাসানের নিকট থেকে তার বিক্রয়কৃত জমির ১৭ লাখ টাকা, এবং এবতেদায়ী প্রধান পদে টিটাবাজিতপুর গ্রামের মোঃ আতাউর রহমানের নিকট থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ওঠে মাদ্রাসার সভাপতি মোঃ রাসেলুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট মোঃ আব্দুল কাদের এবং অফিস সহকারী মোঃ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির একাধিক সদস্য নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি গোপন রেখে বড় অঙ্কের টাকা নিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য চালানো হচ্ছে। এর আগেও নিয়োগ সিন্ডিকেটের বিষয়ে দৈনিক সমাজের কথা, ঢাকা মেইল, নবধারা ও দৈনিক লাখ কণ্ঠ পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের দায়িত্ব উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে দেওয়া হয়েছে। তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
















