১১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে গোয়েন্দা অভিযান চালিয়ে ফেনসিডিল ও বিদেশি মদসহ কুখ্যাত ৩ মাদক কারবারিআটক, পলাতক ১. 

Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৩:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • / ১৭০ Time View

 

উৎপল ঘোষ,ক্রাইম রিপোর্টার :

 

যশোরের মনিরামপুর ও কেশবপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় গোয়েন্দা টিমের ঝটিকা অভিযানে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল ও বিদেশি মদসহ তিন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় একজন মাদক কারবারি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। গতকাল ২৩ জুলাই বিকেলে মনিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর ও কেশবপুরের সানতলা গ্রামে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন পরিদর্শক (গোয়েন্দা) মোঃ রাসেল আলী।

২৩ জুলাই বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত এই ধারাবাহিক অভিযান চলে। প্রথমে কেশবপুরের সানতলা গ্রামে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী আবু রাহেন (৩২)-এর বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মনোহরপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে সাগর গাজী (২৮) ও রাজু বৈরাগী ওরফে পরান (২৫)-এর বসতঘর থেকে মোট ৪৬ বোতল বিদেশি মদ এবং ৪০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও, একটি মোটরসাইকেল (চাবিসহ) এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন:

সাগর গাজী (২৮), পিতা: মৃত ছফর আলী গাজী, গ্রাম: মনোহরপুর, থানা: মনিরামপুর,যশোর।

রাজু বৈরাগী ওরফে পরান (২৫), পিতা: শ্যামল বৈরাগী, গ্রাম: আরুয়া বৈরাগীপাড়া, থানা: কেশবপুর,যশোর।

আবু রাহেন (৩২), পিতা: শওকত গাজী, গ্রাম: সানতলা, কেশবপুর,যশোর।

অভিযানে অংশগ্রহণকারী দল

পরিদর্শক মোঃ রাসেল আলীর নেতৃত্বে এই অভিযানে অংশ নেন এসআই মোঃ জামাল হোসেন, এএসআই গোলাম মোস্তফা, আজগার আলী, সিপাই হাসানুজ্জামান, রাজু আহম্মেদ এবং সুমন আহম্মেদ।

দায়েরকৃত মামলা ও পলাতক আসামি

এই ঘটনায় পরিদর্শক (গোয়েন্দা) মোঃ রাসেল আলী মনিরামপুর থানায় এবং উপপরিদর্শক মোঃ জামাল হোসেন কেশবপুর থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযানে সনজিত কুন্ড নামে আরও একজনকে পলাতক আসামি করা হয়েছে।

অভিযান প্রসঙ্গে পরিদর্শক মোঃ রাসেল আলী বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে এবং যেকোনো মূল্যে সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা হবে।” এই অভিযানে স্থানীয় সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

যশোরে গোয়েন্দা অভিযান চালিয়ে ফেনসিডিল ও বিদেশি মদসহ কুখ্যাত ৩ মাদক কারবারিআটক, পলাতক ১. 

Update Time : ১১:৩৩:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

 

উৎপল ঘোষ,ক্রাইম রিপোর্টার :

 

যশোরের মনিরামপুর ও কেশবপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় গোয়েন্দা টিমের ঝটিকা অভিযানে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল ও বিদেশি মদসহ তিন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় একজন মাদক কারবারি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। গতকাল ২৩ জুলাই বিকেলে মনিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর ও কেশবপুরের সানতলা গ্রামে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন পরিদর্শক (গোয়েন্দা) মোঃ রাসেল আলী।

২৩ জুলাই বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত এই ধারাবাহিক অভিযান চলে। প্রথমে কেশবপুরের সানতলা গ্রামে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী আবু রাহেন (৩২)-এর বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মনোহরপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে সাগর গাজী (২৮) ও রাজু বৈরাগী ওরফে পরান (২৫)-এর বসতঘর থেকে মোট ৪৬ বোতল বিদেশি মদ এবং ৪০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও, একটি মোটরসাইকেল (চাবিসহ) এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন:

সাগর গাজী (২৮), পিতা: মৃত ছফর আলী গাজী, গ্রাম: মনোহরপুর, থানা: মনিরামপুর,যশোর।

রাজু বৈরাগী ওরফে পরান (২৫), পিতা: শ্যামল বৈরাগী, গ্রাম: আরুয়া বৈরাগীপাড়া, থানা: কেশবপুর,যশোর।

আবু রাহেন (৩২), পিতা: শওকত গাজী, গ্রাম: সানতলা, কেশবপুর,যশোর।

অভিযানে অংশগ্রহণকারী দল

পরিদর্শক মোঃ রাসেল আলীর নেতৃত্বে এই অভিযানে অংশ নেন এসআই মোঃ জামাল হোসেন, এএসআই গোলাম মোস্তফা, আজগার আলী, সিপাই হাসানুজ্জামান, রাজু আহম্মেদ এবং সুমন আহম্মেদ।

দায়েরকৃত মামলা ও পলাতক আসামি

এই ঘটনায় পরিদর্শক (গোয়েন্দা) মোঃ রাসেল আলী মনিরামপুর থানায় এবং উপপরিদর্শক মোঃ জামাল হোসেন কেশবপুর থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযানে সনজিত কুন্ড নামে আরও একজনকে পলাতক আসামি করা হয়েছে।

অভিযান প্রসঙ্গে পরিদর্শক মোঃ রাসেল আলী বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে এবং যেকোনো মূল্যে সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা হবে।” এই অভিযানে স্থানীয় সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।