১২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

Reporter Name
  • Update Time : ১২:১৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • / ১৭৪ Time View

মো ইয়াকুব আলী:

দোহার নবাবগঞ্জের চুড়াইন ইউনিয়নের ফসলী জমির ধান কাটা ও মাড়াই করার কাজে আধুনিক প্রযুক্তির মেশিন ব্যবহার শুরু হয়েছে। মেশিনটি সরকারিভাবে প্রদান করা হয়েছে স্বত্বাধিকারী জনাব মো লাল মিয়াকে। মো লাল মিয়া বলেন এলাকার অসংখ্য কৃষকের চিন্তা করে আমি এই মেশিনটি নিয়ে আসছি। ধান কাটা ও মাড়াই করার কাজে সিজনের সময় ঠিকমতো কাজের লোকজন পাওয়া যায় না। এই সময় তাদের মজুরিও বেশি দিতে হয়। তারপরও শ্রমিক সংকটে পড়তে হয়। এই সময় ঝড় বৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হয়ে যায়। এই মেশিনটি ঘন্টায় চার পাখি বা বিঘার ধান কাটতে পারে এবং দৈনিক ৪৫ থেকে ৫০ বিঘার ধান কাটতে স্বক্ষম। যেই কাজ ৩০০ থেকে ৩৫০ জন শ্রমিকের কাজ করতে লাগে সেই কাজ এই মেশিনটি এক দিনেই করতে পারে। এলাকার কৃষক জনাব মো আবুল কালাম আজাদ বলেন আমরা এই মেশিন পেয়ে অনেক খুশী। আমাদের কাজ অনেক সহজ ও তাড়াতাড়ি হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন আধুনিক প্রযুক্তির মেশিন পেয়ে অনেক ভালো হয়েছে কিন্তু অপর দিকে শ্রমিকদের কদর কমে যাবে। এলাকার অসংখ্য কৃষক আনন্দ ও উৎসাহের সাথে কাজ করছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Update Time : ১২:১৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

মো ইয়াকুব আলী:

দোহার নবাবগঞ্জের চুড়াইন ইউনিয়নের ফসলী জমির ধান কাটা ও মাড়াই করার কাজে আধুনিক প্রযুক্তির মেশিন ব্যবহার শুরু হয়েছে। মেশিনটি সরকারিভাবে প্রদান করা হয়েছে স্বত্বাধিকারী জনাব মো লাল মিয়াকে। মো লাল মিয়া বলেন এলাকার অসংখ্য কৃষকের চিন্তা করে আমি এই মেশিনটি নিয়ে আসছি। ধান কাটা ও মাড়াই করার কাজে সিজনের সময় ঠিকমতো কাজের লোকজন পাওয়া যায় না। এই সময় তাদের মজুরিও বেশি দিতে হয়। তারপরও শ্রমিক সংকটে পড়তে হয়। এই সময় ঝড় বৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হয়ে যায়। এই মেশিনটি ঘন্টায় চার পাখি বা বিঘার ধান কাটতে পারে এবং দৈনিক ৪৫ থেকে ৫০ বিঘার ধান কাটতে স্বক্ষম। যেই কাজ ৩০০ থেকে ৩৫০ জন শ্রমিকের কাজ করতে লাগে সেই কাজ এই মেশিনটি এক দিনেই করতে পারে। এলাকার কৃষক জনাব মো আবুল কালাম আজাদ বলেন আমরা এই মেশিন পেয়ে অনেক খুশী। আমাদের কাজ অনেক সহজ ও তাড়াতাড়ি হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন আধুনিক প্রযুক্তির মেশিন পেয়ে অনেক ভালো হয়েছে কিন্তু অপর দিকে শ্রমিকদের কদর কমে যাবে। এলাকার অসংখ্য কৃষক আনন্দ ও উৎসাহের সাথে কাজ করছে।