০২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় ৪৫ দিনের নবজাতককে কোলে নিয়ে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৯ Time View

 

হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটের ভেতরে লুকানো ছিল ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা, উদ্ধার ২টি মোবাইল ফোন!!

মিরু হাসান, বগুড়া প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার শাজাহানপুরে ৪৫ দিনের নবজাতককে কোলে নিয়ে অভিনব কৌশলে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে স্বামী ও স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, দুটি মোবাইল ফোন ও ইয়াবা লুকানোর কাজে ব্যবহৃত দুটি অ্যাংলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মোছা. সারমিন খানম (২৫) ও তাঁর স্বামী সোহাগ মৃধা (৩১)। তাঁদের স্থায়ী বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায়। তাঁরা বর্তমানে ঢাকার মিরপুর-১ এলাকায় বসবাস করতেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। মাদকসংক্রান্ত একাধিক মামলায় তাঁদের অভিযুক্ত থাকার তথ্যও জানিয়েছে অভিযান পরিচালনাকারী সংস্থা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়া জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহা. জিললুর রহমানের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা থেকে বগুড়াগামী আর কে ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী কোচে তল্লাশি চালানো হয়। বাসটির ঢাকা মেট্রো-ব-১২-১২৯৫ নম্বরের নিবন্ধন রয়েছে। কোচের এফ-১ ও এফ-২ আসনে বসা দুই যাত্রীর টিকিট ছিল না বলে জানায় অধিদপ্তর।

অভিযানকালে সারমিনের দুই পায়ের হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটের সঙ্গে কালো স্কচটেপ দিয়ে বিশেষ কৌশলে ইয়াবা লুকানো অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধার করা ইয়াবার পরিমাণ ৭ হাজার ৮০০ পিস বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ছাড়া মাদক ব্যবসায় ব্যবহারের অভিযোগে একটি ভিভো ও একটি অপো ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন এবং দুটি সাদা রঙের অ্যাংলেট জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. সামসুল আলম বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করেছেন।

অধিদপ্তর জানায়, মাদকের এই চালানের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলবে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত শূন্য সহনশীলতা নীতি বাস্তবায়নে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বগুড়ায় ৪৫ দিনের নবজাতককে কোলে নিয়ে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

Update Time : ০২:৩৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

 

হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটের ভেতরে লুকানো ছিল ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা, উদ্ধার ২টি মোবাইল ফোন!!

মিরু হাসান, বগুড়া প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার শাজাহানপুরে ৪৫ দিনের নবজাতককে কোলে নিয়ে অভিনব কৌশলে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে স্বামী ও স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, দুটি মোবাইল ফোন ও ইয়াবা লুকানোর কাজে ব্যবহৃত দুটি অ্যাংলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মোছা. সারমিন খানম (২৫) ও তাঁর স্বামী সোহাগ মৃধা (৩১)। তাঁদের স্থায়ী বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায়। তাঁরা বর্তমানে ঢাকার মিরপুর-১ এলাকায় বসবাস করতেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। মাদকসংক্রান্ত একাধিক মামলায় তাঁদের অভিযুক্ত থাকার তথ্যও জানিয়েছে অভিযান পরিচালনাকারী সংস্থা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়া জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহা. জিললুর রহমানের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা থেকে বগুড়াগামী আর কে ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী কোচে তল্লাশি চালানো হয়। বাসটির ঢাকা মেট্রো-ব-১২-১২৯৫ নম্বরের নিবন্ধন রয়েছে। কোচের এফ-১ ও এফ-২ আসনে বসা দুই যাত্রীর টিকিট ছিল না বলে জানায় অধিদপ্তর।

অভিযানকালে সারমিনের দুই পায়ের হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটের সঙ্গে কালো স্কচটেপ দিয়ে বিশেষ কৌশলে ইয়াবা লুকানো অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধার করা ইয়াবার পরিমাণ ৭ হাজার ৮০০ পিস বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ছাড়া মাদক ব্যবসায় ব্যবহারের অভিযোগে একটি ভিভো ও একটি অপো ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন এবং দুটি সাদা রঙের অ্যাংলেট জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. সামসুল আলম বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করেছেন।

অধিদপ্তর জানায়, মাদকের এই চালানের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলবে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত শূন্য সহনশীলতা নীতি বাস্তবায়নে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।