০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে র‍্যাব ৬ এর হাতে মাদকসহ আটক ০১ ভিন্ন বক্তব্য পরিবারের

মোঃ রানা আহমেদ
  • Update Time : ০৩:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • / ১২ Time View

যশোরের ইছালী ইউনিয়নের এক সময়ের আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী মঈদুল্লাহ ইসলামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়েছে র‍্যাব-৬ এর অভিযানিক দল । অভিযানে ২৯ বোতল উইনকরেক্স উদ্ধার করা হয় যা বতর্মান সময়ের ভারতীয় ফেনসিডিলের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশে বিক্রি হচ্ছে বলে দাবি করেছে র‍্যাব ৬। সোমবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব।

এ সময় মঈদুল্লাহর বেস্ট ব্রেড অ্যান্ড বেকারি কারখানা, তার অফিস ও বাড়িঘরে তল্লাশি চালানো হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন দাবি করেছে এক সময়ের আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী মঈদুল্লাহ ও তার পরিবার। পরিবারের দাবী মঈদুল্লাহ মাদক ব্যবসা ছেড়ে বর্তমানে বেকারির ব্যবসা শুরু  করেছে এবং ভালো ভাবে জিবন যাপন করছেন। তারা আরো অভিযোগ করেন র‍্যাব এক সদস্যের ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই তাকে ফাঁসানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। সে কারণেই র‍্যাব প্রবেশের পর সিসি টিভির ক্যামেরার হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তার পরিবার।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকার লোকজন জানান, সোমবার বিকেলে হঠাৎ করে সিভিল পোশাকে র‍্যাবের পাঁচ-ছয়জন সদস্য কারখানায় প্রবেশ করেন। তারা প্রথমে সিসি ক্যামেরার অবস্থান সম্পর্কে জানতে চান। পরে সিসি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে হার্ডডিস্ক নিয়ে যান। এরপর তারা তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করেন। পরে ঘটনা স্থলে কোম্পানি কমান্ডার এটি এম ফজলে রাব্বি প্রিন্স উপস্থিত হন। গ্রেপ্তারের এক পর্যায়ে মঈদুলকে উত্তেজিত হতে দেখা যায়।

এরপর মঈদুল্লাহর পরিবারের সদস্যসহ গ্রামের অসংখ্য মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হন। দীর্ঘ অভিযান শেষে জেনারেটর কক্ষ থেকে ওই মাদক উদ্ধার করা হয় বলে জানায় র‌্যাব। এ সময় পরিবারের সদস্যরা র‍্যাবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করতে থাকেন। এতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে র‍্যাব মঈদুল্লাহকে নিয়ে ক্যাম্পে চলে যায়।

এ বিষয়ে র‍্যাব -৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার এটি এম ফজলে রাব্বি প্রিন্স বলেন, মঈদুল্লাহ একজন আলোচিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। তার নামে ৯টি মামলা রয়েছে, যার অধিকাংশই মাদকসংক্রান্ত। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হবে। ফাঁসানোর অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

যশোরে র‍্যাব ৬ এর হাতে মাদকসহ আটক ০১ ভিন্ন বক্তব্য পরিবারের

Update Time : ০৩:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

যশোরের ইছালী ইউনিয়নের এক সময়ের আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী মঈদুল্লাহ ইসলামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়েছে র‍্যাব-৬ এর অভিযানিক দল । অভিযানে ২৯ বোতল উইনকরেক্স উদ্ধার করা হয় যা বতর্মান সময়ের ভারতীয় ফেনসিডিলের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশে বিক্রি হচ্ছে বলে দাবি করেছে র‍্যাব ৬। সোমবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব।

এ সময় মঈদুল্লাহর বেস্ট ব্রেড অ্যান্ড বেকারি কারখানা, তার অফিস ও বাড়িঘরে তল্লাশি চালানো হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন দাবি করেছে এক সময়ের আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী মঈদুল্লাহ ও তার পরিবার। পরিবারের দাবী মঈদুল্লাহ মাদক ব্যবসা ছেড়ে বর্তমানে বেকারির ব্যবসা শুরু  করেছে এবং ভালো ভাবে জিবন যাপন করছেন। তারা আরো অভিযোগ করেন র‍্যাব এক সদস্যের ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই তাকে ফাঁসানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। সে কারণেই র‍্যাব প্রবেশের পর সিসি টিভির ক্যামেরার হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তার পরিবার।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকার লোকজন জানান, সোমবার বিকেলে হঠাৎ করে সিভিল পোশাকে র‍্যাবের পাঁচ-ছয়জন সদস্য কারখানায় প্রবেশ করেন। তারা প্রথমে সিসি ক্যামেরার অবস্থান সম্পর্কে জানতে চান। পরে সিসি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে হার্ডডিস্ক নিয়ে যান। এরপর তারা তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করেন। পরে ঘটনা স্থলে কোম্পানি কমান্ডার এটি এম ফজলে রাব্বি প্রিন্স উপস্থিত হন। গ্রেপ্তারের এক পর্যায়ে মঈদুলকে উত্তেজিত হতে দেখা যায়।

এরপর মঈদুল্লাহর পরিবারের সদস্যসহ গ্রামের অসংখ্য মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হন। দীর্ঘ অভিযান শেষে জেনারেটর কক্ষ থেকে ওই মাদক উদ্ধার করা হয় বলে জানায় র‌্যাব। এ সময় পরিবারের সদস্যরা র‍্যাবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করতে থাকেন। এতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে র‍্যাব মঈদুল্লাহকে নিয়ে ক্যাম্পে চলে যায়।

এ বিষয়ে র‍্যাব -৬ যশোরের কোম্পানি কমান্ডার এটি এম ফজলে রাব্বি প্রিন্স বলেন, মঈদুল্লাহ একজন আলোচিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। তার নামে ৯টি মামলা রয়েছে, যার অধিকাংশই মাদকসংক্রান্ত। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হবে। ফাঁসানোর অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।