০৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনার পাইকগাছায় সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার নির্যাতনের ও ভূমি দখলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৮৫ Time View

 

নিলুফা ইয়াসমিন, বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা জেলা।।

আজ ১৪/৯/২০০৫ রোজ রবিবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় গড়াইখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ কুমারখালী (বদ্দির কোনা)গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা হামলা নির্যাতন ও ভূমি দখলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়, উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অনিমেষ মন্ডল (৫৫)বলেন আমরা দীর্ঘ ১০০ বছরের অধিক কাল বাপ দাদাদের পৈত্রিক ভিটায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছি, আমার ঠাকুর দাদারা তিন সরীক যথাক্রমে কুমখালী,আমিনপুর কয়রা থানার মটবাড়ীগ্রামের স্থায়ী ভাবে বসবাস করেন, আমাদের পূর্ব ঠাকুর দাদারা তিন ভাই প্রত্যেকে ২০ বিঘা জমি ভোগ দখল করতেন, পূর্ব পাশে আমার মধ্যখানে কয়রা থানার মটবাটি গ্রামের ঠাকুর দাদার ও পশ্চিমে আমিরপুর ঠাকুর দাদারা দখল করতেন। আত্মিক অসুবিধার কারণে মঠবাড়ি ঠাকুর দাদারা দ্বিতীয় অংশের ২০ বিগার মধ্যে হইতে ২.৮৯একর সম্পত্তি সোলাদানা ইউনিয়নের ননিয়াপাড়া নিবাসী আমার পেষোমহাশয়ের নিকট প্রায় ২৫বছর পূর্বে বিক্রয় করেন, ৯০দশকের দিকে উক্ত ৬০ বিঘা সম্পত্তির পূর্ব পাশে অর্থাৎ আমাদের দখলকৃত জমির পাশ দিয়ে সরকারি রাস্তা নির্মাণ হয়, ৯০দশকের দিকে রাস্তার পাশের জমির সেটেলমেন্ট অফিসার কে ভুল বুঝাইয়া তাদের নামে রেকর্ড করিয়া নেয়, পরবর্তীতে আমরা বিষয়টা জানতে পারলে উক্ত ভ্রমাত্মক রেকর্ডের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রেকর্ড কালেকশনের মামলা দায়ের করি।যাহা বর্তমানে চলমান অবস্থায় রয়েছে, উক্ত জমির দখল লইবার জন্য আমার পেষোমশাই প্রথমে মামলা দায়ের করেন পরবর্তীতে নির্বাহী আদালত ১৪৪আবেদন করেন এবং সর্বশেষ সার্কেল এসপি সাহেবের দপ্তরের মামলা দায়ের করেন। সার্কেল সাহেব উভয় পক্ষের আইনজীবীর আইনে পরামর্শ শুনে আপোষ মীমাংসা করে দেন যে, চলতি বছরের এমপিবাদী পক্ষ দীঘা ধান এককালীন পৌষ মাসে গ্রহণ করবেন এবং ৬০ বিঘা জমির উত্তর মাথা ২.৮৯একক জমি চৌষ্য করিয়া ও মাটির ফেরেনি সমতল করিয়া বিবাদী কে বুঝাইয়া দিবেন। উভয়পক্ষ মানিয়া নিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে আসা মাত্রই বিবাদী উক্ত জমির দখল লইবার জন্য গড়াই খালি সাকিনের মৃত বাবর আলী গাজীর পুত্র দুঃখে গাজী ও ইউনুস সরদার এর পুত্র শফিকুল সরদার তাদের দলবল উক্ত জমির উত্তর অংশ হইতে ২.৮৯একর সম্পত্তি দখল করিয়া নেয়, উক্ত জমিন মাথায় বসতবাড়ি গোয়াল ঘর মন্দির ও একটি দোকান ঘর রয়েছে, দুঃখে গাজী ও শফিকুল গাজী প্রতিনিয়ত তারা দোকানে আসে ও আমাদেরকে হুমকি ধামকি প্রদান করেন, আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তাই ভয়ে কিছু বলতে পারি না, আমরা আইন প্রশাসনের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে সাংবাদিকদের মাধ্যম দিয়ে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করছে।।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

খুলনার পাইকগাছায় সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার নির্যাতনের ও ভূমি দখলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

Update Time : ১১:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

নিলুফা ইয়াসমিন, বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা জেলা।।

আজ ১৪/৯/২০০৫ রোজ রবিবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় গড়াইখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ কুমারখালী (বদ্দির কোনা)গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা হামলা নির্যাতন ও ভূমি দখলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়, উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অনিমেষ মন্ডল (৫৫)বলেন আমরা দীর্ঘ ১০০ বছরের অধিক কাল বাপ দাদাদের পৈত্রিক ভিটায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছি, আমার ঠাকুর দাদারা তিন সরীক যথাক্রমে কুমখালী,আমিনপুর কয়রা থানার মটবাড়ীগ্রামের স্থায়ী ভাবে বসবাস করেন, আমাদের পূর্ব ঠাকুর দাদারা তিন ভাই প্রত্যেকে ২০ বিঘা জমি ভোগ দখল করতেন, পূর্ব পাশে আমার মধ্যখানে কয়রা থানার মটবাটি গ্রামের ঠাকুর দাদার ও পশ্চিমে আমিরপুর ঠাকুর দাদারা দখল করতেন। আত্মিক অসুবিধার কারণে মঠবাড়ি ঠাকুর দাদারা দ্বিতীয় অংশের ২০ বিগার মধ্যে হইতে ২.৮৯একর সম্পত্তি সোলাদানা ইউনিয়নের ননিয়াপাড়া নিবাসী আমার পেষোমহাশয়ের নিকট প্রায় ২৫বছর পূর্বে বিক্রয় করেন, ৯০দশকের দিকে উক্ত ৬০ বিঘা সম্পত্তির পূর্ব পাশে অর্থাৎ আমাদের দখলকৃত জমির পাশ দিয়ে সরকারি রাস্তা নির্মাণ হয়, ৯০দশকের দিকে রাস্তার পাশের জমির সেটেলমেন্ট অফিসার কে ভুল বুঝাইয়া তাদের নামে রেকর্ড করিয়া নেয়, পরবর্তীতে আমরা বিষয়টা জানতে পারলে উক্ত ভ্রমাত্মক রেকর্ডের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রেকর্ড কালেকশনের মামলা দায়ের করি।যাহা বর্তমানে চলমান অবস্থায় রয়েছে, উক্ত জমির দখল লইবার জন্য আমার পেষোমশাই প্রথমে মামলা দায়ের করেন পরবর্তীতে নির্বাহী আদালত ১৪৪আবেদন করেন এবং সর্বশেষ সার্কেল এসপি সাহেবের দপ্তরের মামলা দায়ের করেন। সার্কেল সাহেব উভয় পক্ষের আইনজীবীর আইনে পরামর্শ শুনে আপোষ মীমাংসা করে দেন যে, চলতি বছরের এমপিবাদী পক্ষ দীঘা ধান এককালীন পৌষ মাসে গ্রহণ করবেন এবং ৬০ বিঘা জমির উত্তর মাথা ২.৮৯একক জমি চৌষ্য করিয়া ও মাটির ফেরেনি সমতল করিয়া বিবাদী কে বুঝাইয়া দিবেন। উভয়পক্ষ মানিয়া নিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে আসা মাত্রই বিবাদী উক্ত জমির দখল লইবার জন্য গড়াই খালি সাকিনের মৃত বাবর আলী গাজীর পুত্র দুঃখে গাজী ও ইউনুস সরদার এর পুত্র শফিকুল সরদার তাদের দলবল উক্ত জমির উত্তর অংশ হইতে ২.৮৯একর সম্পত্তি দখল করিয়া নেয়, উক্ত জমিন মাথায় বসতবাড়ি গোয়াল ঘর মন্দির ও একটি দোকান ঘর রয়েছে, দুঃখে গাজী ও শফিকুল গাজী প্রতিনিয়ত তারা দোকানে আসে ও আমাদেরকে হুমকি ধামকি প্রদান করেন, আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তাই ভয়ে কিছু বলতে পারি না, আমরা আইন প্রশাসনের কাছে তদন্ত সাপেক্ষে সাংবাদিকদের মাধ্যম দিয়ে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করছে।।