০৬:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলমান ববি ভিসি বিরোধী আন্দোলনে উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা,ছাত্র শিক্ষক সংহতি সমাবেশ ও শিক্ষকদের বিবৃতি প্রকাশ 

Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
  • / ১৬৭ Time View

 

মোঃ তামিম ইকবাল রাজু,ববি প্রতিনিধি:

টানা মাসব্যাপী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনের এবার নতুন এক মোড় নিলো। ছাত্রদের সাথে শিক্ষকবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে আজ বৃহস্পতিবার সকাল এগারো টা ত্রিশ মিনিটে একই সময় শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীরা গণমাধ্যমকে জানাই এখন আর একদফা ভিসির পদত্যাগ এর দাবিতে তারা নেই। তারা এই ভিসি কে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে।

জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার সময় পুরো বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন এর আওতায় থাকলেও একটি প্রশাসনিক কক্ষ খুলে দেওয়া হবে যাতে শিক্ষার্থীদের কোনো ভুগান্তি পোহাতে না হয়। পাশাপাশি একটি মনিটরিং টিম গঠন করবে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যাতে করে ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান দুরবস্থায় উদ্বিগ্ন শিক্ষক সমাজের বিবৃতি।

আমরা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, ২০২৪ সালের গৌরবজনক জগাই বিপ্লবের পরে বড় আশায় বুক বেঁধেছিলাম একটি নতুন বাংলাদেশের বিনির্মাণ কার্যক্রমের সাথে তাল রেখে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ও একটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শনৈ শনৈ উন্নতির পথে অগ্রসর হবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে গত অক্টোবর ২০২৪ থেকে এযাবৎ আমরা লক্ষ্য করছি-

১। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক বিভাগে মাত্র দুজন/তিনজন শিক্ষক কর্মরত এবং সেগুলোসহ অনেক বিভাগে অনেক শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞাপন থাকা সত্ত্বেও এই আট মাসে সেই সকল বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় বিভাগসমূহের পাঠদান ও একাডেমিক কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়ছে। অথচ ভিসি মহোদয় এদিকে কোনো ভ্রূক্ষেপ না করে ঢাকায় নির্বিকার দিন যাপন করছেন। আরো মর্মান্ত্রিক হলো তিনি শিক্ষক নিয়োগের এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো উদ্যোগ না নিয়ে বরং একের পর এক বেআইনি ও অবৈধভাবে নিম্ন জেডের বিভিন্ন কর্মচারী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে যাচ্ছেন। এসকল নিয়োগ অবৈধ হওয়ায় তাদের বেতন-ভাতাদির প্রস্তাব সংক্রান্ত নথি ট্রেজারার মহোদয় অনুমোদন না করায় তাঁর অনুমোদন ছাড়াই ভিসি একক স্বাক্ষরে অনুমোদন করছেন এবং তাদেরকে অবৈধভাবে বেতনভাতাদি দিচ্ছেন।

২। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. শুচিতা শরমিনের নিয়োগপত্রে তাঁকে সার্বক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে মর্মে বলা হলেও তিনি সপ্তাহে দুয়েকদিন কয়েক ঘণ্টা মাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থন করেন আর বাকি সময় ঢাকায় অবস্থান করেন। তাঁর এই অনুপস্থিতিতে আইনানুযায়ী উপ-উপাচার্যকে দায়িত্ব পালনের সুযোগও তিনি দেন না। বিভাগ থেকে প্রেরিত ছাত্রদের পরীক্ষা-ভর্তি ইত্যাদি বিষয়ক বিভিন্ন একাডেমিক প্রস্তাব তাঁর দপ্তরে তিন-চার মাস পড়ে থাকে এবং তিনি দেখারও সময় পান না। ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষার্থীর একটি সাহায্যের আবেদন ডিসেম্বর মাস থেকে এপ্রিল মাসে তার মৃত্যুর তারিখ পর্যন্ত ভিসির দপ্তরে পড়েছিল, অথচ তিনি খুলেও দেখেননি। এভাবে দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডে মারাত্মাক জট ও বিপর্যয় দিন দিন বেড়েই চলছে।

৩। ভিসির যোগদানের পর থেকে আট মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ কমিটির বা পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটির কোনো একটি সভা এ যাবৎ অনুষ্ঠিত হয়নি। ভিসি দুটি দিভিকেট সভা আয়োজন করেছেন যার একটি ছিল এজেন্ডা-গোপন-রাখা দুরভিসন্ধিমূলক সভা যা শিক্ষার্থীদের বাঁধার মুখে নিয়মহীনভাবে জরুরি একটিমাত্র আলোচ্য বিষয়ের বিশেষ সভায় রূপান্তর করা হয় এবং অপরটিও ছিল একটি বিশেষ সত্তা। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের অজস্র গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের অভাবে মাসের পর মাস আটকে আছে যার প্রতি ভিসির কোনো ওক্ষেপ নেই। আর সিন্ডিকেটে তাঁর স্বৈরাচারী ইচ্ছা মোতাবেক সিদ্ধান্তগ্রহণের লক্ষ্যে তিনি আইন অনুযায়ী সিন্ডিকেটে যে কয়জন শিক্ষক প্রতিনিধি থাকার কথা তাঁদের সকলকে নিয়মহীনভাবে এপসারণ করেছেন। একই সাথে বিগত অনির্বাচিত স্বৈরাচারী সরকারকে বৈধতা দানের লক্ষ্যে গঠিত জানিপপের সুবিধাভোগী আর সেই জানিপপের কাণ্ডারী জনাব নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর খয়ের খা চারজনকে বিশেষ ব্যবস্থায় সিন্ডিকেটের সদস্য করেছেন যাতে ভিসির সকল স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত অবলীলায় পাশ করা যায়।

৪। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভৌত কাজ ও ক্রয়ের জন্য ৬ কোটি ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ ছিল। ভিসির সীমাহীন অদক্ষতা ও অযোগ্যতার কারণে আজ বছরের প্রায় ১১ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরেও তা থেকে মাত্র ৭৭ লক্ষ টাকা ব্যয় করা সম্ভব হয়েছে। বই কেনার ৫০ লক্ষ টাকা থেকে একটি বইও এখন পর্যন্ত ক্রয় করা হয়নি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে যথেষ্ট বাজেট বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও ভিসির অযোগ্যতার কারণে কোনো উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে না।

৫। এ অবস্থায় ছাত্রদের একাডেমিক ও প্রশাসনিক অনেক সংকট ও সমস্যা তৈরি হওয়ায় তারা এসব সমাধানে ভিসির নিকট দাবিনামা উপস্থাপন করলে ভিসি তাদের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে দাবি পূরণের ব্যবস্থা না নিয়ে একের পর এক মামলা, জিডি ইত্যাদি দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের মতো দমন পীড়নের পথ বেছে নিচ্ছেন। ভিসির এই ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়টিকে দিনদিন সম্পূর্ণ অচলাবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে

৬। জুলাইয়ের গৌরবজনক অভ্যুত্থানের ফসল হিসেবে নিযুক্ত ভিসি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে খুঁজে খুঁজে স্বৈরাচারী সরকারকে রক্ষার প্রত্যয় শুক্তকারী শিক্ষত ও কর্মকর্তাদেরকে বিভিন্ন লাভজনক কমিটি ও প্রশাসনিক পদে নিয়োগ দিচ্ছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার কমিটির বিভিন্ন সদস্যকে গুরুত্বপূর্ণ লাভজনক কমিটি ও পদে পদায়ন করেছেন। অপর দিকে গত ফ্যাসিবাদী সরকারের দীর্ঘ ক্ষমতাকালে আওয়ামী শিক্ষকদের পেশাজীবী সংগঠন ‘নীল’ দলে শত চাপের মধ্যেও কখনো যোগদান করেননি এবং বৈষম্যবিরোধী সংগ্রামের ছাত্রদের ওপর সরকারি নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়ে পত্রিকায় বিবৃতি প্রদান করেছেন এমন শিক্ষককে পতিত সরকারের দোসর’ আখ্যা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ড

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

চলমান ববি ভিসি বিরোধী আন্দোলনে উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা,ছাত্র শিক্ষক সংহতি সমাবেশ ও শিক্ষকদের বিবৃতি প্রকাশ 

Update Time : ০১:৩৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫

 

মোঃ তামিম ইকবাল রাজু,ববি প্রতিনিধি:

টানা মাসব্যাপী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনের এবার নতুন এক মোড় নিলো। ছাত্রদের সাথে শিক্ষকবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে আজ বৃহস্পতিবার সকাল এগারো টা ত্রিশ মিনিটে একই সময় শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীরা গণমাধ্যমকে জানাই এখন আর একদফা ভিসির পদত্যাগ এর দাবিতে তারা নেই। তারা এই ভিসি কে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে।

জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার সময় পুরো বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন এর আওতায় থাকলেও একটি প্রশাসনিক কক্ষ খুলে দেওয়া হবে যাতে শিক্ষার্থীদের কোনো ভুগান্তি পোহাতে না হয়। পাশাপাশি একটি মনিটরিং টিম গঠন করবে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যাতে করে ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান দুরবস্থায় উদ্বিগ্ন শিক্ষক সমাজের বিবৃতি।

আমরা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, ২০২৪ সালের গৌরবজনক জগাই বিপ্লবের পরে বড় আশায় বুক বেঁধেছিলাম একটি নতুন বাংলাদেশের বিনির্মাণ কার্যক্রমের সাথে তাল রেখে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ও একটি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শনৈ শনৈ উন্নতির পথে অগ্রসর হবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে গত অক্টোবর ২০২৪ থেকে এযাবৎ আমরা লক্ষ্য করছি-

১। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক বিভাগে মাত্র দুজন/তিনজন শিক্ষক কর্মরত এবং সেগুলোসহ অনেক বিভাগে অনেক শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞাপন থাকা সত্ত্বেও এই আট মাসে সেই সকল বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় বিভাগসমূহের পাঠদান ও একাডেমিক কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়ছে। অথচ ভিসি মহোদয় এদিকে কোনো ভ্রূক্ষেপ না করে ঢাকায় নির্বিকার দিন যাপন করছেন। আরো মর্মান্ত্রিক হলো তিনি শিক্ষক নিয়োগের এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো উদ্যোগ না নিয়ে বরং একের পর এক বেআইনি ও অবৈধভাবে নিম্ন জেডের বিভিন্ন কর্মচারী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে যাচ্ছেন। এসকল নিয়োগ অবৈধ হওয়ায় তাদের বেতন-ভাতাদির প্রস্তাব সংক্রান্ত নথি ট্রেজারার মহোদয় অনুমোদন না করায় তাঁর অনুমোদন ছাড়াই ভিসি একক স্বাক্ষরে অনুমোদন করছেন এবং তাদেরকে অবৈধভাবে বেতনভাতাদি দিচ্ছেন।

২। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. শুচিতা শরমিনের নিয়োগপত্রে তাঁকে সার্বক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে মর্মে বলা হলেও তিনি সপ্তাহে দুয়েকদিন কয়েক ঘণ্টা মাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থন করেন আর বাকি সময় ঢাকায় অবস্থান করেন। তাঁর এই অনুপস্থিতিতে আইনানুযায়ী উপ-উপাচার্যকে দায়িত্ব পালনের সুযোগও তিনি দেন না। বিভাগ থেকে প্রেরিত ছাত্রদের পরীক্ষা-ভর্তি ইত্যাদি বিষয়ক বিভিন্ন একাডেমিক প্রস্তাব তাঁর দপ্তরে তিন-চার মাস পড়ে থাকে এবং তিনি দেখারও সময় পান না। ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষার্থীর একটি সাহায্যের আবেদন ডিসেম্বর মাস থেকে এপ্রিল মাসে তার মৃত্যুর তারিখ পর্যন্ত ভিসির দপ্তরে পড়েছিল, অথচ তিনি খুলেও দেখেননি। এভাবে দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডে মারাত্মাক জট ও বিপর্যয় দিন দিন বেড়েই চলছে।

৩। ভিসির যোগদানের পর থেকে আট মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ কমিটির বা পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটির কোনো একটি সভা এ যাবৎ অনুষ্ঠিত হয়নি। ভিসি দুটি দিভিকেট সভা আয়োজন করেছেন যার একটি ছিল এজেন্ডা-গোপন-রাখা দুরভিসন্ধিমূলক সভা যা শিক্ষার্থীদের বাঁধার মুখে নিয়মহীনভাবে জরুরি একটিমাত্র আলোচ্য বিষয়ের বিশেষ সভায় রূপান্তর করা হয় এবং অপরটিও ছিল একটি বিশেষ সত্তা। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের অজস্র গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের অভাবে মাসের পর মাস আটকে আছে যার প্রতি ভিসির কোনো ওক্ষেপ নেই। আর সিন্ডিকেটে তাঁর স্বৈরাচারী ইচ্ছা মোতাবেক সিদ্ধান্তগ্রহণের লক্ষ্যে তিনি আইন অনুযায়ী সিন্ডিকেটে যে কয়জন শিক্ষক প্রতিনিধি থাকার কথা তাঁদের সকলকে নিয়মহীনভাবে এপসারণ করেছেন। একই সাথে বিগত অনির্বাচিত স্বৈরাচারী সরকারকে বৈধতা দানের লক্ষ্যে গঠিত জানিপপের সুবিধাভোগী আর সেই জানিপপের কাণ্ডারী জনাব নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর খয়ের খা চারজনকে বিশেষ ব্যবস্থায় সিন্ডিকেটের সদস্য করেছেন যাতে ভিসির সকল স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত অবলীলায় পাশ করা যায়।

৪। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভৌত কাজ ও ক্রয়ের জন্য ৬ কোটি ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ ছিল। ভিসির সীমাহীন অদক্ষতা ও অযোগ্যতার কারণে আজ বছরের প্রায় ১১ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরেও তা থেকে মাত্র ৭৭ লক্ষ টাকা ব্যয় করা সম্ভব হয়েছে। বই কেনার ৫০ লক্ষ টাকা থেকে একটি বইও এখন পর্যন্ত ক্রয় করা হয়নি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে যথেষ্ট বাজেট বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও ভিসির অযোগ্যতার কারণে কোনো উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে না।

৫। এ অবস্থায় ছাত্রদের একাডেমিক ও প্রশাসনিক অনেক সংকট ও সমস্যা তৈরি হওয়ায় তারা এসব সমাধানে ভিসির নিকট দাবিনামা উপস্থাপন করলে ভিসি তাদের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে দাবি পূরণের ব্যবস্থা না নিয়ে একের পর এক মামলা, জিডি ইত্যাদি দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের মতো দমন পীড়নের পথ বেছে নিচ্ছেন। ভিসির এই ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়টিকে দিনদিন সম্পূর্ণ অচলাবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে

৬। জুলাইয়ের গৌরবজনক অভ্যুত্থানের ফসল হিসেবে নিযুক্ত ভিসি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে খুঁজে খুঁজে স্বৈরাচারী সরকারকে রক্ষার প্রত্যয় শুক্তকারী শিক্ষত ও কর্মকর্তাদেরকে বিভিন্ন লাভজনক কমিটি ও প্রশাসনিক পদে নিয়োগ দিচ্ছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার কমিটির বিভিন্ন সদস্যকে গুরুত্বপূর্ণ লাভজনক কমিটি ও পদে পদায়ন করেছেন। অপর দিকে গত ফ্যাসিবাদী সরকারের দীর্ঘ ক্ষমতাকালে আওয়ামী শিক্ষকদের পেশাজীবী সংগঠন ‘নীল’ দলে শত চাপের মধ্যেও কখনো যোগদান করেননি এবং বৈষম্যবিরোধী সংগ্রামের ছাত্রদের ওপর সরকারি নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়ে পত্রিকায় বিবৃতি প্রদান করেছেন এমন শিক্ষককে পতিত সরকারের দোসর’ আখ্যা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ড