০৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাভেল এজেন্সির লক্ষ লক্ষ লোক হবে বেকার এবং প্রবাসীরাও পড়বে বিপাকে।

Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৪৮ Time View

মো: আব্দুল ওয়াহিদ, মৌলভীবাজার, বিশেষ প্রতিনিধি:

 

বিমান চলাচল ও ট্রাভেল এজেন্সি আইন পরিবর্তনের ফলে দেশের অন্তত চার হাজার ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসা চরম অনিশ্চয়তায় পড়বে, লক্ষ লক্ষ লোক হবে বেকার, টিকেট ক্রয়ে প্রবাসী পড়বে চরম বিপাকে, বলে দাবি করেছেন এ খাতের মালিক এবং চাকুরীজীবিরা। ছোট ছোট এজেন্সির স্বার্থে আইন সংশোধনের দাবি সবার। বিমানের টিকিট সবার জন্য উন্মুক্ত না হলে টিকিট কারসাজি সিন্ডিকেট বন্ধের উদ্যোগ হোঁচট খাবে।

গত এক বছরে যারা বিদেশ পাড়ি জমিয়েছেন, ৮০ শতাংশই মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রী। এই সুযোগে এয়ারলাইনস কোম্পানি গুলোর সাথে আঁতাত করে টিকেট সিন্ডিকেট করে ৪০/৫০ হাজার টাকার টিকিট এক লাখ থেকে দুই লাখে বিক্রি করেছেন, অসাধু বড় বড় ব্যবসায়ীরা। যার প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ট্রাভেল এজেন্সির উপর। ট্রাভেল এজেন্সি আইন সংশোধন করেছে সরকার, গতকাল সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা বলেন, একজন ব্যবসায়ী আরেকজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টিকেট ক্রয় করতে পারবেন না। যাদের IATA আছে, তারাই বিক্রি করতে পারবেন টিকেট। নতুনভাবে এজেন্সি নিবন্ধনেও করা হয়েছে জটিলতা। যার কারণে অনেকে নিবন্ধন করতে পারছেন না।

সরকারের এ উদ্যোগ এবং আইন, সরকারের কিছু প্রভাবশালী লোকদের এবং বড় এজেন্টদের একচেটিয়া ব্যবসার সুযোগ তৈরি করবে বলে মনে করছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। IATA করার যে কঠিন নিয়মনীতি আরোপ করা হয়েছে এবং ক্ষুদ্র এজেন্সি বন্ধের পায়তারা শুরু করেছে। তাতে তারাই বিভিন্ন জাগায় জাগায় এজেন্ট দিয়ে একতরফা ব্যবসা শুরু করবে, প্রবাসীরা টিকেট ক্রয়েও পড়বে চরম বিপাকে এবং চাকুরী হারাবে লক্ষ লক্ষ যুবক। সরকারের এই নীতি কোটিপতি কে আরও হাজারকোটি টাকা বানানোর এক নীল নকশ বলে দাবী করছেন সবাই।

বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন সংশোধনের প্রস্তাবিত নতুন খসড়া অধ্যাদেশ-২০২৫ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন সবাই। সরকারের এই অনিয়মের বিরুদ্ধে, সব ট্রাভেল এজেন্টগণ নিয়ে ঢাকা পল্টনে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন আটাব কমিটি। মৌলভীবাজার জেলা’র সোনারবাংলা ট্রাভেলসের সত্ত্বাধিকারী জনাব মিছির আলি, সিলেট জেলার শাহজালাল ট্রাভেলসের সত্ত্বাধিকারী জনাব মুজাম্মেল হোসেন রুবেল, সোমা ইন্টারন্যাশনাল এর সত্ত্বাধিকারী সহ দেশের প্রত্যেকটি জেলা থেকে আজ জড়ো হয়েছেন আজ ঢাকায়। প্রবাসী স্বার্থ রক্ষায় ক্ষুদ্র বড় ব্যবসায়ীগণ আজ একজোট। সম্মতি জানিয়েছেন, প্রবাসী সহ প্রবাস নির্ভর পরিবারের সব সদস্য, শিক্ষিত সচেতন নাগরিকবৃন্দ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ট্রাভেল এজেন্সির লক্ষ লক্ষ লোক হবে বেকার এবং প্রবাসীরাও পড়বে বিপাকে।

Update Time : ০৭:০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

মো: আব্দুল ওয়াহিদ, মৌলভীবাজার, বিশেষ প্রতিনিধি:

 

বিমান চলাচল ও ট্রাভেল এজেন্সি আইন পরিবর্তনের ফলে দেশের অন্তত চার হাজার ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসা চরম অনিশ্চয়তায় পড়বে, লক্ষ লক্ষ লোক হবে বেকার, টিকেট ক্রয়ে প্রবাসী পড়বে চরম বিপাকে, বলে দাবি করেছেন এ খাতের মালিক এবং চাকুরীজীবিরা। ছোট ছোট এজেন্সির স্বার্থে আইন সংশোধনের দাবি সবার। বিমানের টিকিট সবার জন্য উন্মুক্ত না হলে টিকিট কারসাজি সিন্ডিকেট বন্ধের উদ্যোগ হোঁচট খাবে।

গত এক বছরে যারা বিদেশ পাড়ি জমিয়েছেন, ৮০ শতাংশই মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রী। এই সুযোগে এয়ারলাইনস কোম্পানি গুলোর সাথে আঁতাত করে টিকেট সিন্ডিকেট করে ৪০/৫০ হাজার টাকার টিকিট এক লাখ থেকে দুই লাখে বিক্রি করেছেন, অসাধু বড় বড় ব্যবসায়ীরা। যার প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ট্রাভেল এজেন্সির উপর। ট্রাভেল এজেন্সি আইন সংশোধন করেছে সরকার, গতকাল সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা বলেন, একজন ব্যবসায়ী আরেকজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টিকেট ক্রয় করতে পারবেন না। যাদের IATA আছে, তারাই বিক্রি করতে পারবেন টিকেট। নতুনভাবে এজেন্সি নিবন্ধনেও করা হয়েছে জটিলতা। যার কারণে অনেকে নিবন্ধন করতে পারছেন না।

সরকারের এ উদ্যোগ এবং আইন, সরকারের কিছু প্রভাবশালী লোকদের এবং বড় এজেন্টদের একচেটিয়া ব্যবসার সুযোগ তৈরি করবে বলে মনে করছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। IATA করার যে কঠিন নিয়মনীতি আরোপ করা হয়েছে এবং ক্ষুদ্র এজেন্সি বন্ধের পায়তারা শুরু করেছে। তাতে তারাই বিভিন্ন জাগায় জাগায় এজেন্ট দিয়ে একতরফা ব্যবসা শুরু করবে, প্রবাসীরা টিকেট ক্রয়েও পড়বে চরম বিপাকে এবং চাকুরী হারাবে লক্ষ লক্ষ যুবক। সরকারের এই নীতি কোটিপতি কে আরও হাজারকোটি টাকা বানানোর এক নীল নকশ বলে দাবী করছেন সবাই।

বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন সংশোধনের প্রস্তাবিত নতুন খসড়া অধ্যাদেশ-২০২৫ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন সবাই। সরকারের এই অনিয়মের বিরুদ্ধে, সব ট্রাভেল এজেন্টগণ নিয়ে ঢাকা পল্টনে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন আটাব কমিটি। মৌলভীবাজার জেলা’র সোনারবাংলা ট্রাভেলসের সত্ত্বাধিকারী জনাব মিছির আলি, সিলেট জেলার শাহজালাল ট্রাভেলসের সত্ত্বাধিকারী জনাব মুজাম্মেল হোসেন রুবেল, সোমা ইন্টারন্যাশনাল এর সত্ত্বাধিকারী সহ দেশের প্রত্যেকটি জেলা থেকে আজ জড়ো হয়েছেন আজ ঢাকায়। প্রবাসী স্বার্থ রক্ষায় ক্ষুদ্র বড় ব্যবসায়ীগণ আজ একজোট। সম্মতি জানিয়েছেন, প্রবাসী সহ প্রবাস নির্ভর পরিবারের সব সদস্য, শিক্ষিত সচেতন নাগরিকবৃন্দ।