ববিতে ছাত্রলীগ নেত্রী সহ মোট তিনজনকে ধরে পুলিসশে দিলেন ছাত্রদল।
- Update Time : ০৬:৫৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
- / ২৬২ Time View

মোঃ তামিম ইকবাল রাজু,ববি প্রতিনিধি
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ছাত্রলীগ নেত্রী টিকলী শরীফসহ দুইজন কে আটক করে পুলিশে দিয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের সামনে থেকে তাদের আটক করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে রাতে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে এসে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক টিকলী শরীফ খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের উপছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সোনিয়া খান সনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, টিকলী শরীফ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী। ২৪ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অন্যতম আসামি তিনি। বাকি দুজন মার্কেটিং বিভাগের ২০২১ -২২ শিক্ষাবর্ষের মামুন ও তরিকুল। তারা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয় বলে জানান একাধিক শিক্ষার্থী। তবে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, টিকলী শরীফ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। কিন্তু বাকি যে দুজনকে পুলিশ আটক করেছে তাদের কখনো ছাত্রলীগের প্রোগ্রামে দেখিনি। এমনকি ছাত্রলীগের কোনো কার্যক্রমেও যুক্ত ছিল না। তবে গোপন মিটিং করেছিল কিনা জানা নেই।ছাত্রদল নেতা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেত্রী একটা গোপন মিটিং করছিল। সহপাঠীরা দেখতে পেয়ে আমাকে খবর দিলে আমি সেখানে যাই। সেই নেত্রীসহ আরও দুজনকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। সে নিয়মিত ছাত্রলীগের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে।
বাকি দুজন ছাত্রলীগ করতো কিনা প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের কমিটি ছিল না। সেজন্য চিহ্নিত করা মুশকিল। তবে টিকলী শরীফ ও বাকি দুজনের মধ্যে একজন ছাত্রলীগ করে বলে জানা গেছে।
বরিশাল বন্দর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ছাত্ররা আটক করেছে শুনেছি। পুলিশের একটি টিম সেখানে গিয়েছে। থানায় আসলে নিশ্চিত করতে পারব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সোনিয়া খান সনি বলেন, আমাকে কিছু ছাত্র খবর দেয় ছাত্রলীগকে আটক করেছে। আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। পুলিশ এসে তাদের নিয়ে গেছে।


























