১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিবচরে মাদ্রাসার শিক্ষকের ওপর হামলা ।

Reporter Name
  • Update Time : ১১:১১:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / ১৫৮ Time View

সাহাবুদ্দিন মিয়া (শিবচর প্রতিনিধি)
মাদারীপুরের শিবচরের মাদবর চর ইউনিয়নের লপ্তি কান্দি এঘটনা ঘটে , আজ দুপুরে আলি লপ্তির ছেলেকে মাদ্রাসা অভ্যন্তরীণ কোন বিষয়ে শাসন করলে ক্ষিপ্ত হয়ে অত্র মাদ্রাসার মোহতামিম হাফেজ বারী সাহেবের গায়ে হাত তোলেন আলী লপ্তি । এবিষয়ে এলাকা বাসীকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন
শিবচরের প্রতিটি মানুষ জানে ‘আলি লপ্তি’ একজন সন্ত্রাসী এবং মাদক ব্যবসায়ী। মাদবরেরচর ইউনিয়নের অসংখ্য কিশোরদের হাতে সে মাদক তুলে দিয়েছে এবং এই কিশোরদেরকে সাথে নিয়ে এলাকার মধ্যে একটা কিশোর গ্যাং তৈরি করেছে। যারা বিভিন্ন সময়ে এলাকার সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম করে। আলী লপ্তির জুলুম আর হয়রানির শিকার হয়ে এলাকার প্রতিটি মানুষ এখন ধৈর্য্যহারা।

‘মাদবরেরচর লপ্তিকান্দি গোরস্থান মাদরাসা’ আপনাদের সু-পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। হাফেজ আব্দুল বারী সাহেব দীর্ঘ ৩৬ বছর যাবত নিজের রক্ত পানি করে এই প্রতিষ্ঠান এখানে এনে দাঁড় করিয়েছেন। তাঁর ব্যক্তিত্ব, সরলতা ও আমানতদারিতার কারণে শিবচরের সর্বস্তরের মানুষ তাকে ভালোবাসে। হুজুরের প্রতি এই অগাধ ভালোবাসার টানেই এলাকার মানুষ, কাছের দূরের সবাই মাদ্রাসার যে কোন প্রয়োজনে সর্বদা পাশে থাকে।

মাদ্রাসার দিনদিন এই উন্নতি এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী আলী লপ্তির মনে লোভের জন্ম দেয়। সে গত ৭/৮ মাস যাবত লপ্তি বাড়ির ২/৩ জনকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসার দখল নেওয়ার ষড়যন্ত্র করে আসছে। মাদ্রাসার মোহতামিম সর্বজন শ্রদ্ধেয় হাফেজ আব্দুল বারী সাহেবকে উপেক্ষা করে মাদরাসার নতুন কমিটি করার পায়তারা করছে। বিভিন্ন অজুহাতে মাদ্রাসার হস্তক্ষেপ এবং মোহতামিম সাহেবের সাথে ঝামেলা করার সুযোগ খুঁজে আসছে।

সর্বশেষ আজ ১৬-০৪-২৫ বুধবার সকাল ১০ টার দিকে সামান্য ঘটনাকে (আলী লপ্তির ছেলে হাসান লপ্তি অত্র মাদরাসায় হিফজ বিভাগে পড়াশোনা করতো। দুইদিন আগে হাসানের শিক্ষক কোনো অপরাধের কারণে হাসানকে সামান্য প্রহার করে। এতে শরীরে কোনো দাগও পড়েনি) অজুহাত বানিয়ে মাদরাসায় এসে মাদ্রাসার মোহতামিম হাফেজ আব্দুল বারী সাহেবের গায়ে হাত তোলে। ছেলেদের সামনে বাবার গায়ে হাত তোলার কারণে হুজুরের দুই ছেলে আলী লপ্তিকে বাধা দেয়। এতে আলী লপ্তি আরো ক্ষীপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় হুজুরকে গালিগালাজ করে এবং হুজুরের ছেলেদের ওপর আক্রমণ করে। এমনকি আলী লপ্তির স্ত্রীও মাদরাসার মসজিদের মধ্যে এসে হুজুরদের ওপর আক্রমণ করে এবং বিভিন্ন হুমকি ধমকি দেয় । আমরা এর সুস্থ তদন্ত এবং মাদকব্যবসায়ী আলী লপ্তির বিচার চাই ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

শিবচরে মাদ্রাসার শিক্ষকের ওপর হামলা ।

Update Time : ১১:১১:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

সাহাবুদ্দিন মিয়া (শিবচর প্রতিনিধি)
মাদারীপুরের শিবচরের মাদবর চর ইউনিয়নের লপ্তি কান্দি এঘটনা ঘটে , আজ দুপুরে আলি লপ্তির ছেলেকে মাদ্রাসা অভ্যন্তরীণ কোন বিষয়ে শাসন করলে ক্ষিপ্ত হয়ে অত্র মাদ্রাসার মোহতামিম হাফেজ বারী সাহেবের গায়ে হাত তোলেন আলী লপ্তি । এবিষয়ে এলাকা বাসীকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন
শিবচরের প্রতিটি মানুষ জানে ‘আলি লপ্তি’ একজন সন্ত্রাসী এবং মাদক ব্যবসায়ী। মাদবরেরচর ইউনিয়নের অসংখ্য কিশোরদের হাতে সে মাদক তুলে দিয়েছে এবং এই কিশোরদেরকে সাথে নিয়ে এলাকার মধ্যে একটা কিশোর গ্যাং তৈরি করেছে। যারা বিভিন্ন সময়ে এলাকার সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম করে। আলী লপ্তির জুলুম আর হয়রানির শিকার হয়ে এলাকার প্রতিটি মানুষ এখন ধৈর্য্যহারা।

‘মাদবরেরচর লপ্তিকান্দি গোরস্থান মাদরাসা’ আপনাদের সু-পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। হাফেজ আব্দুল বারী সাহেব দীর্ঘ ৩৬ বছর যাবত নিজের রক্ত পানি করে এই প্রতিষ্ঠান এখানে এনে দাঁড় করিয়েছেন। তাঁর ব্যক্তিত্ব, সরলতা ও আমানতদারিতার কারণে শিবচরের সর্বস্তরের মানুষ তাকে ভালোবাসে। হুজুরের প্রতি এই অগাধ ভালোবাসার টানেই এলাকার মানুষ, কাছের দূরের সবাই মাদ্রাসার যে কোন প্রয়োজনে সর্বদা পাশে থাকে।

মাদ্রাসার দিনদিন এই উন্নতি এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী আলী লপ্তির মনে লোভের জন্ম দেয়। সে গত ৭/৮ মাস যাবত লপ্তি বাড়ির ২/৩ জনকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসার দখল নেওয়ার ষড়যন্ত্র করে আসছে। মাদ্রাসার মোহতামিম সর্বজন শ্রদ্ধেয় হাফেজ আব্দুল বারী সাহেবকে উপেক্ষা করে মাদরাসার নতুন কমিটি করার পায়তারা করছে। বিভিন্ন অজুহাতে মাদ্রাসার হস্তক্ষেপ এবং মোহতামিম সাহেবের সাথে ঝামেলা করার সুযোগ খুঁজে আসছে।

সর্বশেষ আজ ১৬-০৪-২৫ বুধবার সকাল ১০ টার দিকে সামান্য ঘটনাকে (আলী লপ্তির ছেলে হাসান লপ্তি অত্র মাদরাসায় হিফজ বিভাগে পড়াশোনা করতো। দুইদিন আগে হাসানের শিক্ষক কোনো অপরাধের কারণে হাসানকে সামান্য প্রহার করে। এতে শরীরে কোনো দাগও পড়েনি) অজুহাত বানিয়ে মাদরাসায় এসে মাদ্রাসার মোহতামিম হাফেজ আব্দুল বারী সাহেবের গায়ে হাত তোলে। ছেলেদের সামনে বাবার গায়ে হাত তোলার কারণে হুজুরের দুই ছেলে আলী লপ্তিকে বাধা দেয়। এতে আলী লপ্তি আরো ক্ষীপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় হুজুরকে গালিগালাজ করে এবং হুজুরের ছেলেদের ওপর আক্রমণ করে। এমনকি আলী লপ্তির স্ত্রীও মাদরাসার মসজিদের মধ্যে এসে হুজুরদের ওপর আক্রমণ করে এবং বিভিন্ন হুমকি ধমকি দেয় । আমরা এর সুস্থ তদন্ত এবং মাদকব্যবসায়ী আলী লপ্তির বিচার চাই ।