০৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এটিএম আজহার ভাইয়ের মুক্তি বাংলাদেশের আইনাঙ্গনের কলঙ্কের দাগ মোচন

Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / ৪০৩ Time View

 

 

মোবারক হোসাইন
ঈদগাঁও উপজেলা।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের ঘৃণ্য অপরাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে হত্যা করতেই বানোয়াট ও ডাহা মিথ্যা মামলা দিয়ে মৃত্যুদন্ড দিয়েছিল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জনপ্রিয় নেতা, দুঃসময়ের ভারপ্রাপ্ত আমীর ও বিশিষ্ট ইসলামী রাজনীতিবিদ জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামকে।

আপীল বিভাগ আইনী সব জঠিল বিষয় ও ধারা ভালোভাবে যাচাই-বাছাই ও চুলচেরা বিশ্লেষণ করে নির্দোষ, নিরপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে হাসিনার ক।ক্যাঙ্গারু কোর্ট কর্তৃক ভুলভাবে প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড থেকে আজ বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের সত্যিকার আদালত সত্য ও প্রতিষ্ঠা করে নিরিহ নির্দোষ , মজলুম জননেতা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিম আজহারুল ইসলাম খালাস দেন।
তাঁর এ রায়ের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর অপরাপর নেতৃবৃন্দ যাদেরকে অনুরূপভাবে মৃত্যদন্ডের আদেশে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল। আজ তাঁরাও নির্দোষ নিরপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। আজ জীবিত থাকলে তাঁরাও নিঃসন্দেহে বেকসুর খালাস পেতেন।এরূপ জঘন্য মিথ্যাচারের শিকার হয়েছিলেন দেশ বরেণ্য ও সেরা ব্যক্তিগণ:

 

আওয়ামীলীগ,বামপন্থী বুদ্ধিজীবি, ,ইসলাম বিরোধী শক্তি ও ভারতীয় র’ অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এসব বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনের সুতিকাগার ও অন্যতম পুরোধা, সত্য ও ন্যায়ের সিপাহ সালারদের হত্যা করে মূলতঃ বাংলাদেশের জমিন থেকে সম্পূর্ণরূপে ইসলামী আন্দোলনকে চিরতরে ধূলিসাৎ করে দিতে চেয়েছিল। তারা এটি বাস্তনায়ন করতে বহু নাটকীয় আন্দোলন,ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত মঞ্চস্থ করেছিল।
যেমন :
শাহবাগী ন’র্তকীদের হু’মকিতে যেখানে রায় বদলে যায়, সেটিকে অন্তত ‘আদালত’ বলা যায় না।
সেটি ছিল আওয়ামী লীগের ক্যাঙারু কোর্টের এজলাস, আওয়ামী লীগের টাকার গোলাম বেশ্যা মহিলা লাকী আকতার ও ইমরান এইচ সরকাররা সেসময় শাহবাগকে বানিয়েছিল এ বিচারের মূল এজলাস, এখান থেকে যা দাবী ও ঘোষণা করা হতো, সেটাই তথাকথিত মানবতা বিরোধী অপরাধ আদালত নামের ক্যাঙারু কোর্ট যা তাদের কল্পনার গল্পগুলো বাস্তবায়ন করতো। আদালত যেন পথের, ফুটপাতের একদল ন্যায় নৈতিকতাহীন অত্যন্ত খারাপ শ্রেণির রাম বাম ধরনের মানুষ নামের পশুদের মনের মর্জি মতো দাবী বাস্তবায়নের জন্য শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ব্যক্তিগত ও দলীয় কোর্ট ছিল।

বিচারকের চেয়ারে বসে যারা নীতিভ্রষ্ট এরকম জঘন্য বানোয়াট গল্পের মতো বিষয়কে বাস্তব রায়ের মাধ্যমে আদালতের গায়ে ক’ল’ঙ্ক লেপন করেছে; নিরাপরাধ নির্দোষ ও মুমিন মুত্তাকী আল্লাহ ওয়ালা সমাজের বিশ্বস্ত,নিরীহ ভালো মানুষ ও শান্তি প্রিয়, জ্ঞানী গুণী,অত্যন্ত মেধাবী নেতৃত্ব, ব্যক্তিত্ব,শিল্পোদ্যোক্তা ও দেশের জাতীয় সম্পদ, ইসলামী রাজনীতিবিদ ও দেশসেরা ব্যক্তিগণকে ফাঁ’সিতে ঝু’লিয়েছে, এরা প্রকৃতপক্ষে ৯২% জন মুসলমানের দেশে ইসলামী রাজনীতির কবর রচনা করতে চেয়েছিল, এরা ইসলামী রাজনীতিরই ফাঁসি দিয়েছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন মধ্যে দিয়ে ৫ আগষ্ট
বাংলার মাঠিতে চিরতরে তাদের নাম মুচে গেল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

এটিএম আজহার ভাইয়ের মুক্তি বাংলাদেশের আইনাঙ্গনের কলঙ্কের দাগ মোচন

Update Time : ১২:৩১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

 

 

মোবারক হোসাইন
ঈদগাঁও উপজেলা।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের ঘৃণ্য অপরাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে হত্যা করতেই বানোয়াট ও ডাহা মিথ্যা মামলা দিয়ে মৃত্যুদন্ড দিয়েছিল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জনপ্রিয় নেতা, দুঃসময়ের ভারপ্রাপ্ত আমীর ও বিশিষ্ট ইসলামী রাজনীতিবিদ জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামকে।

আপীল বিভাগ আইনী সব জঠিল বিষয় ও ধারা ভালোভাবে যাচাই-বাছাই ও চুলচেরা বিশ্লেষণ করে নির্দোষ, নিরপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে হাসিনার ক।ক্যাঙ্গারু কোর্ট কর্তৃক ভুলভাবে প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড থেকে আজ বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের সত্যিকার আদালত সত্য ও প্রতিষ্ঠা করে নিরিহ নির্দোষ , মজলুম জননেতা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিম আজহারুল ইসলাম খালাস দেন।
তাঁর এ রায়ের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর অপরাপর নেতৃবৃন্দ যাদেরকে অনুরূপভাবে মৃত্যদন্ডের আদেশে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল। আজ তাঁরাও নির্দোষ নিরপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। আজ জীবিত থাকলে তাঁরাও নিঃসন্দেহে বেকসুর খালাস পেতেন।এরূপ জঘন্য মিথ্যাচারের শিকার হয়েছিলেন দেশ বরেণ্য ও সেরা ব্যক্তিগণ:

 

আওয়ামীলীগ,বামপন্থী বুদ্ধিজীবি, ,ইসলাম বিরোধী শক্তি ও ভারতীয় র’ অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এসব বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনের সুতিকাগার ও অন্যতম পুরোধা, সত্য ও ন্যায়ের সিপাহ সালারদের হত্যা করে মূলতঃ বাংলাদেশের জমিন থেকে সম্পূর্ণরূপে ইসলামী আন্দোলনকে চিরতরে ধূলিসাৎ করে দিতে চেয়েছিল। তারা এটি বাস্তনায়ন করতে বহু নাটকীয় আন্দোলন,ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত মঞ্চস্থ করেছিল।
যেমন :
শাহবাগী ন’র্তকীদের হু’মকিতে যেখানে রায় বদলে যায়, সেটিকে অন্তত ‘আদালত’ বলা যায় না।
সেটি ছিল আওয়ামী লীগের ক্যাঙারু কোর্টের এজলাস, আওয়ামী লীগের টাকার গোলাম বেশ্যা মহিলা লাকী আকতার ও ইমরান এইচ সরকাররা সেসময় শাহবাগকে বানিয়েছিল এ বিচারের মূল এজলাস, এখান থেকে যা দাবী ও ঘোষণা করা হতো, সেটাই তথাকথিত মানবতা বিরোধী অপরাধ আদালত নামের ক্যাঙারু কোর্ট যা তাদের কল্পনার গল্পগুলো বাস্তবায়ন করতো। আদালত যেন পথের, ফুটপাতের একদল ন্যায় নৈতিকতাহীন অত্যন্ত খারাপ শ্রেণির রাম বাম ধরনের মানুষ নামের পশুদের মনের মর্জি মতো দাবী বাস্তবায়নের জন্য শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ব্যক্তিগত ও দলীয় কোর্ট ছিল।

বিচারকের চেয়ারে বসে যারা নীতিভ্রষ্ট এরকম জঘন্য বানোয়াট গল্পের মতো বিষয়কে বাস্তব রায়ের মাধ্যমে আদালতের গায়ে ক’ল’ঙ্ক লেপন করেছে; নিরাপরাধ নির্দোষ ও মুমিন মুত্তাকী আল্লাহ ওয়ালা সমাজের বিশ্বস্ত,নিরীহ ভালো মানুষ ও শান্তি প্রিয়, জ্ঞানী গুণী,অত্যন্ত মেধাবী নেতৃত্ব, ব্যক্তিত্ব,শিল্পোদ্যোক্তা ও দেশের জাতীয় সম্পদ, ইসলামী রাজনীতিবিদ ও দেশসেরা ব্যক্তিগণকে ফাঁ’সিতে ঝু’লিয়েছে, এরা প্রকৃতপক্ষে ৯২% জন মুসলমানের দেশে ইসলামী রাজনীতির কবর রচনা করতে চেয়েছিল, এরা ইসলামী রাজনীতিরই ফাঁসি দিয়েছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন মধ্যে দিয়ে ৫ আগষ্ট
বাংলার মাঠিতে চিরতরে তাদের নাম মুচে গেল।