০১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যালয়ে মোবাইল ও মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ: মহেশপুরে ইউএনও’র কঠোর নির্দেশনা,

Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৬:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • / ৪৯৩ Time View

 

মোঃ রমজান আলীঃ ঝিনাইদহ

 

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ও মোটরসাইকেল নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার।

সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অনিয়ম এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার লক্ষ্য করে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান ইউএনও।

তিনি বলেন—

“বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মূল দায়িত্ব হল পড়ালেখা। মোবাইল ও মোটরসাইকেল শিক্ষার পরিবেশকে ব্যাহত করে, তাই এখন থেকে কোনো শিক্ষার্থী এসব নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।”

এই নির্দেশনার আলোকে উপজেলার সব স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে অভিভাবকদের সাথেও আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

শিক্ষা-পরিবেশ রক্ষায় এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন শিক্ষক-অভিভাবক মহল। তারা মনে করছেন, এটি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়াতে এবং মূল্যবোধ গঠনে সহায়ক হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

বিদ্যালয়ে মোবাইল ও মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ: মহেশপুরে ইউএনও’র কঠোর নির্দেশনা,

Update Time : ১০:৩৬:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

 

মোঃ রমজান আলীঃ ঝিনাইদহ

 

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ও মোটরসাইকেল নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার।

সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অনিয়ম এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার লক্ষ্য করে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান ইউএনও।

তিনি বলেন—

“বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মূল দায়িত্ব হল পড়ালেখা। মোবাইল ও মোটরসাইকেল শিক্ষার পরিবেশকে ব্যাহত করে, তাই এখন থেকে কোনো শিক্ষার্থী এসব নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।”

এই নির্দেশনার আলোকে উপজেলার সব স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে অভিভাবকদের সাথেও আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

শিক্ষা-পরিবেশ রক্ষায় এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন শিক্ষক-অভিভাবক মহল। তারা মনে করছেন, এটি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়াতে এবং মূল্যবোধ গঠনে সহায়ক হবে।