০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে প্রকৃত ঘটনাকে বিতর্কিত করে সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদে বক্তব্য

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৭৯ Time View

 

মাহাবুর রহমান, কেশনপুর (যশোর)

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেশাজীবি বিভাগের সভাপতি এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিতর্কিত করে সংবাদ পরিবেশনের জের ধরে ব্যপক সমালোচনা শুরু হয়। কিন্তু এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমানের আসল ঘটনা প্রকাশ না করে বক্তব্য কাটিং করে কিছু বক্তব্য সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয় যা সম্পন্ন ভাবে মিথ্যা ভিত্তিহীন। এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান বলেন আসল ঘটনা প্রকাশ না করে কিছু অংশ প্রকাশ করা হয়। মূল ঘটনা হলো, ০৪/০৮/২৫ ইং তারিখ সোমবার আনুমানিক সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে একটি মামলার বিষয়ে কেশবপুর থানার ইনচার্জ জনাব আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে যাই।

আমার সাথে ছিলেন ৩নং মজিদপুর ইউনিয়ন বি,এন,পির সেক্রেটারী ইব্রাহিম হোসেন এবং বি.এন.পি নেতা বাগদহা গ্রামের আবু সাঈদ ভাই। থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব আনোয়ার হোসেনের সহিত আলাপ আলোচনা শেষে আনুমানিক রাত ৯.০০ টায় বেবিয়ে আসার সময় থানার বারান্দায় দেখতে পাই কেশবপুর ছাত্র দলের সভাপতি মোঃ আজিজুর রহমান তার সঙ্গে থাকা ১৫/২০ জন যুবক ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের ছাত্রনেতারা দুইজন যুবক কে এ্যাটাক করেছে এবং ওই দুজন যুবককে মারপিট কবিরার জন্য উদ্যত হইতেছে। পরে তাদের নাম জনতে পারি একজনের নাম ফারুক অপরজনের নাম রাজিব। ছাত্রদলের নেতারা বলছেন রাজিব ছাত্রলীগ এবং সে নাকি তাদের অনেক অত্যাচার করেছে। ফারুক ৮নং ইউনিয়ানের ৭নং ওয়ার্ডের যুবজামায়াতের সেক্রেটারী। আমাকে দেখে ওই দু যুবক তাদের বিপদ থেকে আশ্রয় চায় এবং আমার পিছনে যেয়ে বলে আমাদের একটু বাঁচিয়ে দেন বলিয়া কাকুতি-মিনতি করে। মানবিক কারণে আমি দু যুবককে আমার পিছনে আগলে রেখে ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের বুঝানোর চেষ্টা করি, কিন্তু উত্তোজিত ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের নিবৃত করা আমার একারপক্ষে সম্ভব হচ্ছেনা। ইতিমধ্যে চেচা-মেচির আওয়াজ শুনে কেশপুর থানার এস, আই মকলেসুর রহমান ঘটনা স্থলে হাজির হন। আমি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মুভমেন্ট ঘোরানোর জন্য কৌশলগত কারণে যুবক দুজনকে বাঁচনোর জন্য এস,আই মকলেসুর ভাইকে দায়িত্বশীলতার সহিত একটু বকা-ঝকা করি যাতে ছেলে দুইটা উদ্ধার করতে পারি এবং থানা অভ্যান্তরে কোন প্রকার মব সৃষ্টি না হয়। মকলেসুর ভাইয়ের সহিত একটু বকা-ঝকা অর্থাৎ একটু উচ্চস্বরে কথা বলারপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শান্ত হয় এবং তাহারা আমার প্রতি সম্মন দেখিয়ে প্রকাশ করে যে, ওজিয়ার ভাইয়ের কারণে আজকে তুই বেঁচে গেলি এবং বলে যা বাড়ী যেয়ে নফল নামাজ পড়। আমি দু যুবকের কাকুতি মিনতির কারনে মানবিক এবং মানবতার কারণে মব সৃষ্টি হতে না পারে এ জন্য এস,আই মকলেসুর রহমানের প্রতি একটু উত্তেজিত হয়েছি যা কোন প্রকার হুমকি ধামকি না বরং এটা ছিল তাৎক্ষনিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য একটি কৌশল মাত্র। পুলিশ প্রশাসনের সহিত আমার সম্পর্কের কোন অবনতি হয়নি। আশা করি সকলে প্রকৃত ব্যাপারটি উপলব্ধি করবেন।

উক্ত ঘটনা নিয়ে ফারুক ও রাজিবের কাছে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, ঘটনা সত্য এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান না থাকলে ওরা আমাদের মেরে আহত করতো ভাইয়ের জন্য আমার নিরাপত্তায় ছিলাম। সমাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এবং কিছু পত্রিকায় যেটা নিউজ হয়েছে সে গুলো মিথ্যা দলীয় ভাবে হেনস্তা করার জন্য এই ঘটনা ঘটানো হয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে প্রকৃত ঘটনাকে বিতর্কিত করে সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদে বক্তব্য

Update Time : ০৯:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

 

মাহাবুর রহমান, কেশনপুর (যশোর)

 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেশাজীবি বিভাগের সভাপতি এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিতর্কিত করে সংবাদ পরিবেশনের জের ধরে ব্যপক সমালোচনা শুরু হয়। কিন্তু এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমানের আসল ঘটনা প্রকাশ না করে বক্তব্য কাটিং করে কিছু বক্তব্য সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয় যা সম্পন্ন ভাবে মিথ্যা ভিত্তিহীন। এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান বলেন আসল ঘটনা প্রকাশ না করে কিছু অংশ প্রকাশ করা হয়। মূল ঘটনা হলো, ০৪/০৮/২৫ ইং তারিখ সোমবার আনুমানিক সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে একটি মামলার বিষয়ে কেশবপুর থানার ইনচার্জ জনাব আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে যাই।

আমার সাথে ছিলেন ৩নং মজিদপুর ইউনিয়ন বি,এন,পির সেক্রেটারী ইব্রাহিম হোসেন এবং বি.এন.পি নেতা বাগদহা গ্রামের আবু সাঈদ ভাই। থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব আনোয়ার হোসেনের সহিত আলাপ আলোচনা শেষে আনুমানিক রাত ৯.০০ টায় বেবিয়ে আসার সময় থানার বারান্দায় দেখতে পাই কেশবপুর ছাত্র দলের সভাপতি মোঃ আজিজুর রহমান তার সঙ্গে থাকা ১৫/২০ জন যুবক ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের ছাত্রনেতারা দুইজন যুবক কে এ্যাটাক করেছে এবং ওই দুজন যুবককে মারপিট কবিরার জন্য উদ্যত হইতেছে। পরে তাদের নাম জনতে পারি একজনের নাম ফারুক অপরজনের নাম রাজিব। ছাত্রদলের নেতারা বলছেন রাজিব ছাত্রলীগ এবং সে নাকি তাদের অনেক অত্যাচার করেছে। ফারুক ৮নং ইউনিয়ানের ৭নং ওয়ার্ডের যুবজামায়াতের সেক্রেটারী। আমাকে দেখে ওই দু যুবক তাদের বিপদ থেকে আশ্রয় চায় এবং আমার পিছনে যেয়ে বলে আমাদের একটু বাঁচিয়ে দেন বলিয়া কাকুতি-মিনতি করে। মানবিক কারণে আমি দু যুবককে আমার পিছনে আগলে রেখে ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের বুঝানোর চেষ্টা করি, কিন্তু উত্তোজিত ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের নিবৃত করা আমার একারপক্ষে সম্ভব হচ্ছেনা। ইতিমধ্যে চেচা-মেচির আওয়াজ শুনে কেশপুর থানার এস, আই মকলেসুর রহমান ঘটনা স্থলে হাজির হন। আমি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মুভমেন্ট ঘোরানোর জন্য কৌশলগত কারণে যুবক দুজনকে বাঁচনোর জন্য এস,আই মকলেসুর ভাইকে দায়িত্বশীলতার সহিত একটু বকা-ঝকা করি যাতে ছেলে দুইটা উদ্ধার করতে পারি এবং থানা অভ্যান্তরে কোন প্রকার মব সৃষ্টি না হয়। মকলেসুর ভাইয়ের সহিত একটু বকা-ঝকা অর্থাৎ একটু উচ্চস্বরে কথা বলারপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শান্ত হয় এবং তাহারা আমার প্রতি সম্মন দেখিয়ে প্রকাশ করে যে, ওজিয়ার ভাইয়ের কারণে আজকে তুই বেঁচে গেলি এবং বলে যা বাড়ী যেয়ে নফল নামাজ পড়। আমি দু যুবকের কাকুতি মিনতির কারনে মানবিক এবং মানবতার কারণে মব সৃষ্টি হতে না পারে এ জন্য এস,আই মকলেসুর রহমানের প্রতি একটু উত্তেজিত হয়েছি যা কোন প্রকার হুমকি ধামকি না বরং এটা ছিল তাৎক্ষনিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য একটি কৌশল মাত্র। পুলিশ প্রশাসনের সহিত আমার সম্পর্কের কোন অবনতি হয়নি। আশা করি সকলে প্রকৃত ব্যাপারটি উপলব্ধি করবেন।

উক্ত ঘটনা নিয়ে ফারুক ও রাজিবের কাছে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, ঘটনা সত্য এ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান না থাকলে ওরা আমাদের মেরে আহত করতো ভাইয়ের জন্য আমার নিরাপত্তায় ছিলাম। সমাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এবং কিছু পত্রিকায় যেটা নিউজ হয়েছে সে গুলো মিথ্যা দলীয় ভাবে হেনস্তা করার জন্য এই ঘটনা ঘটানো হয়।