০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্যামনগরে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ৪ জন কে পিটিয়ে হাসপাতালে, মামলা নিতে পুলিশের তালবাহানা।

Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫
  • / ১৪২ Time View

 

মোঃ বাবুল আক্তার (ক্রাইম রিপোর্টার)

 

মাদক সেবনকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কারণে ৪ জন কে পিটিয়ে হাসপাতালের পাঠিয়েছে সন্ত্রাসীরা । ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার আজাদনগর ইউনিয়নের নৈকাটি গ্রামে।

এলাকাবাসী ও এজাহার সুত্রে জানা যায় নৈকাটি গ্রামের ১। মোঃ জহুর আলী গাজী (৫৫), পিতা- মৃত মোমিন গাজী, ২। মোঃ শাহিন হোসেন (২৫), পিতা- মোঃ মিজানুর রহমান, উভয় সাং- নৈকাটি, ৩। মোঃ মাছুম বিল্লাহ (২৬), পিতা- ছবুর মোড়ল, সাং- গাড়াখালী, ৪। মোঃ বাবু হোসেন (৩২), পিতা- মোঃ মুনছুর আলী, সাং- মাঝের আটি, ৫। মোঃ মাছুদ সরদার (৩০), পিতা- রুহুল আমীন, ৬। মোঃ আলামিন সরদার (২১), পিতা- মোঃ রফিকুল সরদার, ৭। মোঃ মহাসিন বাবু (২৫), ৮। মোঃ সবুজ হোসেন (২২), উভয় পিতা-জহুর আলী গাজী, ৯। মোঃ হাবিবুর রহমান (৩৮), পিতা- মোঃ আনছার সরদার, ১০। আব্দুর রহিম (২২), পিতা- আমিনুর রহমান, সর্বসাং-নৈকাটি, ১১। মোঃ আজগার আলী (৩০), পিতা- মৃত কওছার সরদার, সাং- গাড়াখালী, সর্ব থানা- শ্যামনগর, জেলা- সাতক্ষীরা সহ অজ্ঞাতনামা ভাড়াটিয়া ৪/৫ জন মিলে মাদক সেবন সহ বিক্রি করে আসছিল।

মাদক সেবনকারীরা ইত:পূর্বে একাধিক মাদক মামলার আসামি হিসাবে জেল হাজত খাটিয়া জামিনে বাইরে আসে এ বের হয়ে এসে আগের চেয়ে বেশি মাত্রায় মাদকের ছড়াছড়ি বৃদ্ধি করে।সন্তাসীদের চরিত্র পরিবর্তন না হওয়ায় পূর্বের ন্যায় এলাকার যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঢেলে দিচ্ছে। সকল কাজের মূল হোতা/প্রশ্রয়দাতা হিসেবে কাজ করে অসামাজিক কার্যকলাপ এর প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসীরা ভিকটিম ও ভিকটিম এর পরিবারের সদস্যদের মারপিট ও খুন যখম করে এবং হুমকি প্রদান করে আসে।

গত ২২/০৭/২৫ আনুমানিক ৬ ঘটিকার সময় উল্লেখ্য সন্ত্রাসী বাহিনী ও ৪/৫ জন অজ্ঞত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের যোগসাজশে হাতে ধারালো দা, জিআই পাইপ, বাঁশের লাঠি সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতভাবে জনক নাসির উদ্দিনের বাড়িতে প্রবেশ করে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ গালিগালাজ করতে থাকে ।ভিকটিম নিষেধ করলে সন্ত্রাসীরা হুকুম দিয়ে বলে ওকে জীবনের তরে শেষ করে দে এমন নির্দেশ সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে সজোরে ভিকটিমের মাথায় আঘাত করে মাথা ফেটে গুরুতর জখম হয়। ভিকটিম জানায় আসামির হাতে থাকা শাবল দিয়ে আমার হাটুর উপর আঘাত করে সাথে সাথে সেখানে কালো দাগ হয়ে যায়। আমার ভাই ঠেকাতে আসিলে আমার ভাইয়ের মাথায় ধারালো দাঁ দিয়ে আঘাত করে এবং তাকে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়ার জন্য উক্ত সন্ত্রাসীরা শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জিআই পাইপ ও বাসের লাঠি দিয়ে আঘাত করে।

এ ঘটনা দেখে আমার চাচাতো ভাই মিলন হোসেন ঠেকাতে আসিলে তাকেও গুরুতর আহত করে। এক পর্যায়ে টেনে হিঁচড়ে গেটের বাইরে নিয়ে আমাদের মারতে থাকলে আমার স্ত্রী মোছাম্মৎ মরিয়ম বেগম ছুটে আসলে তার মাথা বরাবর লোহার রড দিয়ে আঘাত করে এবং তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে জি আই পাইপ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারতে থাকে । আমি চিৎকার চেঁচামেচি করলে আমাকে শ্বাস রোধ করে হত্যার চেষ্টা করে।

আমাদের চেঁচামেচি শুনে এলাকার লোকজন উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। উক্ত বিষয়ে শ্যামনগর থানার ওসি শ্যামনগর থানার ওসি হুমায়ূন কবির জানান, বিষয়টি আমলে নেওয়া হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

শ্যামনগরে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ৪ জন কে পিটিয়ে হাসপাতালে, মামলা নিতে পুলিশের তালবাহানা।

Update Time : ০১:০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

 

মোঃ বাবুল আক্তার (ক্রাইম রিপোর্টার)

 

মাদক সেবনকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কারণে ৪ জন কে পিটিয়ে হাসপাতালের পাঠিয়েছে সন্ত্রাসীরা । ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার আজাদনগর ইউনিয়নের নৈকাটি গ্রামে।

এলাকাবাসী ও এজাহার সুত্রে জানা যায় নৈকাটি গ্রামের ১। মোঃ জহুর আলী গাজী (৫৫), পিতা- মৃত মোমিন গাজী, ২। মোঃ শাহিন হোসেন (২৫), পিতা- মোঃ মিজানুর রহমান, উভয় সাং- নৈকাটি, ৩। মোঃ মাছুম বিল্লাহ (২৬), পিতা- ছবুর মোড়ল, সাং- গাড়াখালী, ৪। মোঃ বাবু হোসেন (৩২), পিতা- মোঃ মুনছুর আলী, সাং- মাঝের আটি, ৫। মোঃ মাছুদ সরদার (৩০), পিতা- রুহুল আমীন, ৬। মোঃ আলামিন সরদার (২১), পিতা- মোঃ রফিকুল সরদার, ৭। মোঃ মহাসিন বাবু (২৫), ৮। মোঃ সবুজ হোসেন (২২), উভয় পিতা-জহুর আলী গাজী, ৯। মোঃ হাবিবুর রহমান (৩৮), পিতা- মোঃ আনছার সরদার, ১০। আব্দুর রহিম (২২), পিতা- আমিনুর রহমান, সর্বসাং-নৈকাটি, ১১। মোঃ আজগার আলী (৩০), পিতা- মৃত কওছার সরদার, সাং- গাড়াখালী, সর্ব থানা- শ্যামনগর, জেলা- সাতক্ষীরা সহ অজ্ঞাতনামা ভাড়াটিয়া ৪/৫ জন মিলে মাদক সেবন সহ বিক্রি করে আসছিল।

মাদক সেবনকারীরা ইত:পূর্বে একাধিক মাদক মামলার আসামি হিসাবে জেল হাজত খাটিয়া জামিনে বাইরে আসে এ বের হয়ে এসে আগের চেয়ে বেশি মাত্রায় মাদকের ছড়াছড়ি বৃদ্ধি করে।সন্তাসীদের চরিত্র পরিবর্তন না হওয়ায় পূর্বের ন্যায় এলাকার যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঢেলে দিচ্ছে। সকল কাজের মূল হোতা/প্রশ্রয়দাতা হিসেবে কাজ করে অসামাজিক কার্যকলাপ এর প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসীরা ভিকটিম ও ভিকটিম এর পরিবারের সদস্যদের মারপিট ও খুন যখম করে এবং হুমকি প্রদান করে আসে।

গত ২২/০৭/২৫ আনুমানিক ৬ ঘটিকার সময় উল্লেখ্য সন্ত্রাসী বাহিনী ও ৪/৫ জন অজ্ঞত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের যোগসাজশে হাতে ধারালো দা, জিআই পাইপ, বাঁশের লাঠি সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতভাবে জনক নাসির উদ্দিনের বাড়িতে প্রবেশ করে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ গালিগালাজ করতে থাকে ।ভিকটিম নিষেধ করলে সন্ত্রাসীরা হুকুম দিয়ে বলে ওকে জীবনের তরে শেষ করে দে এমন নির্দেশ সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে সজোরে ভিকটিমের মাথায় আঘাত করে মাথা ফেটে গুরুতর জখম হয়। ভিকটিম জানায় আসামির হাতে থাকা শাবল দিয়ে আমার হাটুর উপর আঘাত করে সাথে সাথে সেখানে কালো দাগ হয়ে যায়। আমার ভাই ঠেকাতে আসিলে আমার ভাইয়ের মাথায় ধারালো দাঁ দিয়ে আঘাত করে এবং তাকে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়ার জন্য উক্ত সন্ত্রাসীরা শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জিআই পাইপ ও বাসের লাঠি দিয়ে আঘাত করে।

এ ঘটনা দেখে আমার চাচাতো ভাই মিলন হোসেন ঠেকাতে আসিলে তাকেও গুরুতর আহত করে। এক পর্যায়ে টেনে হিঁচড়ে গেটের বাইরে নিয়ে আমাদের মারতে থাকলে আমার স্ত্রী মোছাম্মৎ মরিয়ম বেগম ছুটে আসলে তার মাথা বরাবর লোহার রড দিয়ে আঘাত করে এবং তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে জি আই পাইপ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারতে থাকে । আমি চিৎকার চেঁচামেচি করলে আমাকে শ্বাস রোধ করে হত্যার চেষ্টা করে।

আমাদের চেঁচামেচি শুনে এলাকার লোকজন উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। উক্ত বিষয়ে শ্যামনগর থানার ওসি শ্যামনগর থানার ওসি হুমায়ূন কবির জানান, বিষয়টি আমলে নেওয়া হবে।