০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে ইউনিয়ন পরিষদে তালা মারা কেন্দ্র করে আহত ১৪ জন

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ১৯৬ Time View

 

মাহাবুর রহমান, কেশবপুর – (যশোর)

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ০৫ই আগষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর কেশবপুর উপজেলার ০২নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত (কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক) উক্ত পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। অদ্য-১২/০২/২৫খ্রিঃ সকাল ১১:২০ ঘটিকার সময় স্থানীয় পরিষদে চেয়ারম্যানের রুমে তালা মেরে দেন স্থানীয় বিএনপির সভাপতি আকরামের হোসেন কর্মীরা। এই ঘটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয় ১৪ জন।
ঘটনা স্থানে গিয়ে জানা যায় বুধবার সকালে স্থানীয় বিএনপির সমর্থন নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সাধারণ জনগণ একত্রিত হয়ে ২ নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী মোস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত রুমে তালা মেরে দেন।
তালা মারার জের ধরে কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কাজী মোস্তাফিজুর রহমান মুক্ত সমর্থন নেতা কর্মীরা দলবদ্ধ হয়ে চেয়ারম্যানের রুমের তালা ভেঙ্গে ফেলেন। তালা মারা এবং ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান গ্রুপ ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতা কর্মীদের মধ্যে দেশ-ও অস্ত্র , হাতুড়ি, লাঠি, কাঠ, চলা দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনা স্থানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এসময় বিএনপি আহত হয়েছে ৭ জন তার মধ্যে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আবু সাঈদ,ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আকরাম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, ছাত্র দলের সাদ্দাম,আকাশ, নাঈম, সাগর, নাঈম, রনি, যশোর জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি মোঃ মঞ্জু হসেন। উল্লেখ্য আকাশ, রকি, ইউনুস হোসেন, আবু সাঈদ,সাগর, নাইম রনি, কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি আছে তাদের শারিরীক অবস্থা শঙ্কামুক্ত।

অন্যদিকে চেয়ারম্যান গ্রুপের আহত হন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের আপন ভাই কাজী মাজাহারুল ইসলাম সোনা, উপজেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতি কাজী মোজাহিদুল ইসলাম পান্না,উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক কাজী আজহারুল ইসলাম মানিক, ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ সবুর হসেন , গোলাম মোস্তফা সানা, শাহাদাৎ হোসেন আহত হন । উল্লেখ কাজী মুজাহিদুল ইসলাম পান্না,কাজী মাজহারুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে তাদের শারিরীক অবস্থা শঙ্কামুক্ত।

ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন,কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন মনিরামপুর উপজেলার সর্কেল অফিসার ইমদাদুল হক সহ কেশবপুর থানা পুলিশ।
পরবর্তীতে কেশবপুর থানা পুলিশ ও সেনাক্যাম্পের সদস্যদের উপস্থিতিতে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উক্ত পরিষদে নতুন করে তালা মেরে দেন। বর্তমানে পরিষদে চিংড়াবাজার ক্যাম্পের পুলিশ সহ গ্রাম পুলিশ নিয়োজিত আছে

কেশবপুর থানার ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, এখনো পযন্ত দুই গ্রপের কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি,অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কেশবপুরে ইউনিয়ন পরিষদে তালা মারা কেন্দ্র করে আহত ১৪ জন

Update Time : ০৮:৩৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

মাহাবুর রহমান, কেশবপুর – (যশোর)

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ০৫ই আগষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর কেশবপুর উপজেলার ০২নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত (কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক) উক্ত পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। অদ্য-১২/০২/২৫খ্রিঃ সকাল ১১:২০ ঘটিকার সময় স্থানীয় পরিষদে চেয়ারম্যানের রুমে তালা মেরে দেন স্থানীয় বিএনপির সভাপতি আকরামের হোসেন কর্মীরা। এই ঘটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয় ১৪ জন।
ঘটনা স্থানে গিয়ে জানা যায় বুধবার সকালে স্থানীয় বিএনপির সমর্থন নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সাধারণ জনগণ একত্রিত হয়ে ২ নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী মোস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত রুমে তালা মেরে দেন।
তালা মারার জের ধরে কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কাজী মোস্তাফিজুর রহমান মুক্ত সমর্থন নেতা কর্মীরা দলবদ্ধ হয়ে চেয়ারম্যানের রুমের তালা ভেঙ্গে ফেলেন। তালা মারা এবং ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান গ্রুপ ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতা কর্মীদের মধ্যে দেশ-ও অস্ত্র , হাতুড়ি, লাঠি, কাঠ, চলা দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনা স্থানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এসময় বিএনপি আহত হয়েছে ৭ জন তার মধ্যে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আবু সাঈদ,ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আকরাম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, ছাত্র দলের সাদ্দাম,আকাশ, নাঈম, সাগর, নাঈম, রনি, যশোর জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি মোঃ মঞ্জু হসেন। উল্লেখ্য আকাশ, রকি, ইউনুস হোসেন, আবু সাঈদ,সাগর, নাইম রনি, কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি আছে তাদের শারিরীক অবস্থা শঙ্কামুক্ত।

অন্যদিকে চেয়ারম্যান গ্রুপের আহত হন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের আপন ভাই কাজী মাজাহারুল ইসলাম সোনা, উপজেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতি কাজী মোজাহিদুল ইসলাম পান্না,উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক কাজী আজহারুল ইসলাম মানিক, ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ সবুর হসেন , গোলাম মোস্তফা সানা, শাহাদাৎ হোসেন আহত হন । উল্লেখ কাজী মুজাহিদুল ইসলাম পান্না,কাজী মাজহারুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে তাদের শারিরীক অবস্থা শঙ্কামুক্ত।

ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন,কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন মনিরামপুর উপজেলার সর্কেল অফিসার ইমদাদুল হক সহ কেশবপুর থানা পুলিশ।
পরবর্তীতে কেশবপুর থানা পুলিশ ও সেনাক্যাম্পের সদস্যদের উপস্থিতিতে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উক্ত পরিষদে নতুন করে তালা মেরে দেন। বর্তমানে পরিষদে চিংড়াবাজার ক্যাম্পের পুলিশ সহ গ্রাম পুলিশ নিয়োজিত আছে

কেশবপুর থানার ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, এখনো পযন্ত দুই গ্রপের কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি,অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।