০৫:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“গোয়াল থেকে গরু ও মাদ্রাসা থেকে ফ্যান লুট, আতঙ্কে এলাকাবাসী”

Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৭১ Time View

 

মোবারক হোসাইন, ঈদগাঁও প্রতিনিধী:

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নের নতুন মহাল মাঝের পাড়া
হালাপুতু ও ছৈয়দ আলম (প্রকাশ আসু মাঝি) এর বাড়ি থেকে ৬টি গরু ও নতুন মহাল রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৮টি বৈদ্যুতিক পাখা চুরির ঘটনা ঘটেছে। উক্ত ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে!

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতের অন্ধকারে চোরেরা বাড়ির আঙ্গিনায় প্রবেশ করে ৬টি গরু নিয়ে যায়। এবং রহমানিয়া মাদ্রাসার ক্লাস রুমে ঢুকে ৮টি বৈদ্যুতিক পাখা নিয়ে যায় চুরের দল। সকালে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালে গরু শূণ্যতা ও মাদ্রাসায় ক্লাসরুমের পাখা দেখতে না পাওয়ায় গৃহস্থালীর মালিক ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আঁতকে ওঠে।

ঘটনার পর স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, কয়েকদিন ধরে এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে। কিন্তু এখনো চোর চক্রের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে চিহ্নিতপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ফলে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গ মেম্বার ও চেয়ারম্যান সহ স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন- “প্রশাসন চাইলে আমরা নিরাপদে বসবাস করতে পারব,অন্যতায় আমাদের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা আশঙ্কায় আছি।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন বলেন- সম্প্রতি এলাকায় মাদকসেবি ও কারবারিদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে, তাদের কারণে আমরা এখন নিজের ঘরেও অনিরাপদবোধ করি।

এলাকাবাসীর দাবি- তারা চোর ও মাদকমুক্ত সমাজ চায়।
এ বিষয়ে তারা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

“গোয়াল থেকে গরু ও মাদ্রাসা থেকে ফ্যান লুট, আতঙ্কে এলাকাবাসী”

Update Time : ০১:৫১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

মোবারক হোসাইন, ঈদগাঁও প্রতিনিধী:

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নের নতুন মহাল মাঝের পাড়া
হালাপুতু ও ছৈয়দ আলম (প্রকাশ আসু মাঝি) এর বাড়ি থেকে ৬টি গরু ও নতুন মহাল রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৮টি বৈদ্যুতিক পাখা চুরির ঘটনা ঘটেছে। উক্ত ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে!

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতের অন্ধকারে চোরেরা বাড়ির আঙ্গিনায় প্রবেশ করে ৬টি গরু নিয়ে যায়। এবং রহমানিয়া মাদ্রাসার ক্লাস রুমে ঢুকে ৮টি বৈদ্যুতিক পাখা নিয়ে যায় চুরের দল। সকালে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালে গরু শূণ্যতা ও মাদ্রাসায় ক্লাসরুমের পাখা দেখতে না পাওয়ায় গৃহস্থালীর মালিক ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আঁতকে ওঠে।

ঘটনার পর স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, কয়েকদিন ধরে এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটছে। কিন্তু এখনো চোর চক্রের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে চিহ্নিতপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ফলে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গ মেম্বার ও চেয়ারম্যান সহ স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন- “প্রশাসন চাইলে আমরা নিরাপদে বসবাস করতে পারব,অন্যতায় আমাদের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা আশঙ্কায় আছি।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন বলেন- সম্প্রতি এলাকায় মাদকসেবি ও কারবারিদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে, তাদের কারণে আমরা এখন নিজের ঘরেও অনিরাপদবোধ করি।

এলাকাবাসীর দাবি- তারা চোর ও মাদকমুক্ত সমাজ চায়।
এ বিষয়ে তারা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।