১০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নড়াইলের বিছালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তারুণ্যের পিঠাউৎসব অনুষ্ঠিত

Reporter Name
  • Update Time : ০৪:১০:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৬৮ Time View

 

মিনারুজ্জামান মিরন

নড়াইল সদর উপজেলার বিছালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তারুণ্যের মেলা পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারী) বিদ্যালয়ের চত্বরে দিনব্যাপী পিঠাউৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সকালে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন-অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আব্দুর রশীদ মোল্লা সভাপতি বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি নড়াইল সদর উপজেলা শাখা।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন-বিছালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মারুফ হোসেন মোল্লা।এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন
সহকারী শিক্ষক মফিজুর রহমান মোল্লা সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ছাত্র ছাত্রী ও বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষ।

পিঠাউৎসবে রয়েছে মোট-৬ টি স্টল। এসব স্টলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি দৃষ্টিনন্দন নকশা আর ভিন্ন স্বাদের হরেক রকম পিঠাপুলি দৃশ্যমান ছিল। শত শত মানুষের মিলনমেলায় পিঠাউৎসব জমজমাট হয়ে উঠে।

দৃষ্টিনন্দন নকশাখচিত পিঠাপুলির মধ্যে ছিল-চিতই পিঠা, কুলি পিঠা, ভাপা পিঠা, দুধকুলি, ধুপি পিঠা, হাত আনদোসা, রসপাকান, খড়েপাকান, ফুলপাকান, পদ্মপাকান, ঝুনঝুনিপাকান, ভাজা পিঠা, তকতি পিঠা, নকশা পিঠা, সিরিঞ্জ পিঠা, জজি পিঠা, আদিপাকান, আপেল পিঠা, নাড়– পিঠা, খেজুর পিঠা, দুধরুটি, লাভ পিঠা, ডিম পিঠা, নারকেলের চিড়া, দুধচিতই, পাতা পিঠা, ফুল পিঠা, ত্রিভুজ পিঠা, গোপাল পিঠা, তারা পিঠা, পাটিসাপ্টা, পুলি পিঠা, দুধপুলি, জিলাপি পিঠা, ধুনেপাতা চিতই, গোলাপ পিঠা, সেমাই পিঠাসহ অর্ধশতাধিক পিঠার সমাহার।

বিদ্যালয়টি ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর ভালো পড়ালেখার পাশাপাশি বার্ষিক ক্রীড়া, শিক্ষা সফরসহ বিভিন্ন জাতীয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় দিবস পালন করে আসছে। এবছর নতুন করে যোগ হয়েছে পিঠা উৎসব।

বিছালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মারুফ হোসেন মোল্যা বলেন, আগের দিনে গ্রামগঞ্জে হরেক রকম পিঠা তৈরি হতো। যান্ত্রিকতার যাতাকলে অবাহমান বাঙলা থেকে পিঠার আয়োজন কিছুট হলেও কমে গেছে। বিশেষ করে এ প্রজন্মের কাছে পিঠার আদি ঐহিত্য ছড়িয়ে দিতে প্রথমবারের মতো পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছি। আগামিতেও আমাদের এই আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

প্রধান অতিথি তার বক্তৃতাকালে বলেন বাঙালির হাজারো বছরের ইতিহাস-ঐহিত্যের স্মারক পিঠাপুলির আয়োজন। আবহমান বাংলার এই ঐহিত্য সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আজকের দিনটি একেবারে অন্যরকম।শত শত মানুষের মিলনমেলার দিন এটি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নড়াইলের বিছালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তারুণ্যের পিঠাউৎসব অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৪:১০:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

মিনারুজ্জামান মিরন

নড়াইল সদর উপজেলার বিছালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তারুণ্যের মেলা পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারী) বিদ্যালয়ের চত্বরে দিনব্যাপী পিঠাউৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সকালে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন-অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আব্দুর রশীদ মোল্লা সভাপতি বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি নড়াইল সদর উপজেলা শাখা।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন-বিছালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মারুফ হোসেন মোল্লা।এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন
সহকারী শিক্ষক মফিজুর রহমান মোল্লা সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ছাত্র ছাত্রী ও বিভিন্ন শ্রেণীর পেশার মানুষ।

পিঠাউৎসবে রয়েছে মোট-৬ টি স্টল। এসব স্টলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি দৃষ্টিনন্দন নকশা আর ভিন্ন স্বাদের হরেক রকম পিঠাপুলি দৃশ্যমান ছিল। শত শত মানুষের মিলনমেলায় পিঠাউৎসব জমজমাট হয়ে উঠে।

দৃষ্টিনন্দন নকশাখচিত পিঠাপুলির মধ্যে ছিল-চিতই পিঠা, কুলি পিঠা, ভাপা পিঠা, দুধকুলি, ধুপি পিঠা, হাত আনদোসা, রসপাকান, খড়েপাকান, ফুলপাকান, পদ্মপাকান, ঝুনঝুনিপাকান, ভাজা পিঠা, তকতি পিঠা, নকশা পিঠা, সিরিঞ্জ পিঠা, জজি পিঠা, আদিপাকান, আপেল পিঠা, নাড়– পিঠা, খেজুর পিঠা, দুধরুটি, লাভ পিঠা, ডিম পিঠা, নারকেলের চিড়া, দুধচিতই, পাতা পিঠা, ফুল পিঠা, ত্রিভুজ পিঠা, গোপাল পিঠা, তারা পিঠা, পাটিসাপ্টা, পুলি পিঠা, দুধপুলি, জিলাপি পিঠা, ধুনেপাতা চিতই, গোলাপ পিঠা, সেমাই পিঠাসহ অর্ধশতাধিক পিঠার সমাহার।

বিদ্যালয়টি ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর ভালো পড়ালেখার পাশাপাশি বার্ষিক ক্রীড়া, শিক্ষা সফরসহ বিভিন্ন জাতীয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় দিবস পালন করে আসছে। এবছর নতুন করে যোগ হয়েছে পিঠা উৎসব।

বিছালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মারুফ হোসেন মোল্যা বলেন, আগের দিনে গ্রামগঞ্জে হরেক রকম পিঠা তৈরি হতো। যান্ত্রিকতার যাতাকলে অবাহমান বাঙলা থেকে পিঠার আয়োজন কিছুট হলেও কমে গেছে। বিশেষ করে এ প্রজন্মের কাছে পিঠার আদি ঐহিত্য ছড়িয়ে দিতে প্রথমবারের মতো পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছি। আগামিতেও আমাদের এই আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

প্রধান অতিথি তার বক্তৃতাকালে বলেন বাঙালির হাজারো বছরের ইতিহাস-ঐহিত্যের স্মারক পিঠাপুলির আয়োজন। আবহমান বাংলার এই ঐহিত্য সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আজকের দিনটি একেবারে অন্যরকম।শত শত মানুষের মিলনমেলার দিন এটি।