০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নদী বাঁচাও, সুন্দরবন বাঁচাও’ স্লোগানের মাধ্যমে পশুর নদীর পাড়ে বিশ্ব নদী দিবস পালন।

Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৯:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২২৮ Time View

মো: রাজু আহমেদ (স্টাফ রিপোর্টার)। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মোংলার দক্ষিণ কাইনমারি পশুর নদীর পাড়ে বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে ‘পশুর নদী বাঁচাও, সুন্দরবন বাঁচাও’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা একথা বলেন। ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, পশুর রিভার ওয়াটারবি লিডার্স ও বাদাবন সংঘের আয়োজনে এ আলোচন অনুষ্ঠিত হয়। সুন্দরবনের প্রাণ পশুর নদী কয়লা, প্লাস্টিক, বিষ ও শিল্প দূষণে আক্রান্ত। গণতন্ত্রের ন্যায় বাংলাদেশের নদ-নদী ও প্রাণ-প্রকৃতি ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন দ্বারা ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে। নদী একটি জীবন্ত সত্তা। আমাদের নদী, আমাদের অস্তিত্ব। দখল-দূষণ ও অসাধু জেলেদের বিষের ছোবল থেকে সুন্দরবন অঞ্চলের নদ-নদীসহ সারাদেশের নদ-নদীকে রক্ষা করতে হবে। আলোচনা সভায় সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনের নদী-খালে যারা বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন করছে তাদের প্রতিহত করতে হবে। নদী দখলকারীদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। নদী বাঁচলে উপকূল বাঁচবে, বাংলাদেশ বাঁচবে। সভাপতির বক্তব্যে সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়কারী পরিবেশযোদ্ধা মো. নূর আলম শেখ বলেন নদীর স্বাস্থ্য ভালো থাকলে মানুষের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দূষণে পশুর নদীর পানি বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। নদীর মাছসহ জলজপ্রাণীর অস্তিত্ব হুমকিতে আছে। গবেষণায় পশুর নদীর মাছের দেহে মাইক্রো প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে। যেকোনো মূল্যে পশুর নদীসহ বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের অঞ্চলের নদ-নদী সমূহকে কয়লার দূষণ, প্লাস্টিক দূষণ, শিল্পদূষণ ও বিষের দূষণমুক্ত করতে হবে। নদী বাঁচাতে সবাইকে একপ্রাণ হতে হবে। এছাড়া নদীকে প্লাস্টিক-পলিথিন দূষণমুক্ত করতে ইয়ুথ ফর সুন্দরবনের পক্ষ থেকে পাটের ব্যাগ বিতরণ করা হয়। সবশেষে নদী কেন্দ্রিক গানের আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নদী বাঁচাও, সুন্দরবন বাঁচাও’ স্লোগানের মাধ্যমে পশুর নদীর পাড়ে বিশ্ব নদী দিবস পালন।

Update Time : ০৩:৩৯:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মো: রাজু আহমেদ (স্টাফ রিপোর্টার)। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মোংলার দক্ষিণ কাইনমারি পশুর নদীর পাড়ে বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে ‘পশুর নদী বাঁচাও, সুন্দরবন বাঁচাও’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা একথা বলেন। ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, পশুর রিভার ওয়াটারবি লিডার্স ও বাদাবন সংঘের আয়োজনে এ আলোচন অনুষ্ঠিত হয়। সুন্দরবনের প্রাণ পশুর নদী কয়লা, প্লাস্টিক, বিষ ও শিল্প দূষণে আক্রান্ত। গণতন্ত্রের ন্যায় বাংলাদেশের নদ-নদী ও প্রাণ-প্রকৃতি ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন দ্বারা ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে। নদী একটি জীবন্ত সত্তা। আমাদের নদী, আমাদের অস্তিত্ব। দখল-দূষণ ও অসাধু জেলেদের বিষের ছোবল থেকে সুন্দরবন অঞ্চলের নদ-নদীসহ সারাদেশের নদ-নদীকে রক্ষা করতে হবে। আলোচনা সভায় সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনের নদী-খালে যারা বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন করছে তাদের প্রতিহত করতে হবে। নদী দখলকারীদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। নদী বাঁচলে উপকূল বাঁচবে, বাংলাদেশ বাঁচবে। সভাপতির বক্তব্যে সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়কারী পরিবেশযোদ্ধা মো. নূর আলম শেখ বলেন নদীর স্বাস্থ্য ভালো থাকলে মানুষের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দূষণে পশুর নদীর পানি বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। নদীর মাছসহ জলজপ্রাণীর অস্তিত্ব হুমকিতে আছে। গবেষণায় পশুর নদীর মাছের দেহে মাইক্রো প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে। যেকোনো মূল্যে পশুর নদীসহ বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের অঞ্চলের নদ-নদী সমূহকে কয়লার দূষণ, প্লাস্টিক দূষণ, শিল্পদূষণ ও বিষের দূষণমুক্ত করতে হবে। নদী বাঁচাতে সবাইকে একপ্রাণ হতে হবে। এছাড়া নদীকে প্লাস্টিক-পলিথিন দূষণমুক্ত করতে ইয়ুথ ফর সুন্দরবনের পক্ষ থেকে পাটের ব্যাগ বিতরণ করা হয়। সবশেষে নদী কেন্দ্রিক গানের আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়।